গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পরদিন শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মিষ্টি নিয়ে তাদের বাসায় গিয়েছিলেন অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০)। তবে পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা না হওয়ায় প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তিনি সেখান থেকে চলে যান। এদিকে, মামলা তুলে নিতে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও সরিয়ে ফেলতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে শিশুটির পরিবারের বসবাস করা ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ গণমাধ্যমের হাতে আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন। মামলার তদন্ত চলছে।
অন্য একটি ফুটেজে ব্যাগের ভেতরে মিষ্টির প্যাকেট দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিশুটির পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা করতে না পেরে ওই দিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে শিশুটির মায়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা পাঠান অভিযুক্ত শিক্ষক। বার্তায় তিনি জানান, শিশুটির পরিবারের বাসার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং দেখা করতে এসেছেন।

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, তাঁকে মামলা তুলে নিতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও সরিয়ে ফেলতে বলা হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, তাঁর প্রতিবাদ কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়; বরং তাঁর সন্তানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার পাওয়াই তাঁর লক্ষ্য।
তবে হুমকির অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।
এ ঘটনায় করা মামলায় ২১ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম আহম্মদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার তাঁর জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এবং আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শিশুটির বাবা ও স্থানীয় কয়েকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।
এ ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা, পরিবারের প্রতি হুমকির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির পরিচয়, ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকা উচিত। শিশুর মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
সর্বশেষ অবস্থা: সরবরাহ করা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন এবং তদন্ত চলছে। পরিবারের হুমকির অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। তদন্তের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পরদিন শিশুটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মিষ্টি নিয়ে তাদের বাসায় গিয়েছিলেন অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০)। তবে পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা না হওয়ায় প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তিনি সেখান থেকে চলে যান। এদিকে, মামলা তুলে নিতে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও সরিয়ে ফেলতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে শিশুটির পরিবারের বসবাস করা ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ গণমাধ্যমের হাতে আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন। মামলার তদন্ত চলছে।
অন্য একটি ফুটেজে ব্যাগের ভেতরে মিষ্টির প্যাকেট দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিশুটির পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা করতে না পেরে ওই দিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে শিশুটির মায়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বার্তা পাঠান অভিযুক্ত শিক্ষক। বার্তায় তিনি জানান, শিশুটির পরিবারের বাসার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এবং দেখা করতে এসেছেন।

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, তাঁকে মামলা তুলে নিতে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও সরিয়ে ফেলতে বলা হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, তাঁর প্রতিবাদ কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়; বরং তাঁর সন্তানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার পাওয়াই তাঁর লক্ষ্য।
তবে হুমকির অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।
এ ঘটনায় করা মামলায় ২১ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম আহম্মদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার তাঁর জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এবং আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শিশুটির বাবা ও স্থানীয় কয়েকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।
এ ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা, পরিবারের প্রতি হুমকির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির পরিচয়, ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকা উচিত। শিশুর মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
সর্বশেষ অবস্থা: সরবরাহ করা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন এবং তদন্ত চলছে। পরিবারের হুমকির অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। তদন্তের অগ্রগতি ও সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন