দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

ভারতে ধরা দুই খুনি দেশে ফিরছে! ওসমান হাদি হত্যা মামলায় বড় অগ্রগতি, দিল্লি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

“প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে বিভ্রান্তি: ভারত সফরের খবর সম্পূর্ণ গুজব, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সতর্ক থাকার আহ্বান”

“আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির দুই শিক্ষক ও ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছর কারাদণ্ড — ঐতিহাসিক রায়ে নাড়িয়ে দিল দেশ”

“আবু সাঈদ হত্যা মামলায় নজিরবিহীন রায়: দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, ২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড”

তিন দিনে ১৯% টার্গেট পূরণ: হামের টিকায় এগোচ্ছে বাংলাদেশ, সামনে দেশব্যাপী বড় কর্মসূচি

তিন দিনে ১৯% টার্গেট পূরণ: হামের টিকায় এগোচ্ছে বাংলাদেশ, সামনে দেশব্যাপী বড় কর্মসূচি

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে মাত্র তিন দিনেই লক্ষ্যমাত্রার ১৯ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা এই কার্যক্রমের গতিশীলতার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম তিন দিনেই ২ লাখ ২৮ হাজার ৪১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সে হিসেবে ইতোমধ্যে ১৯ শতাংশ লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এসব জেলায় টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান সম্পন্ন করতে পারলে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এদিকে কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ৩ মে থেকে দেশব্যাপী একযোগে হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে। কারণ সময়মতো টিকা গ্রহণই হামের মতো সংক্রামক রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক হতে পারে। তাই কোনো ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬


তিন দিনে ১৯% টার্গেট পূরণ: হামের টিকায় এগোচ্ছে বাংলাদেশ, সামনে দেশব্যাপী বড় কর্মসূচি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে মাত্র তিন দিনেই লক্ষ্যমাত্রার ১৯ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা এই কার্যক্রমের গতিশীলতার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম তিন দিনেই ২ লাখ ২৮ হাজার ৪১৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সে হিসেবে ইতোমধ্যে ১৯ শতাংশ লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ছয় বিভাগের অন্তর্ভুক্ত এসব জেলায় টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান সম্পন্ন করতে পারলে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এদিকে কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর ৩ মে থেকে দেশব্যাপী একযোগে হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে। কারণ সময়মতো টিকা গ্রহণই হামের মতো সংক্রামক রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক হতে পারে। তাই কোনো ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর