বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রিজভী
বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, বর্তমান সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। দলের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সতর্কতারিজভী বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে অনিয়ম বা অপকর্মে জড়ালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্মে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি গঠনমূলক কাজে যুক্ত হয়ে দলকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগবর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে রিজভী দাবি করেন, ক্ষমতায় এসে বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করছে। তাঁর দাবি, জনগণের মধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব মোকাবিলা করেই দল এগিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও বক্তব্যস্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী জানান, দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ওপর থাকবে। দলীয় প্রতীক না থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ দিক
দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি।
নেতাকর্মীদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান।
দলীয় শৃঙ্খলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে তুলে ধরেছেন রিজভী।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে স্থানীয় নেতাদের ভূমিকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
কেন এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ?রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি অনিয়মে জড়ালে তার প্রভাব শুধু ব্যক্তির ওপর পড়ে না; দলের ভাবমূর্তিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই অভিযোগ উঠলে তা যাচাই করে দলীয় বিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: রিজভীর বক্তব্যে শুধু শাস্তির বার্তা নয়, নেতাকর্মীদের ‘জনগণের প্রতিনিধি’ হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বানও রয়েছে। অর্থাৎ দলীয় পরিচয়কে ব্যক্তিগত সুবিধার বদলে জনসম্পৃক্ত কাজে ব্যবহারের বিষয়টিও সামনে এসেছে। সাধারণ মানুষের ভাবনা
রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অনিয়ম করলে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে অভিযোগ যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কোনো অভিযোগকে সত্য ধরে নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও যাচাইযোগ্য তথ্য দেখা জরুরি।