দেশজুড়ে আবারও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হামের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪৭ শিশু, যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ জনে। অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৭৯২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
এর মধ্যে:
এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে—সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে এবং শিশুদের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ।
এরই মধ্যে পূর্বে প্রকাশিত তথ্যে কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলা পর্যায় থেকে ভুল তথ্য পাঠানোর কারণে ৫টি মৃত্যু জাতীয় প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা পরে যাচাই-বাছাই করে বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী বাদ পড়া জেলাগুলো হলো:
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নতুন করে আরও একজন হামে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যা সর্বশেষ প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সন্তানদের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশজুড়ে আবারও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হামের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪৭ শিশু, যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ জনে। অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৭৯২ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
এর মধ্যে:
এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে—সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে এবং শিশুদের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে উচ্চ।
এরই মধ্যে পূর্বে প্রকাশিত তথ্যে কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলা পর্যায় থেকে ভুল তথ্য পাঠানোর কারণে ৫টি মৃত্যু জাতীয় প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা পরে যাচাই-বাছাই করে বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী বাদ পড়া জেলাগুলো হলো:
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নতুন করে আরও একজন হামে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যা সর্বশেষ প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সন্তানদের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন