ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিসান: সেবায় উন্নয়ন, জনমতে প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দু
মো: সাদ্দাম হোসেন
ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিসান সম্প্রতি জনমতের আস্থা ও প্রশংসার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সার্কেলের ভূমি সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন।
নিজের কাজের দর্শন সম্পর্কে তিনি বলেন—
“প্রতিটি মানুষ তার কর্মগুণে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। যতদিন বেঁচে থাকব, মানুষের হৃদয়েই থাকতে চাই।”
ভূমি সেবায় দ্রুততা ও স্বচ্ছতা
ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়—খারিজ, নামজারি, mutation, ও অন্যান্য সেবা পূর্বের তুলনায় এখন অনেক দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। ভোগান্তি কমেছে, সন্তুষ্টি বেড়েছে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি), ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি সার্কেলের সার্বিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে কাজ করছেন।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে—
সপ্তাহে পাঁচ দিন গণশুনানি,অনলাইনে কাগজপত্র আপডেট, দালালমুক্ত পরিবেশ,
সব মিলিয়ে সেবার মান বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেবা নিতে আসা কেউই আর হয়রানির অভিযোগ তুলছেন না।
সুশৃঙ্খল অফিস–ব্যবস্থাপনা
অফিসে মাইকিং করে সেবা প্রার্থীদের নাম ডাকার ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন—সবকিছুর তত্ত্বাবধান করছেন তিনি নিজেই। ফলে গ্রাহকরা স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
সেবা প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা
দক্ষিণ খানের আব্বাস মিয়া জানান,
“ছয় বছর আগে একটি খারিজ নথি খুঁজতে চারদিন ঘুরেছি। এবার স্যারের কাছে বলতেই সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে গেল।”
অকলিমা নামের এক নারী বলেন,
“এখন আর দালালের কাছে যেতে হয় না। নিশ্চিন্তে সেবা পাই।”
খিলক্ষেতের রতন আলী জানান,
“তারিখ অনুযায়ী এসে সব কাজ পেয়েছি। বাড়তি টাকাও লাগেনি।”ভকুড়িল বিশ্বরোডের বাসিন্দা আমেনা বলেন ,“১৭ মাস আগে এমন সেবা পাইনি। এবার এসিল্যান্ড স্যারের সঙ্গে দেখা করেই সমাধান পেয়েছি।” অনিয়ম দমন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা। ভূমি অফিস সূত্র জানায়—দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন, আবাদি জমির মাটি কাটা, খাসজমি দখলসহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। খাসজমি উদ্ধারে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং দালালচক্র নির্মূলে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেও জানা গেছে—তার নেতৃত্বে অফিসের কাজের পরিবেশ বদলে গেছে। গ্রাহকসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ায় সবার মধ্যে কাজের আগ্রহ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। জনসেবাই তাঁর মূল প্রতিশ্রুতিদী দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে ফারহান লাবীব জিসান বলেন—
“গ্রাহক তাদের ন্যায্য অধিকার অবশ্যই পাবে। যতদিন আমি ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের দায়িত্বে আছি, দেশ ও জাতির স্বার্থে সর্বোচ্চ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে যাব।”

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিসান: সেবায় উন্নয়ন, জনমতে প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দু
মো: সাদ্দাম হোসেন
ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিসান সম্প্রতি জনমতের আস্থা ও প্রশংসার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি সার্কেলের ভূমি সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন।
নিজের কাজের দর্শন সম্পর্কে তিনি বলেন—
“প্রতিটি মানুষ তার কর্মগুণে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। যতদিন বেঁচে থাকব, মানুষের হৃদয়েই থাকতে চাই।”
ভূমি সেবায় দ্রুততা ও স্বচ্ছতা
ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়—খারিজ, নামজারি, mutation, ও অন্যান্য সেবা পূর্বের তুলনায় এখন অনেক দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। ভোগান্তি কমেছে, সন্তুষ্টি বেড়েছে। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি), ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি সার্কেলের সার্বিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে কাজ করছেন।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে—
সপ্তাহে পাঁচ দিন গণশুনানি,অনলাইনে কাগজপত্র আপডেট, দালালমুক্ত পরিবেশ,
সব মিলিয়ে সেবার মান বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেবা নিতে আসা কেউই আর হয়রানির অভিযোগ তুলছেন না।
সুশৃঙ্খল অফিস–ব্যবস্থাপনা
অফিসে মাইকিং করে সেবা প্রার্থীদের নাম ডাকার ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন—সবকিছুর তত্ত্বাবধান করছেন তিনি নিজেই। ফলে গ্রাহকরা স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
সেবা প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা
দক্ষিণ খানের আব্বাস মিয়া জানান,
“ছয় বছর আগে একটি খারিজ নথি খুঁজতে চারদিন ঘুরেছি। এবার স্যারের কাছে বলতেই সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে গেল।”
অকলিমা নামের এক নারী বলেন,
“এখন আর দালালের কাছে যেতে হয় না। নিশ্চিন্তে সেবা পাই।”
খিলক্ষেতের রতন আলী জানান,
“তারিখ অনুযায়ী এসে সব কাজ পেয়েছি। বাড়তি টাকাও লাগেনি।”ভকুড়িল বিশ্বরোডের বাসিন্দা আমেনা বলেন ,“১৭ মাস আগে এমন সেবা পাইনি। এবার এসিল্যান্ড স্যারের সঙ্গে দেখা করেই সমাধান পেয়েছি।” অনিয়ম দমন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা। ভূমি অফিস সূত্র জানায়—দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন, আবাদি জমির মাটি কাটা, খাসজমি দখলসহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। খাসজমি উদ্ধারে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং দালালচক্র নির্মূলে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেও জানা গেছে—তার নেতৃত্বে অফিসের কাজের পরিবেশ বদলে গেছে। গ্রাহকসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ায় সবার মধ্যে কাজের আগ্রহ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে। জনসেবাই তাঁর মূল প্রতিশ্রুতিদী দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে ফারহান লাবীব জিসান বলেন—
“গ্রাহক তাদের ন্যায্য অধিকার অবশ্যই পাবে। যতদিন আমি ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের দায়িত্বে আছি, দেশ ও জাতির স্বার্থে সর্বোচ্চ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে যাব।”

আপনার মতামত লিখুন