দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

টঙ্গীতে যৌথ অভিযানে ধরা পড়লো ৩ চিহ্নিত অপরাধী, অস্ত্র উদ্ধার

বনানীর ‘প্ল্যান বি’ বারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান

বগুড়ায় ২৮ মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশের ওপর হামলা

ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি: লুণ্ঠিত মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার, আটক ২

টঙ্গীতে তুরাগ নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির পচাগলা মরদেহ উদ্ধার

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ৩২

ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ১৭টি মামলা

সিরাজগঞ্জে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ, জরিমানা ৯ হাজার টাকা

সিরাজগঞ্জে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ, জরিমানা ৯ হাজার টাকা
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় জব্দ করা ৪৮ বস্তা ডিএপি সার।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বেআইনিভাবে সার পরিবহনের অভিযোগে তিন ভ্যানচালককে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার নাটুয়ারপাড়া চরে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। পরে কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ পারভীন ২০০৬ সালের সার ব্যবস্থাপনা আইনে তিন ভ্যানচালকের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

স্থানীয়দের হাতে আটক, পরে পুলিশের হেফাজতে

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নাটুয়ারপাড়ার মৃত জোহর আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, উত্তর পানাগাড়ি গ্রামের জেল হোসেনের ছেলে নেছারুদ্দিন এবং বিলসুন্দর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিলন রানা।

কাজীপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, ভ্যানে করে বস্তাগুলো তেকানি বাজারের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পরে নাটুয়ারপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি

জব্দ করা সার পরে ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীনের তথ্য অনুযায়ী, এভাবে সার বিক্রি করে ৫০ হাজার ৪০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

এতে একদিকে অবৈধভাবে সার পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে জব্দ করা সার কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অবৈধ মজুদ ও বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন বলেন, যারা সারের অবৈধ মজুদ তৈরি করবে অথবা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করবে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:

  • ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ
  • তিন ভ্যানচালককে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা
  • জব্দ করা সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি
  • বিক্রির ৫০ হাজার ৪০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা
  • অবৈধ মজুদ ও বেশি দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

সাধারণ মানুষের ভাবনা

কৃষকদের জন্য সার সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো মহল অবৈধভাবে সার মজুদ করে বা বেশি দামে বিক্রি করলে তার চাপ শেষ পর্যন্ত কৃষকের ওপরই পড়ে। তাই অবৈধ পরিবহন, মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি থাকলে কৃষকরা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে প্রয়োজনীয় সার কিনতে পারবেন।

বিশেষ পর্যবেক্ষণ: শুধু সার জব্দ ও জরিমানা করাই যথেষ্ট নয়—জব্দ করা সার দ্রুত কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগটিও গুরুত্বপূর্ণ। এতে অভিযানের সুফল সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়।

বিষয় : কৃষি সার বাংলাদেশ সারের দাম ডিএপি সারকৃষি সার বাংলাদেশ কাজীপুরে সার জব্দ সিরাজগঞ্জের খবর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


সিরাজগঞ্জে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ, জরিমানা ৯ হাজার টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলে অবৈধভাবে পরিবহনের সময় ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বেআইনিভাবে সার পরিবহনের অভিযোগে তিন ভ্যানচালককে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার নাটুয়ারপাড়া চরে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। পরে কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনাজ পারভীন ২০০৬ সালের সার ব্যবস্থাপনা আইনে তিন ভ্যানচালকের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

স্থানীয়দের হাতে আটক, পরে পুলিশের হেফাজতে

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নাটুয়ারপাড়ার মৃত জোহর আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, উত্তর পানাগাড়ি গ্রামের জেল হোসেনের ছেলে নেছারুদ্দিন এবং বিলসুন্দর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিলন রানা।

কাজীপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, ভ্যানে করে বস্তাগুলো তেকানি বাজারের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পরে নাটুয়ারপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি

জব্দ করা সার পরে ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীনের তথ্য অনুযায়ী, এভাবে সার বিক্রি করে ৫০ হাজার ৪০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

এতে একদিকে অবৈধভাবে সার পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে জব্দ করা সার কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অবৈধ মজুদ ও বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন বলেন, যারা সারের অবৈধ মজুদ তৈরি করবে অথবা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করবে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দামে বিক্রি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:

  • ৪৮ বস্তা ডিএপি সার জব্দ
  • তিন ভ্যানচালককে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা
  • জব্দ করা সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি
  • বিক্রির ৫০ হাজার ৪০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা
  • অবৈধ মজুদ ও বেশি দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

সাধারণ মানুষের ভাবনা

কৃষকদের জন্য সার সময়মতো ও ন্যায্যমূল্যে পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো মহল অবৈধভাবে সার মজুদ করে বা বেশি দামে বিক্রি করলে তার চাপ শেষ পর্যন্ত কৃষকের ওপরই পড়ে। তাই অবৈধ পরিবহন, মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি থাকলে কৃষকরা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে প্রয়োজনীয় সার কিনতে পারবেন।

বিশেষ পর্যবেক্ষণ: শুধু সার জব্দ ও জরিমানা করাই যথেষ্ট নয়—জব্দ করা সার দ্রুত কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগটিও গুরুত্বপূর্ণ। এতে অভিযানের সুফল সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর