দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মোসলেহ উদ্দিন ও শামীমা পারভীন

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: নিখোঁজ বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার, আরেকজন এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে

এস এম জাহাঙ্গীর এমপির অংশগ্রহণে পিএসবি ও কেএসআরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সনদ বিতরণ

পুলিশ সপ্তাহের শেষ দিনে অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সম্মেলন

পদ্মা ব্যারেজসহ ৯ প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন, ব্যয় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা

“কলমের শক্তি সত্যের পক্ষে”—সাংবাদিকদের উদ্দেশে মোঃ হাবিবের আবেগঘন বার্তা

মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ‘কোনো ছাড় নয়’, কঠোর বার্তা আইজিপির

শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ পান দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু।-ছবি: সংগৃহীত

 সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সকালে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত আসে।

তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগেই মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় আদালত আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।


এ মামলাটি মূলত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে। ওই সময় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বহু হতাহতের অভিযোগ ওঠে। যদিও নিহতের সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়েছে।

শুনানিতে যেসব অভিযোগ তোলা হয়

ট্রাইব্যুনালে শুনানিকালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম দাবি করেন, ঘটনাকালে ডা. দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মহলে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন এবং ঘটনাটিকে “উচ্ছৃঙ্খল গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান” হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন।

অন্যদিকে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, তারা গণমাধ্যমে হেফাজতের সমাবেশ নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য ও প্রচার চালিয়েছিলেন। শুনানিতে বলা হয়, সে সময় মোজাম্মেল বাবু বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ফারজানা রুপা প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্বে ছিলেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য আদালতে প্রকাশ্যে জানা যায়নি। মামলাটি এখনো তদন্তাধীন থাকায় অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়াতেই নির্ধারিত হবে।

আগেও গ্রেপ্তার হয়েছেন কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা

শাপলা চত্বরের এ মামলায় এর আগেও বেশ কয়েকজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান।

এ ছাড়া একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি শাহরিয়ার কবিরও এ মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

কীভাবে শুরু হয় এই মামলা

শাপলা চত্বরের ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে আবেদন করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজতের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মামুনুল হকের পক্ষ থেকে করা ওই আবেদনে মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০১৩ সালের ৫ মে গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে। যদিও রাষ্ট্রীয়ভাবে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, মানবাধিকার প্রশ্ন এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলেছে।


রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পর শাপলা চত্বরের ঘটনা আবারও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সাবেক মন্ত্রী ও পরিচিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের নাম মামলায় যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, এমন সংবেদনশীল মামলায় স্বচ্ছ তদন্ত ও নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শাপলা চত্বরের ঘটনা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে বিচারিক কার্যক্রমে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ জনমনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

একই সঙ্গে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। কোনো সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে সংবাদ উপস্থাপন কতটা দায়িত্বশীল হওয়া উচিত, সেটিও আলোচনায় এসেছে।

এখন কী হচ্ছে

বৃহস্পতিবার আদালতের আদেশের পর ডা. দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৭ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের দিকেই এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।

বিষয় : শাপলা চত্বর মামলা, দীপু মনি গ্রেপ্তার, মোজাম্মেল বাবু,

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

 সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা এবং মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সকালে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত আসে।

তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগেই মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় আদালত আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন।


এ মামলাটি মূলত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে। ওই সময় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বহু হতাহতের অভিযোগ ওঠে। যদিও নিহতের সংখ্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়েছে।

শুনানিতে যেসব অভিযোগ তোলা হয়

ট্রাইব্যুনালে শুনানিকালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম দাবি করেন, ঘটনাকালে ডা. দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মহলে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন এবং ঘটনাটিকে “উচ্ছৃঙ্খল গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান” হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন।

অন্যদিকে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, তারা গণমাধ্যমে হেফাজতের সমাবেশ নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য ও প্রচার চালিয়েছিলেন। শুনানিতে বলা হয়, সে সময় মোজাম্মেল বাবু বেসরকারি টেলিভিশন একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ফারজানা রুপা প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্বে ছিলেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য আদালতে প্রকাশ্যে জানা যায়নি। মামলাটি এখনো তদন্তাধীন থাকায় অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়াতেই নির্ধারিত হবে।

আগেও গ্রেপ্তার হয়েছেন কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা

শাপলা চত্বরের এ মামলায় এর আগেও বেশ কয়েকজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান।

এ ছাড়া একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি শাহরিয়ার কবিরও এ মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

কীভাবে শুরু হয় এই মামলা

শাপলা চত্বরের ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে আবেদন করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজতের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মামুনুল হকের পক্ষ থেকে করা ওই আবেদনে মোট ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০১৩ সালের ৫ মে গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বহু মানুষের মৃত্যু ঘটে। যদিও রাষ্ট্রীয়ভাবে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক, মানবাধিকার প্রশ্ন এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলেছে।


রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় পর শাপলা চত্বরের ঘটনা আবারও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সাবেক মন্ত্রী ও পরিচিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের নাম মামলায় যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, এমন সংবেদনশীল মামলায় স্বচ্ছ তদন্ত ও নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শাপলা চত্বরের ঘটনা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে বিচারিক কার্যক্রমে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ জনমনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

একই সঙ্গে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। কোনো সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে সংবাদ উপস্থাপন কতটা দায়িত্বশীল হওয়া উচিত, সেটিও আলোচনায় এসেছে।

এখন কী হচ্ছে

বৃহস্পতিবার আদালতের আদেশের পর ডা. দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৭ জুন তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের দিকেই এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর