দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ গ্রহণ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ গ্রহণ

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি সোহানা নাসরিন, বন্দিদের কল্যাণে দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক, কর্মী প্রেরণ ও বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার আলোচনা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগ, প্রবাসীদের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ২০২৬: শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় ভিত্তি—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভৈরবে মাইক্রোবাস ভাড়া নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ: মহাসড়ক অবরোধ, দোকানপাট ভাঙচুর-লুটপাট, এসপির অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

খুলনায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সাঁড়াশি অভিযান, ১১ প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় লাখ টাকা জরিমানা

আইসিপি বিজিবির অভিযানে ২ লক্ষ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স আটক

আদেশের পরও যোগ দেননি শিক্ষকরা, সংকটে উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

আদেশের পরও যোগ দেননি শিক্ষকরা, সংকটে উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
শিক্ষক সংকটে ভোগা উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তিন শিক্ষককে সাময়িক দায়িত্বে পদায়নের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো কেউ যোগদান করেননি। এর মধ্যেই কোনো লিখিত অফিস আদেশ ছাড়াই অন্য একটি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে সেখানে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।


স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়টিতে প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

তিন শিক্ষককে পদায়নের নির্দেশ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তিনজন সহকারী শিক্ষককে সাময়িকভাবে উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তারা হলেন— বকুলতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ মিজানুর রহমান, বড় খাটামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ আব্দুস সালাম এবং পশ্চিম বাগভান্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ ময়েন উদ্দিন।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তাদের সেখানে দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে।

নির্ধারিত দিনে কেউ যোগ দেননি

আদেশে উল্লেখ ছিল, গত ১৪ মে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। তবে ১৭ মে পর্যন্তও কোনো শিক্ষক সেখানে যোগ দেননি বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরিনা আফরোজ।

তিনি বলেন, “তিনজন শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কেউ যোগদান করেননি। তবে অন্য একটি বিদ্যালয়ের জাহাঙ্গীর নামের একজন শিক্ষক এসেছেন। তার বিষয়ে কোনো অফিস আদেশ আমাদের কাছে নেই।”

অফিস আদেশ ছাড়াই শিক্ষক পাঠানোর অভিযোগ

হরিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাকে ফোন করে ওই বিদ্যালয়ে যেতে বলেছেন। তবে তাকে কোনো লিখিত আদেশ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় শিক্ষা প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ রয়েছে, পদায়ন হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে একজনের অসুস্থতার বিষয় সামনে এনে আদেশ কার্যকর ঠেকাতে বিভিন্ন মহলে তদবির চলছে।

একাই সামলাচ্ছেন পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ

বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরিনা আফরোজকে একাই পাঠদান ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকলেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

দুর্গম এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

স্থানীয়দের মতে, নদীবেষ্টিত ও সীমান্তবর্তী হওয়ায় উত্তর ধলডাঙ্গা এলাকার শিক্ষার্থীরা আগেই নানা প্রতিকূলতার মধ্যে রয়েছে। যাতায়াত সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে পারে না।

এর মধ্যে শিক্ষক সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা দ্রুত শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আখতারুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, “আমি একটি খেলা নিয়ে ব্যস্ত আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এছাড়া জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


দ্রুত সমাধান চান অভিভাবকরা

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শিক্ষক সংকট দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বড় ধরনের ক্ষতি হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হলে শিশুদের শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

তাদের দাবি, প্রশাসনের উচিত দ্রুত অফিস আদেশ কার্যকর করে বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

বিষয় : শিক্ষক পদায়ন কুড়িগ্রাম শিক্ষা প্রাথমিক বিদ্যালয় ভূরুঙ্গামারী শিক্ষক সংকট

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


আদেশের পরও যোগ দেননি শিক্ষকরা, সংকটে উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তিন শিক্ষককে সাময়িক দায়িত্বে পদায়নের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো কেউ যোগদান করেননি। এর মধ্যেই কোনো লিখিত অফিস আদেশ ছাড়াই অন্য একটি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে সেখানে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।


স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটে থাকা বিদ্যালয়টিতে প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

তিন শিক্ষককে পদায়নের নির্দেশ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তিনজন সহকারী শিক্ষককে সাময়িকভাবে উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তারা হলেন— বকুলতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ মিজানুর রহমান, বড় খাটামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ আব্দুস সালাম এবং পশ্চিম বাগভান্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ ময়েন উদ্দিন।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তাদের সেখানে দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে।

নির্ধারিত দিনে কেউ যোগ দেননি

আদেশে উল্লেখ ছিল, গত ১৪ মে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। তবে ১৭ মে পর্যন্তও কোনো শিক্ষক সেখানে যোগ দেননি বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরিনা আফরোজ।

তিনি বলেন, “তিনজন শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কেউ যোগদান করেননি। তবে অন্য একটি বিদ্যালয়ের জাহাঙ্গীর নামের একজন শিক্ষক এসেছেন। তার বিষয়ে কোনো অফিস আদেশ আমাদের কাছে নেই।”

অফিস আদেশ ছাড়াই শিক্ষক পাঠানোর অভিযোগ

হরিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাকে ফোন করে ওই বিদ্যালয়ে যেতে বলেছেন। তবে তাকে কোনো লিখিত আদেশ দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এ ঘটনায় শিক্ষা প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ রয়েছে, পদায়ন হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে একজনের অসুস্থতার বিষয় সামনে এনে আদেশ কার্যকর ঠেকাতে বিভিন্ন মহলে তদবির চলছে।

একাই সামলাচ্ছেন পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ

বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিরিনা আফরোজকে একাই পাঠদান ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকলেও কার্যকর সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

দুর্গম এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

স্থানীয়দের মতে, নদীবেষ্টিত ও সীমান্তবর্তী হওয়ায় উত্তর ধলডাঙ্গা এলাকার শিক্ষার্থীরা আগেই নানা প্রতিকূলতার মধ্যে রয়েছে। যাতায়াত সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে পারে না।

এর মধ্যে শিক্ষক সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা দ্রুত শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আখতারুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অন্যদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, “আমি একটি খেলা নিয়ে ব্যস্ত আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এছাড়া জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


দ্রুত সমাধান চান অভিভাবকরা

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শিক্ষক সংকট দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বড় ধরনের ক্ষতি হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হলে শিশুদের শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

তাদের দাবি, প্রশাসনের উচিত দ্রুত অফিস আদেশ কার্যকর করে বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর