নেত্রকোনার বারহাট্টায় ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে একটি মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মাওলানা কবির আহমেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয় এক বিএনপি নেতা।
গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বোয়ালজানা গ্রামের আতহারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার একটি শ্রেণিকক্ষে কিশোরীটির সঙ্গে মুহতামিমকে দেখতে পেয়ে কয়েকজন যুবকের সন্দেহ হয়। পরে তারা মাদ্রাসার ভেতরে প্রবেশ করলে মুহতামিম ও কিশোরী দুজন দুই দিকে চলে যান বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ঘটনাস্থলে কনডমও পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
খবর পেয়ে বারহাট্টা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের, আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু কিংবা অভিযুক্ত মুহতামিমের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মাদ্রাসার সভাপতি সাইদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুহতামিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৈঠকের মাধ্যমে মুহতামিমকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
অন্যদিকে সাহতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাজু ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়টি সংবেদনশীল, কারণ এতে ১৪ বছর বয়সি একজন কিশোরী জড়িত। তাই তার পরিচয় ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
একই সঙ্গে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে আগেভাগে দোষী সাব্যস্ত না করে প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনার বারহাট্টায় ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে একটি মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মাওলানা কবির আহমেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয় এক বিএনপি নেতা।
গত মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বোয়ালজানা গ্রামের আতহারুল উলুম মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার একটি শ্রেণিকক্ষে কিশোরীটির সঙ্গে মুহতামিমকে দেখতে পেয়ে কয়েকজন যুবকের সন্দেহ হয়। পরে তারা মাদ্রাসার ভেতরে প্রবেশ করলে মুহতামিম ও কিশোরী দুজন দুই দিকে চলে যান বলে দাবি করেন তারা।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ঘটনাস্থলে কনডমও পড়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
খবর পেয়ে বারহাট্টা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের, আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু কিংবা অভিযুক্ত মুহতামিমের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মাদ্রাসার সভাপতি সাইদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুহতামিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৈঠকের মাধ্যমে মুহতামিমকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
অন্যদিকে সাহতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাজু ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়টি সংবেদনশীল, কারণ এতে ১৪ বছর বয়সি একজন কিশোরী জড়িত। তাই তার পরিচয় ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
একই সঙ্গে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে আগেভাগে দোষী সাব্যস্ত না করে প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন