দেশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্টেডিয়াম ও ক্রীড়া স্থাপনাগুলো নতুন করে প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছে—এখন থেকে এসব জায়গায় আর কোনো মেলা বা বাণিজ্যিক আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হবে না। ফলে ক্রীড়াঙ্গনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও খেলোয়াড় তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলার নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের এক ব্রিফিংয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্সকে সংস্কার করে পুনরায় সচল করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ক্রীড়া অবকাঠামোকে আর কোনোভাবেই অ-ক্রীড়ামূলক কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
বছরের পর বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে মেলা, বাণিজ্যিক অনুষ্ঠান কিংবা রাজনৈতিক সমাবেশ আয়োজনের অভিযোগ রয়েছে। এতে মাঠের অবস্থা নষ্ট হওয়া, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং খেলাধুলার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি এ ধরনের অনুমোদন বন্ধ রেখেছেন। ভবিষ্যতেও এই অবস্থান বহাল থাকবে। তার ভাষায়, “স্টেডিয়াম খেলাধুলার জন্য—এখানে অন্য কিছু চলবে না।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মাঠে ভারী কাঠামো বসানো, যানবাহন প্রবেশ এবং অস্থায়ী স্থাপনা তৈরির কারণে স্টেডিয়ামের ঘাস, ট্র্যাক ও অন্যান্য সুবিধা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
দেশের অনেক জেলা ও উপজেলায় আধুনিক স্টেডিয়াম থাকলেও সেগুলোর বড় অংশই কার্যত অচল হয়ে আছে। কোথাও নিয়মিত খেলা হয় না, কোথাও আবার রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রকট।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বসার গ্যালারি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক সুইমিং কমপ্লেক্সেও পানির মান বজায় রাখা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো ব্যবস্থা নেই।
একজন জেলা ক্রীড়া সংগঠক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে বলেন, “অনেক জায়গায় স্টেডিয়াম আছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ নেই। আবার মেলা হলে কিছু আয় হয় বলে স্থানীয়ভাবে সেটাকে উৎসাহও দেওয়া হতো।”
সরকারের নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড় ও অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
একজন ফুটবল প্রশিক্ষক বলেন, “স্টেডিয়াম যদি মেলার জায়গা না হয়ে খেলার জায়গা হয়, তাহলে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরি হবে। এখন অনেক সময় আমরা অনুশীলনের জন্য মাঠই পাই না।”
একজন অভিভাবক জানান, “ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। যদি ভালো মাঠ ও পরিবেশ থাকে, তাহলে তারা মোবাইল ছেড়ে মাঠে আসবে।”
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, শুধু মেলা বন্ধ করাই নয়—স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিক ও ব্যবহারযোগ্য করতে বড় ধরনের সংস্কার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা। এজন্য জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যুব উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে, যা তরুণদের বিকল্প কর্মসংস্থানের পথ খুলে দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রথমত, স্টেডিয়ামগুলো নিয়মিত ব্যবহারের ফলে খেলোয়াড়দের অনুশীলনের সুযোগ বাড়বে।
দ্বিতীয়ত, অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হবে।
তৃতীয়ত, স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতি আবারও শক্তিশালী হতে পারে।
তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অনেক জায়গায় স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ আছে। আবার স্থানীয়ভাবে মেলা আয়োজন থেকে যে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যেত, সেটি বন্ধ হলে বিকল্প আয়ের উৎস খুঁজতে হবে।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তারা মাঠগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহারের বিষয়টি তদারকি করেন। নিয়মিত মনিটরিং না হলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ রয়েছে, অতীতে কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে স্টেডিয়াম ভাড়া দেওয়া হতো। এ ধরনের বিষয় বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো নতুন করে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে। তবে এটি শুধু নীতিগত ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—স্টেডিয়াম আবারও খেলাধুলার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে, যেখানে ভবিষ্যতের তারকারা নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।
স্টেডিয়ামে মেলা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটি কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিকে পুনর্জাগরণের একটি প্রচেষ্টা। এখন দেখার বিষয়, এই সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়। সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকি থাকলে, অবহেলিত ক্রীড়া অবকাঠামোই হয়ে উঠতে পারে দেশের আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
দেশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্টেডিয়াম ও ক্রীড়া স্থাপনাগুলো নতুন করে প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছে—এখন থেকে এসব জায়গায় আর কোনো মেলা বা বাণিজ্যিক আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হবে না। ফলে ক্রীড়াঙ্গনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও খেলোয়াড় তৈরির পরিবেশ গড়ে তোলার নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের এক ব্রিফিংয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, দেশের সব জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্সকে সংস্কার করে পুনরায় সচল করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ক্রীড়া অবকাঠামোকে আর কোনোভাবেই অ-ক্রীড়ামূলক কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
বছরের পর বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে মেলা, বাণিজ্যিক অনুষ্ঠান কিংবা রাজনৈতিক সমাবেশ আয়োজনের অভিযোগ রয়েছে। এতে মাঠের অবস্থা নষ্ট হওয়া, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং খেলাধুলার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি বারবার উঠে এসেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি এ ধরনের অনুমোদন বন্ধ রেখেছেন। ভবিষ্যতেও এই অবস্থান বহাল থাকবে। তার ভাষায়, “স্টেডিয়াম খেলাধুলার জন্য—এখানে অন্য কিছু চলবে না।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মাঠে ভারী কাঠামো বসানো, যানবাহন প্রবেশ এবং অস্থায়ী স্থাপনা তৈরির কারণে স্টেডিয়ামের ঘাস, ট্র্যাক ও অন্যান্য সুবিধা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
দেশের অনেক জেলা ও উপজেলায় আধুনিক স্টেডিয়াম থাকলেও সেগুলোর বড় অংশই কার্যত অচল হয়ে আছে। কোথাও নিয়মিত খেলা হয় না, কোথাও আবার রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রকট।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছু স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বসার গ্যালারি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক সুইমিং কমপ্লেক্সেও পানির মান বজায় রাখা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো ব্যবস্থা নেই।
একজন জেলা ক্রীড়া সংগঠক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে বলেন, “অনেক জায়গায় স্টেডিয়াম আছে ঠিকই, কিন্তু সেখানে খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ নেই। আবার মেলা হলে কিছু আয় হয় বলে স্থানীয়ভাবে সেটাকে উৎসাহও দেওয়া হতো।”
সরকারের নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে তরুণ খেলোয়াড় ও অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
একজন ফুটবল প্রশিক্ষক বলেন, “স্টেডিয়াম যদি মেলার জায়গা না হয়ে খেলার জায়গা হয়, তাহলে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরি হবে। এখন অনেক সময় আমরা অনুশীলনের জন্য মাঠই পাই না।”
একজন অভিভাবক জানান, “ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। যদি ভালো মাঠ ও পরিবেশ থাকে, তাহলে তারা মোবাইল ছেড়ে মাঠে আসবে।”
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, শুধু মেলা বন্ধ করাই নয়—স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিক ও ব্যবহারযোগ্য করতে বড় ধরনের সংস্কার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করা এবং তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করা। এজন্য জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া যুব উন্নয়নেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে, যা তরুণদের বিকল্প কর্মসংস্থানের পথ খুলে দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রথমত, স্টেডিয়ামগুলো নিয়মিত ব্যবহারের ফলে খেলোয়াড়দের অনুশীলনের সুযোগ বাড়বে।
দ্বিতীয়ত, অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হবে।
তৃতীয়ত, স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতি আবারও শক্তিশালী হতে পারে।
তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অনেক জায়গায় স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ আছে। আবার স্থানীয়ভাবে মেলা আয়োজন থেকে যে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যেত, সেটি বন্ধ হলে বিকল্প আয়ের উৎস খুঁজতে হবে।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তারা মাঠগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহারের বিষয়টি তদারকি করেন। নিয়মিত মনিটরিং না হলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ রয়েছে, অতীতে কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে স্টেডিয়াম ভাড়া দেওয়া হতো। এ ধরনের বিষয় বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো নতুন করে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে। তবে এটি শুধু নীতিগত ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—স্টেডিয়াম আবারও খেলাধুলার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে, যেখানে ভবিষ্যতের তারকারা নিজেদের গড়ে তুলতে পারবে।
স্টেডিয়ামে মেলা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটি কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিকে পুনর্জাগরণের একটি প্রচেষ্টা। এখন দেখার বিষয়, এই সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়। সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকি থাকলে, অবহেলিত ক্রীড়া অবকাঠামোই হয়ে উঠতে পারে দেশের আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি।

আপনার মতামত লিখুন