দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

হাসান–খালেদের নৈপুণ্যে কাউন্টির শীর্ষ লিগে ফিরল কেন্ট

কাউন্টি ক্রিকেটে বল হাতে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ হাসান। তাদের নৈপুণ্যে উপকৃত হয়েছে কেন্টও। এক মৌসুম পরই কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষ স্তর ডিভিশন ওয়ানে ফিরেছে দলটি।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ডিভিশন টু-এর পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে কেন্ট। ফলে আগামী মৌসুমে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের শীর্ষ স্তরে খেলবে দলটি।কেন্টের প্রমোশন নিশ্চিত হওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন দুই বাংলাদেশি পেসার। হাসান মাহমুদ মাত্র চার ম্যাচে নিয়েছেন ২৬ উইকেট। অন্যদিকে তিন ম্যাচে খালেদ হাসানের শিকার ১৬ উইকেট।অর্থাৎ, কেন্টের হয়ে দুই বাংলাদেশি পেসার মিলে মাত্র সাত ম্যাচে নিয়েছেন ৪২ উইকেট। দলের বোলিং আক্রমণে তাদের কার্যকর ভূমিকা কেন্টের ঘুরে দাঁড়ানোর পথে বড় সহায়তা করেছে।মৌসুমের শেষ ম্যাচে কেন্ট ৮ উইকেটে হারিয়েছে গ্লস্টারশায়ারকে। তবে ম্যাচটি শেষ হওয়ার আগেই তাদের প্রমোশন নিশ্চিত হয়ে যায়।মিডলসেক্সের বিপক্ষে নর্দাম্পটনশায়ারের পরাজয় কেন্টের দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে। ১৪ ম্যাচ শেষে কেন্টের সংগ্রহ ১৯৮ পয়েন্ট। ১৯১ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পেছনে থেকে মৌসুম শেষ করেছে নর্দাম্পটনশায়ার।চলতি মৌসুমে ডিভিশন টু-এর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডারহাম।ইংল্যান্ডের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে দুটি বিভাগে খেলা হয়। আট দলের ডিভিশন টু-এর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুটি দল পরের মৌসুমে ১০ দলের ডিভিশন ওয়ানে উঠে যায়। বিপরীতে ডিভিশন ওয়ানের নিচের দুটি দল নেমে যায় ডিভিশন টুতে।গত মৌসুমে ডিভিশন টু-এর তলানিতে থেকে শেষ করেছিল কেন্ট। তাদের ওপরে থাকা নর্দাম্পটনশায়ারের সঙ্গে ব্যবধান ছিল ২৯ পয়েন্টের। সেই জায়গা থেকে এক মৌসুমেই ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার দ্বিতীয় হয়ে শীর্ষ স্তরে ফেরার টিকিট নিশ্চিত করেছে দলটি।বাংলাদেশের দুই পেসারের পারফরম্যান্সও এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পে আলাদা করে নজর কেড়েছে। হাসান ও খালেদের উইকেট শিকার কেন্টের বোলিং শক্তিকে যেমন সমৃদ্ধ করেছে, তেমনি কাউন্টির মঞ্চে বাংলাদেশের পেসারদের সামর্থ্যেরও আরেকটি উদাহরণ তৈরি করেছে।

হাসান–খালেদের নৈপুণ্যে কাউন্টির শীর্ষ লিগে ফিরল কেন্ট