দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রামপালে ঝুঁকিপূর্ণ ১৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়, আতঙ্কে ১ হাজার ৭৭০ শিশু

রামপালে ঝুঁকিপূর্ণ ১৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়, আতঙ্কে ১ হাজার ৭৭০ শিশু

আশ্রয়ের কথা বলে দুই সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, প্রকৌশলীকে বান্দরবানে বদলি

বগুড়ায় ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৭

দেশের ১১ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

রাজশাহীতে শপিং ব্যাগে মিলল ১৬টি ককটেলসহ চার পেট্রোল বোমা

গোপালগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬

উখিয়ায় পাহাড় কাটায় বাধা, বন কর্মকর্তাদের ওপর হামলায় আহত ২

আশ্রয়ের কথা বলে দুই সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

আশ্রয়ের কথা বলে দুই সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২
শ্রীপুরে আশ্রয়ের কথা বলে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা; প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান।

গাজীপুরের শ্রীপুরে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে দুই সন্তানের সামনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. সোহরাব হোসেন (৩৫) পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাসাভাড়া বকেয়া থাকায় ওই নারীকে তাঁর দুই সন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে আশ্রয়হীন অবস্থায় তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে মাওনা উড়ালসেতুর নিচে বসে ছিলেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোহরাব হোসেন আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে ওই নারী ও তাঁর দুই সন্তানকে মাওনা চৌরাস্তার পানের আড়তের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্জন স্থানে নেওয়ার পর দুই সন্তানের সামনেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সোহরাব। পরে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

অভিযুক্ত সোহরাব নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় পানের ব্যবসা করতেন বলে জানা গেছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি সোহরাবকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি শুধু একটি ফৌজদারি অভিযোগ নয়, আশ্রয়হীন নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। বাসা থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর জরুরি আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় ওই নারী ও তাঁর সন্তানরা রাতে জনসমক্ষে অসহায় অবস্থায় ছিলেন বলে মামলার বর্ণনায় উঠে এসেছে।

এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর সন্তানদের পরিচয় ও মর্যাদা রক্ষায় গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

বিষয় : নারী ও শিশু নির্যাতন শ্রীপুর ধর্ষণ গাজীপুর ধর্ষণ শ্রীপুর থানায় মামলা গাজীপুর অপরাধ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আশ্রয়ের কথা বলে দুই সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গাজীপুরের শ্রীপুরে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে দুই সন্তানের সামনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।

ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. সোহরাব হোসেন (৩৫) পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাসাভাড়া বকেয়া থাকায় ওই নারীকে তাঁর দুই সন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে আশ্রয়হীন অবস্থায় তিনি দুই ছেলেকে নিয়ে মাওনা উড়ালসেতুর নিচে বসে ছিলেন।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোহরাব হোসেন আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে ওই নারী ও তাঁর দুই সন্তানকে মাওনা চৌরাস্তার পানের আড়তের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্জন স্থানে নেওয়ার পর দুই সন্তানের সামনেই ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সোহরাব। পরে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

অভিযুক্ত সোহরাব নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। তিনি শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় পানের ব্যবসা করতেন বলে জানা গেছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি সোহরাবকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে প্রয়োজনীয় ডাক্তারি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি শুধু একটি ফৌজদারি অভিযোগ নয়, আশ্রয়হীন নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। বাসা থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর জরুরি আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় ওই নারী ও তাঁর সন্তানরা রাতে জনসমক্ষে অসহায় অবস্থায় ছিলেন বলে মামলার বর্ণনায় উঠে এসেছে।

এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর সন্তানদের পরিচয় ও মর্যাদা রক্ষায় গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার সতর্ক থাকা প্রয়োজন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর