নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাস্তার পাশে পার্কিং করে রাখা ‘নীলাচল পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাসে গভীর রাতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার সময় বাসে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এসও ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন নতুন রাস্তার পাশে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাস্তার পাশে পার্কিং করে রাখা বাসটিতে হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।
আদমজী ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মিরন মিয়া জানান, পার্ক করে রাখা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বাসটি খালি থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, দুর্বৃত্তরা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে থাকতে পারে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অগ্নিসংযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মজিবর রহমান জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনাটি রাতের বেলায় এবং পার্কিং করে রাখা একটি খালি বাসে ঘটায় তদন্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং আগুন লাগার উৎস গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
পার্কিং করে রাখা যানবাহনে রাতের বেলায় আগুন লাগার ঘটনায় শুধু গাড়ির মালিকের ক্ষতি নয়, আশপাশের বাসাবাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই কোনো যানবাহনে আগুন বা ধোঁয়া দেখা গেলে কাছে না গিয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া এবং ঘটনাস্থলে ভিড় না করাই নিরাপদ। এই ঘটনায় বাসটি খালি থাকায় প্রাণহানি এড়ানো গেছে। কিন্তু রাতের নির্জন সময়ে পার্ক করা যানবাহনে আগুন লাগার ঘটনা হলে প্রথম কয়েক মিনিটই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই তদন্তে শুধু কে আগুন লাগিয়েছে তা নয়, বাসটি কেন ও কোথায় পার্ক করা ছিল এবং আশপাশে পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল কি না—এসব বিষয়ও দেখা যেতে পারে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাস্তার পাশে পার্কিং করে রাখা ‘নীলাচল পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাসে গভীর রাতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার সময় বাসে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এসও ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন নতুন রাস্তার পাশে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসটিতে আগুন ধরিয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাস্তার পাশে পার্কিং করে রাখা বাসটিতে হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।
আদমজী ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মিরন মিয়া জানান, পার্ক করে রাখা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় ১৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বাসটি খালি থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, দুর্বৃত্তরা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে থাকতে পারে।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অগ্নিসংযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মজিবর রহমান জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনাটি রাতের বেলায় এবং পার্কিং করে রাখা একটি খালি বাসে ঘটায় তদন্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং আগুন লাগার উৎস গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
পার্কিং করে রাখা যানবাহনে রাতের বেলায় আগুন লাগার ঘটনায় শুধু গাড়ির মালিকের ক্ষতি নয়, আশপাশের বাসাবাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই কোনো যানবাহনে আগুন বা ধোঁয়া দেখা গেলে কাছে না গিয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া এবং ঘটনাস্থলে ভিড় না করাই নিরাপদ। এই ঘটনায় বাসটি খালি থাকায় প্রাণহানি এড়ানো গেছে। কিন্তু রাতের নির্জন সময়ে পার্ক করা যানবাহনে আগুন লাগার ঘটনা হলে প্রথম কয়েক মিনিটই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই তদন্তে শুধু কে আগুন লাগিয়েছে তা নয়, বাসটি কেন ও কোথায় পার্ক করা ছিল এবং আশপাশে পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল কি না—এসব বিষয়ও দেখা যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন