দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

রাজধানীতে যৌথ বাহিনীর ব্লক রেইড, গ্রেপ্তার ৩৪৪

৪৬ জেলায় ১২০ প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা

১৯ অক্টোবর দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে: বাজুস

নিউইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ, আসিফ নজরুলের ক্ষোভ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: মীর শাহে আলম

রোহিঙ্গাদের দীর্ঘ অবস্থানে অর্থনীতি ও পরিবেশে চাপ বাড়ছে: প্রধানমন্ত্রী

নারীর স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি: ডা. জুবাইদা রহমান

৪৬ জেলায় ১২০ প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা

৪৬ জেলায় ১২০ প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকিতে দেশের ৪৬ জেলায় ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিদপ্তর।

ফল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে তদারকি চালিয়ে দেশের ৪৬ জেলায় ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন জেলায় অধিদপ্তরের ৬১টি টিম একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযানে পণ্যের বিক্রয়মূল্য, দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদানের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পণ্যের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। অভিযানে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে জরিমানা করা হয়েছে। তবে কোন প্রতিষ্ঠান কী ধরনের অনিয়ম করেছে এবং জেলাভিত্তিক জরিমানার পরিমাণ কত, বিজ্ঞপ্তিতে তার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে পণ্য মজুদ এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে দোকানের দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানে ফল ব্যবসায়ীদের ন্যায্য ও যৌক্তিক মূল্যে ফল বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পচা বা নষ্ট ফল ভালো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি না করার পাশাপাশি ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা অননুমোদিত পদার্থ ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে এসব নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে অধিদপ্তর।

পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন বুঝে নেওয়া এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে কেনাকাটা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কেনাকাটার রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহ করতে ভোক্তাদের অনুরোধ জানিয়েছে অধিদপ্তর। কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানো যাবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিষয় : বাজার তদারকি ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান ১২০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


৪৬ জেলায় ১২০ প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ফল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে তদারকি চালিয়ে দেশের ৪৬ জেলায় ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন জেলায় অধিদপ্তরের ৬১টি টিম একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযানে পণ্যের বিক্রয়মূল্য, দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদানের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পণ্যের মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। অভিযানে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে জরিমানা করা হয়েছে। তবে কোন প্রতিষ্ঠান কী ধরনের অনিয়ম করেছে এবং জেলাভিত্তিক জরিমানার পরিমাণ কত, বিজ্ঞপ্তিতে তার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে পণ্য মজুদ এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে দোকানের দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানে ফল ব্যবসায়ীদের ন্যায্য ও যৌক্তিক মূল্যে ফল বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পচা বা নষ্ট ফল ভালো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি না করার পাশাপাশি ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা অননুমোদিত পদার্থ ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে এসব নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে অধিদপ্তর।

পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন বুঝে নেওয়া এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে কেনাকাটা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কেনাকাটার রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহ করতে ভোক্তাদের অনুরোধ জানিয়েছে অধিদপ্তর। কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানো যাবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর