বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলের প্রকৃতি, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে এবার তৈরি হলো ভিন্নধর্মী একটি মিউজিক্যাল ফিল্ম। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এবং লন্ডনপ্রবাসী কণ্ঠশিল্পী রুবাইয়াত জাহানের কণ্ঠে ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ শিরোনামের গানটি ঈদ উপলক্ষে প্রকাশ পাচ্ছে। শুধু একটি গান নয়, নির্মাতাদের দাবি—এটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি সাংস্কৃতিক প্রয়াস।
আগামী ২১ মে দুপুরে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে গানটির মিউজিক্যাল ফিল্ম উন্মুক্ত করা হবে। একই দিনে রাজধানীর বনানী ক্লাবে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রকাশনা অনুষ্ঠানও। যেখানে সংগীতাঙ্গনের পরিচিত মুখদের পাশাপাশি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরও।
‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’—এই পরিচয়েই সবচেয়ে বেশি পরিচিত শ্রীমঙ্গল। দেশের চা শিল্পের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলকে ঘিরে বহু গল্প, ইতিহাস ও লোকজ সংস্কৃতি রয়েছে। সেই আবহকে এবার গানের কথায় তুলে এনেছেন লন্ডনপ্রবাসী গীতিকবি কায়েস আজিজ।
গানটিতে শুধু প্রকৃতির বর্ণনা নয়, শ্রীমঙ্গলের মানুষের জীবন, ঐতিহ্য, পাহাড়ি সৌন্দর্য এবং পর্যটনের সম্ভাবনাও ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মিউজিক্যাল ফিল্মটির দৃশ্যধারণ ও নির্মাণ করেছেন নির্মাতা সৈকত রেজা। আর সুর ও সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত সংগীত পরিচালক রাজা কাশেফ।
বাংলা, উর্দু এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের গানে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা রাজা কাশেফের সংযোজন গানটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে বলেও মনে করছেন সংগীতসংশ্লিষ্টরা।
গানটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। তাঁর ভাষায়, এটি তাঁর গাওয়া প্রচলিত ধারার গানের চেয়ে অনেকটাই আলাদা।
আসিফ বলেন, “এই গানে শ্রীমঙ্গলের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সৌন্দর্যের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এমন ধরনের গান আমি খুব বেশি গাইনি। সবচেয়ে ভালো লেগেছে, গানটির মাধ্যমে একটি অঞ্চলকে নান্দনিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু বিনোদনের জন্য নয়, গানটি মানুষকে শ্রীমঙ্গল সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করবে বলেও আমি মনে করি।”
সংগীত বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের গানগুলোতে নির্দিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপস্থাপন খুব একটা দেখা যায় না। সেই জায়গা থেকে ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
গানটির আরেক কণ্ঠশিল্পী রুবাইয়াত জাহান দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে বসবাস করছেন। দেশের বাইরে থেকেও বাংলা গান এবং সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে খুব আন্তরিকভাবে কাজটি করেছি। দর্শক-শ্রোতারা যদি গানটি ভালোবাসেন, তাহলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।”
প্রবাসী শিল্পীদের এ ধরনের অংশগ্রহণকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংস্কৃতিবিষয়ক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, বিদেশে থাকা শিল্পীরা যখন দেশের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেন, তখন সেটি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়াতে সহায়ক হয়।
গানটির অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে শ্রীমঙ্গলকে একটি নান্দনিক পর্যটন শহর হিসেবে তুলে ধরার কথা বলেছেন শিল্পীরা। দেশের ভেতরে পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা থাকলেও অনেক সময় সৃজনশীল প্রচারণার অভাব থাকে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি জনপ্রিয় গান বা মিউজিক ভিডিও অনেক সময় একটি অঞ্চলকে নতুনভাবে পরিচিত করে তুলতে পারে। এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গান ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদাহরণও রয়েছে।
‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ সেই ধরনের একটি সাংস্কৃতিক প্রচারণা হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এটি কতটা দর্শকপ্রিয় হবে, সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে গানটির টিজার ও ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে আগ্রহ দেখা গেছে।
গান ও মিউজিক্যাল ফিল্মটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ উপলক্ষে রাজধানীর বনানী ক্লাবে আয়োজন করা হয়েছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার এবং সংগীত সংশ্লিষ্ট আরও অনেকেই অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
গানটির প্রকাশক প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ধ্রুব গুহ বলেন, “বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে আরও বেশি গান হওয়া দরকার। তাহলে নতুন প্রজন্ম নিজেদের দেশকে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে।”
তিনি জানান, লন্ডনে অবস্থানকালে এই প্রকল্পের পরিকল্পনার সঙ্গে তিনি এবং আসিফ আকবর যুক্ত হন। পরে সেটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সংগীত ও ভিজ্যুয়াল কনটেন্টে আঞ্চলিক সংস্কৃতির ব্যবহার কিছুটা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষ এখন শুধু বিনোদন নয়, নিজের শেকড় ও পরিচয়ের গল্পও খুঁজছে। তাই নির্দিষ্ট অঞ্চলকে ঘিরে গান, সিনেমা কিংবা তথ্যচিত্রের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
একই সঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে একটি গান খুব দ্রুত আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় গল্পও এখন বৈশ্বিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ সেই ধারার আরেকটি নতুন সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ঈদের এই বিশেষ আয়োজন দর্শকদের হৃদয়ে কতটা জায়গা করে নিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলের প্রকৃতি, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে এবার তৈরি হলো ভিন্নধর্মী একটি মিউজিক্যাল ফিল্ম। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এবং লন্ডনপ্রবাসী কণ্ঠশিল্পী রুবাইয়াত জাহানের কণ্ঠে ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ শিরোনামের গানটি ঈদ উপলক্ষে প্রকাশ পাচ্ছে। শুধু একটি গান নয়, নির্মাতাদের দাবি—এটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি সাংস্কৃতিক প্রয়াস।
আগামী ২১ মে দুপুরে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে গানটির মিউজিক্যাল ফিল্ম উন্মুক্ত করা হবে। একই দিনে রাজধানীর বনানী ক্লাবে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ প্রকাশনা অনুষ্ঠানও। যেখানে সংগীতাঙ্গনের পরিচিত মুখদের পাশাপাশি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরও।
‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’—এই পরিচয়েই সবচেয়ে বেশি পরিচিত শ্রীমঙ্গল। দেশের চা শিল্পের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলকে ঘিরে বহু গল্প, ইতিহাস ও লোকজ সংস্কৃতি রয়েছে। সেই আবহকে এবার গানের কথায় তুলে এনেছেন লন্ডনপ্রবাসী গীতিকবি কায়েস আজিজ।
গানটিতে শুধু প্রকৃতির বর্ণনা নয়, শ্রীমঙ্গলের মানুষের জীবন, ঐতিহ্য, পাহাড়ি সৌন্দর্য এবং পর্যটনের সম্ভাবনাও ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মিউজিক্যাল ফিল্মটির দৃশ্যধারণ ও নির্মাণ করেছেন নির্মাতা সৈকত রেজা। আর সুর ও সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত সংগীত পরিচালক রাজা কাশেফ।
বাংলা, উর্দু এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের গানে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা রাজা কাশেফের সংযোজন গানটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে বলেও মনে করছেন সংগীতসংশ্লিষ্টরা।
গানটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। তাঁর ভাষায়, এটি তাঁর গাওয়া প্রচলিত ধারার গানের চেয়ে অনেকটাই আলাদা।
আসিফ বলেন, “এই গানে শ্রীমঙ্গলের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সৌন্দর্যের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এমন ধরনের গান আমি খুব বেশি গাইনি। সবচেয়ে ভালো লেগেছে, গানটির মাধ্যমে একটি অঞ্চলকে নান্দনিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু বিনোদনের জন্য নয়, গানটি মানুষকে শ্রীমঙ্গল সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করবে বলেও আমি মনে করি।”
সংগীত বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের গানগুলোতে নির্দিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপস্থাপন খুব একটা দেখা যায় না। সেই জায়গা থেকে ‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন অনেকে।
গানটির আরেক কণ্ঠশিল্পী রুবাইয়াত জাহান দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে বসবাস করছেন। দেশের বাইরে থেকেও বাংলা গান এবং সংস্কৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সবাই মিলে খুব আন্তরিকভাবে কাজটি করেছি। দর্শক-শ্রোতারা যদি গানটি ভালোবাসেন, তাহলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।”
প্রবাসী শিল্পীদের এ ধরনের অংশগ্রহণকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংস্কৃতিবিষয়ক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, বিদেশে থাকা শিল্পীরা যখন দেশের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেন, তখন সেটি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়াতে সহায়ক হয়।
গানটির অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে শ্রীমঙ্গলকে একটি নান্দনিক পর্যটন শহর হিসেবে তুলে ধরার কথা বলেছেন শিল্পীরা। দেশের ভেতরে পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা থাকলেও অনেক সময় সৃজনশীল প্রচারণার অভাব থাকে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে একটি জনপ্রিয় গান বা মিউজিক ভিডিও অনেক সময় একটি অঞ্চলকে নতুনভাবে পরিচিত করে তুলতে পারে। এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গান ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদাহরণও রয়েছে।
‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ সেই ধরনের একটি সাংস্কৃতিক প্রচারণা হতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এটি কতটা দর্শকপ্রিয় হবে, সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে গানটির টিজার ও ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে আগ্রহ দেখা গেছে।
গান ও মিউজিক্যাল ফিল্মটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ উপলক্ষে রাজধানীর বনানী ক্লাবে আয়োজন করা হয়েছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার এবং সংগীত সংশ্লিষ্ট আরও অনেকেই অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
গানটির প্রকাশক প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ধ্রুব গুহ বলেন, “বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে আরও বেশি গান হওয়া দরকার। তাহলে নতুন প্রজন্ম নিজেদের দেশকে আরও ভালোভাবে জানতে পারবে।”
তিনি জানান, লন্ডনে অবস্থানকালে এই প্রকল্পের পরিকল্পনার সঙ্গে তিনি এবং আসিফ আকবর যুক্ত হন। পরে সেটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সংগীত ও ভিজ্যুয়াল কনটেন্টে আঞ্চলিক সংস্কৃতির ব্যবহার কিছুটা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষ এখন শুধু বিনোদন নয়, নিজের শেকড় ও পরিচয়ের গল্পও খুঁজছে। তাই নির্দিষ্ট অঞ্চলকে ঘিরে গান, সিনেমা কিংবা তথ্যচিত্রের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।
একই সঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে একটি গান খুব দ্রুত আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয় গল্পও এখন বৈশ্বিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
‘রূপসী শ্রীমঙ্গল’ সেই ধারার আরেকটি নতুন সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ঈদের এই বিশেষ আয়োজন দর্শকদের হৃদয়ে কতটা জায়গা করে নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন