রাজধানীর বনানী এলাকায় কথিত এক যুবদল নেতাকে ঘিরে দখল, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ‘চুল্লী শাহীন’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি, যিনি গুলশান-বনানী এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নানা অনিয়মে জড়িত বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বনানী ১৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় যুবদলের ব্যানার ব্যবহার করে শাহীন নামের এই ব্যক্তি নিজেকে বড় রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তবে তার বিরুদ্ধে স্পা, মিনিবার পরিচালনা থেকে শুরু করে ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক কর্মীদের অভিযোগ, বনানী এলাকায় বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং জায়গা দখলের মাধ্যমে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে একটি চাঁদাবাজ চক্র তৈরি করা হয়েছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
অভিযোগ রয়েছে, গুলশান-বনানী এলাকার বিভিন্ন স্পট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিনি নিজের একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন। এমনকি কিছু জায়গায় রিপোর্টার্স ইউনিট বা স্থানীয় সংগঠনের কার্যক্রমেও হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় কয়েকজন নেতা দাবি করেন, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছে, যা রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর। তাদের মতে, প্রকৃত নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে কিছু নামধারী ব্যক্তি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সদস্য সচিব সাজ্জাদুল হক মিরাজ বলেন, শাহীন নামের ওই ব্যক্তি দলের কোনো দায়িত্বশীল পদে নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, তার বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও জানান, দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানীতে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘন ঘন সামনে আসছে। এতে রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
সব মিলিয়ে বনানীর এই ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসী এ ধরনের কার্যকলাপ বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৫
রাজধানীর বনানী এলাকায় কথিত এক যুবদল নেতাকে ঘিরে দখল, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ‘চুল্লী শাহীন’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি, যিনি গুলশান-বনানী এলাকায় রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নানা অনিয়মে জড়িত বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বনানী ১৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় যুবদলের ব্যানার ব্যবহার করে শাহীন নামের এই ব্যক্তি নিজেকে বড় রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তবে তার বিরুদ্ধে স্পা, মিনিবার পরিচালনা থেকে শুরু করে ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক কর্মীদের অভিযোগ, বনানী এলাকায় বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং জায়গা দখলের মাধ্যমে তিনি প্রভাব বিস্তার করছেন। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে একটি চাঁদাবাজ চক্র তৈরি করা হয়েছে, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
অভিযোগ রয়েছে, গুলশান-বনানী এলাকার বিভিন্ন স্পট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তিনি নিজের একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন। এমনকি কিছু জায়গায় রিপোর্টার্স ইউনিট বা স্থানীয় সংগঠনের কার্যক্রমেও হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় কয়েকজন নেতা দাবি করেন, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছে, যা রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর। তাদের মতে, প্রকৃত নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে কিছু নামধারী ব্যক্তি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সদস্য সচিব সাজ্জাদুল হক মিরাজ বলেন, শাহীন নামের ওই ব্যক্তি দলের কোনো দায়িত্বশীল পদে নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, তার বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও জানান, দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানীতে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘন ঘন সামনে আসছে। এতে রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
সব মিলিয়ে বনানীর এই ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসী এ ধরনের কার্যকলাপ বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন