দেশের কৃষি, শিল্প ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে টেকসই উন্নয়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আহসান খান চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আহসান খান চৌধুরী জানান, বৈঠকে দেশের কৃষি, শিল্প এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষি ও শিল্পের সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, চিনি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বিশেষভাবে উৎসাহ দিচ্ছে। পাশাপাশি ফল উৎপাদন, পোল্ট্রি, মৎস্য খাত এবং বীজ ব্যবস্থাপনাসহ কৃষির বিভিন্ন খাত নিয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও আলোচনা হয়েছে।
তার ভাষায়, “আমরা চাই বাংলাদেশে কৃষিতে একটি নতুন বিপ্লব ঘটুক। উৎপাদন বাড়ুক, আর ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ ও গতিশীল হোক।”
বৈঠকে কৃষি জোনিংয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। কোন এলাকায় ধান, কোথায় ফল বা অন্য ফসল উৎপাদন হবে—এ নিয়ে জোনভিত্তিক পরিকল্পনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে করে উৎপাদন বাড়ানো এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছে।
এছাড়া, ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) খাতে কর সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি যমুনা সেতু পারাপারে ইভি যানবাহনের জন্য টোল সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে আহসান খান চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে এবং টেকসই উন্নয়নের পথ আরও শক্তিশালী হবে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশের কৃষি, শিল্প ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে টেকসই উন্নয়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আহসান খান চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আহসান খান চৌধুরী জানান, বৈঠকে দেশের কৃষি, শিল্প এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষি ও শিল্পের সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, চিনি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বিশেষভাবে উৎসাহ দিচ্ছে। পাশাপাশি ফল উৎপাদন, পোল্ট্রি, মৎস্য খাত এবং বীজ ব্যবস্থাপনাসহ কৃষির বিভিন্ন খাত নিয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও আলোচনা হয়েছে।
তার ভাষায়, “আমরা চাই বাংলাদেশে কৃষিতে একটি নতুন বিপ্লব ঘটুক। উৎপাদন বাড়ুক, আর ব্যবসার পরিবেশ আরও সহজ ও গতিশীল হোক।”
বৈঠকে কৃষি জোনিংয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। কোন এলাকায় ধান, কোথায় ফল বা অন্য ফসল উৎপাদন হবে—এ নিয়ে জোনভিত্তিক পরিকল্পনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে করে উৎপাদন বাড়ানো এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকার ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছে।
এছাড়া, ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) খাতে কর সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি যমুনা সেতু পারাপারে ইভি যানবাহনের জন্য টোল সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে আহসান খান চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে এবং টেকসই উন্নয়নের পথ আরও শক্তিশালী হবে।

আপনার মতামত লিখুন