দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

চাচা-ভাতিজির অনৈতিক সম্পর্কে ভাতিজির বিবাহ বিচ্ছেদ, এলাকায় তোলপাড়

নূরুল আনোয়ার ওয়াকফ স্টেটের সম্পত্তি দখল ও অনিয়মের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্য

কটিয়াদীতে কৃষক হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামি গ্রেফতার, উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

নওগাঁয় বজ্রপাতে নিহতের কবর পাহারা দিচ্ছেন স্বজনরা, লাশ চুরির আশঙ্কায় রাতভর নজরদারি

বাঞ্ছারামপুর থানা হোগলাকান্দি গ্রামে টেকসই সড়ক ও ড্রেন পেয়ে আনন্দিত সর্বস্তরের গ্রামবাসী...

বাঞ্ছারামপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল, নাশকতা প্রতিহতের হুঁশিয়ারি

বন্যার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: মেঘালয়ের রেকর্ড বৃষ্টিতে সিলেট-সুনামগঞ্জসহ ৬ জেলায় প্লাবনের শঙ্কা

মোহাম্মদপুরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, কলেজগেট এলাকা থেকে ১০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন
দুই দফা জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় মোঃ ছাবের আহমদকে।

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের মৃত্যুতে কক্সবাজার ও পেকুয়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মধ্যে গভীর শোকের অনুভূতি তৈরি হয়। রবিবার অনুষ্ঠিত দুই দফা জানাজায় মানুষের উপস্থিতি যেন প্রমাণ করে দিল—কর্মজীবন আর ব্যক্তিজীবনে তিনি কতটা মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৩ মে) রাত ৮টা ৪ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন কর্মজীবনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক সম্পর্কেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

দুই এলাকায় দুই দফা জানাজা

মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের এস এম পাড়ায়। পরে তার নিজ এলাকা পেকুয়ায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাবেক সহকর্মী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় অনেককে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। কেউ কেউ দীর্ঘদিনের স্মৃতি মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। উপস্থিত মুসল্লিরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “তিনি খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। মানুষের উপকার করতে ভালোবাসতেন। এমন মানুষ এখন খুব কমই দেখা যায়।”

কর্মস্থলে সততা, আচরণে আন্তরিকতা

মোঃ ছাবের আহমদ দীর্ঘ সময় কক্সবাজার আয়কর অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকর্মীদের দাবি, কর্মজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দায়িত্বশীল এবং নিয়মতান্ত্রিক। সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করতেন বলেও জানিয়েছেন তার পরিচিতজনরা।

তার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করা এক সাবেক সহকর্মী বলেন, “ছাবের ভাই কখনো কাউকে ছোট করে কথা বলতেন না। অফিসে যেমন দায়িত্বশীল ছিলেন, তেমনি মানুষের বিপদেও পাশে দাঁড়াতেন।”

স্থানীয়দের অনেকে জানান, চাকরির বাইরেও সামাজিক বিভিন্ন কাজে তার সম্পৃক্ততা ছিল। এলাকার মানুষ ব্যক্তিগত সমস্যায়ও তার পরামর্শ নিতেন। ফলে তার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং স্থানীয় সমাজেও একটি শূন্যতা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক

তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় শোক প্রকাশের ঢল। অনেকে তার সঙ্গে কাটানো স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। কেউ লিখেছেন তার মানবিক আচরণের কথা, কেউ বলেছেন কর্মক্ষেত্রে তার সততার গল্প।

স্থানীয় কয়েকজন তরুণ জানান, বর্তমান সময়ে যখন বিভিন্ন জায়গায় অসদাচরণের অভিযোগ শোনা যায়, তখন ছাবের আহমদের মতো মানুষ সমাজের জন্য ইতিবাচক উদাহরণ ছিলেন।

তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ব্যক্তিগত তথ্য বা স্মৃতিচারণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পরিবারও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

কেন মানুষের মনে জায়গা করে নেন কিছু মানুষ?

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ মৃত্যুর পর কতটা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, তা নির্ভর করে তার ব্যবহার, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর। কর্মজীবনে সততা ও মানবিক আচরণ একজন মানুষকে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমাজে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থেকেও নীরবে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেন। তাদের মৃত্যুতে স্থানীয়ভাবে যে আবেগ তৈরি হয়, সেটি আসলে সামাজিক সম্পর্কের গভীরতাকেই প্রকাশ করে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কর্মক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণ মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। তাই একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি চলে গেলে মানুষ তার শূন্যতা গভীরভাবে অনুভব করে।

পরিবারে শোক, এলাকাবাসীর দোয়া

মরহুমের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে গভীর শোকের মধ্যে সময় পার করছেন। জানাজায় অংশ নেওয়া অনেকে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।

ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার আচরণ ও কর্মের মধ্যেই প্রকাশ পায়। তাদের মতে, ছাবের আহমদের জীবন নতুন প্রজন্মের জন্যও একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

স্থানীয়দের দাবি, সমাজে সৎ ও মানবিক মানুষের সংখ্যা বাড়লে সামাজিক পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। তারা মনে করেন, এমন মানুষদের স্মরণ করা এবং তাদের ভালো কাজগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

উপসংহার

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, শোকাহত হয়েছে পুরো এলাকা। কর্মজীবনে সততা, ব্যক্তিজীবনে মানবিকতা এবং মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক—এই গুণগুলোর কারণেই তিনি পরিচিতদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন।

তার মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল—মানুষ শেষ পর্যন্ত তার সম্পদ বা পদবির জন্য নয়, বরং আচরণ ও মানবিকতার জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকে।

বিষয় : কক্সবাজার সংবাদ পেকুয়া খবর আয়কর অফিস শোক সংবাদ ছাবের আহমদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬


কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের মৃত্যুতে কক্সবাজার ও পেকুয়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মধ্যে গভীর শোকের অনুভূতি তৈরি হয়। রবিবার অনুষ্ঠিত দুই দফা জানাজায় মানুষের উপস্থিতি যেন প্রমাণ করে দিল—কর্মজীবন আর ব্যক্তিজীবনে তিনি কতটা মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৩ মে) রাত ৮টা ৪ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন কর্মজীবনে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক সম্পর্কেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

দুই এলাকায় দুই দফা জানাজা

মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের এস এম পাড়ায়। পরে তার নিজ এলাকা পেকুয়ায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাবেক সহকর্মী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় অনেককে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। কেউ কেউ দীর্ঘদিনের স্মৃতি মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। উপস্থিত মুসল্লিরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “তিনি খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। মানুষের উপকার করতে ভালোবাসতেন। এমন মানুষ এখন খুব কমই দেখা যায়।”

কর্মস্থলে সততা, আচরণে আন্তরিকতা

মোঃ ছাবের আহমদ দীর্ঘ সময় কক্সবাজার আয়কর অফিসে দায়িত্ব পালন করেছেন। সহকর্মীদের দাবি, কর্মজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দায়িত্বশীল এবং নিয়মতান্ত্রিক। সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করতেন বলেও জানিয়েছেন তার পরিচিতজনরা।

তার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করা এক সাবেক সহকর্মী বলেন, “ছাবের ভাই কখনো কাউকে ছোট করে কথা বলতেন না। অফিসে যেমন দায়িত্বশীল ছিলেন, তেমনি মানুষের বিপদেও পাশে দাঁড়াতেন।”

স্থানীয়দের অনেকে জানান, চাকরির বাইরেও সামাজিক বিভিন্ন কাজে তার সম্পৃক্ততা ছিল। এলাকার মানুষ ব্যক্তিগত সমস্যায়ও তার পরামর্শ নিতেন। ফলে তার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং স্থানীয় সমাজেও একটি শূন্যতা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক

তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় শোক প্রকাশের ঢল। অনেকে তার সঙ্গে কাটানো স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। কেউ লিখেছেন তার মানবিক আচরণের কথা, কেউ বলেছেন কর্মক্ষেত্রে তার সততার গল্প।

স্থানীয় কয়েকজন তরুণ জানান, বর্তমান সময়ে যখন বিভিন্ন জায়গায় অসদাচরণের অভিযোগ শোনা যায়, তখন ছাবের আহমদের মতো মানুষ সমাজের জন্য ইতিবাচক উদাহরণ ছিলেন।

তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ব্যক্তিগত তথ্য বা স্মৃতিচারণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পরিবারও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

কেন মানুষের মনে জায়গা করে নেন কিছু মানুষ?

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ মৃত্যুর পর কতটা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, তা নির্ভর করে তার ব্যবহার, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর। কর্মজীবনে সততা ও মানবিক আচরণ একজন মানুষকে আলাদা মর্যাদা এনে দেয়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমাজে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থেকেও নীরবে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেন। তাদের মৃত্যুতে স্থানীয়ভাবে যে আবেগ তৈরি হয়, সেটি আসলে সামাজিক সম্পর্কের গভীরতাকেই প্রকাশ করে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কর্মক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণ মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। তাই একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি চলে গেলে মানুষ তার শূন্যতা গভীরভাবে অনুভব করে।

পরিবারে শোক, এলাকাবাসীর দোয়া

মরহুমের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে গভীর শোকের মধ্যে সময় পার করছেন। জানাজায় অংশ নেওয়া অনেকে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।

ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বলেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার আচরণ ও কর্মের মধ্যেই প্রকাশ পায়। তাদের মতে, ছাবের আহমদের জীবন নতুন প্রজন্মের জন্যও একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

স্থানীয়দের দাবি, সমাজে সৎ ও মানবিক মানুষের সংখ্যা বাড়লে সামাজিক পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। তারা মনে করেন, এমন মানুষদের স্মরণ করা এবং তাদের ভালো কাজগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

উপসংহার

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, শোকাহত হয়েছে পুরো এলাকা। কর্মজীবনে সততা, ব্যক্তিজীবনে মানবিকতা এবং মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক—এই গুণগুলোর কারণেই তিনি পরিচিতদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন।

তার মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল—মানুষ শেষ পর্যন্ত তার সম্পদ বা পদবির জন্য নয়, বরং আচরণ ও মানবিকতার জন্যই স্মরণীয় হয়ে থাকে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর