নীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর সরকার সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার থাকবে এবং দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরও অনেকে নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ পুরোপুরি সরানোর পর প্রকৃত চিত্র জানা যাবে। মন্ত্রী আরও জানান, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কারখানার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি জনবহুল এলাকায় এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর কারখানা যাতে আর গড়ে না ওঠে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে। অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট কাজ করে প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া আহত একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনা আবারও নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পকারখানাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে, যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
স্থ্যমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, হাম কোনো অংশেই করোনার চেয়ে কম নয়। এ রোগ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ এবং আহতদের ১ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
নীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাস লাইটার তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর সরকার সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার থাকবে এবং দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরও অনেকে নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ পুরোপুরি সরানোর পর প্রকৃত চিত্র জানা যাবে। মন্ত্রী আরও জানান, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কারখানার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি জনবহুল এলাকায় এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর কারখানা যাতে আর গড়ে না ওঠে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হবে। অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট কাজ করে প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া আহত একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনা আবারও নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পকারখানাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে, যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
স্থ্যমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, হাম কোনো অংশেই করোনার চেয়ে কম নয়। এ রোগ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ এবং আহতদের ১ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন