দৌলতদিয়া, রাজবাড়ী: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় আজ তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে।
উদ্ধার কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা। তিনি জানান, বাসটি আগেই উদ্ধার করা হলেও কোনো কোনো যাত্রী নিখোঁজ থাকতে পারেন—এমন আশঙ্কায় নদীতে তল্লাশি অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে স্রোতের টানে কোনো মরদেহ দূরে ভেসে গেছে কি-না, তা খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।
অভিযানস্থলের তীরে নিখোঁজদের স্বজনদের ভিড় বাড়ছে। রাজবাড়ী সদরের বালিয়াডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা মুক্তা নামে এক নারী জানান, তার ভাই রিয়াজ ঘটনার দিন ওই বাসে করে ঢাকা যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে রিয়াজের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
মুক্তা আক্ষেপ করে বলেন, "আমার ভাই যদি বেঁচে না থাকে, তবে অন্তত তার লাশটা যেন আমরা পাই।" মূলত রিয়াজের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং অন্য কোনো যাত্রী নিখোঁজ আছেন কি-না তা নিশ্চিত করতেই আজকের এই জোরালো অভিযান।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা দেওয়ান সোহেল রানা বলেন:
"দুর্ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেছে। সাধারণত দীর্ঘ সময় পার হলে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ ভেসে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। আমরা ধারণা করছি স্রোতের টানে লাশ দূরে চলে যেতে পারে। তাই আমরা শুধুমাত্র দুর্ঘটনাস্থলে সীমাবদ্ধ না থেকে নদীর ভাটির দিকেও স্পিডবোট দিয়ে নিবিড় তল্লাশি চালাচ্ছি।"
উল্লেখ্য যে, গত বুধবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রিয়াজের মতো কেউ কেউ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
দৌলতদিয়া, রাজবাড়ী: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় আজ তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে।
উদ্ধার কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা। তিনি জানান, বাসটি আগেই উদ্ধার করা হলেও কোনো কোনো যাত্রী নিখোঁজ থাকতে পারেন—এমন আশঙ্কায় নদীতে তল্লাশি অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে স্রোতের টানে কোনো মরদেহ দূরে ভেসে গেছে কি-না, তা খতিয়ে দেখছেন উদ্ধারকারীরা।
অভিযানস্থলের তীরে নিখোঁজদের স্বজনদের ভিড় বাড়ছে। রাজবাড়ী সদরের বালিয়াডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা মুক্তা নামে এক নারী জানান, তার ভাই রিয়াজ ঘটনার দিন ওই বাসে করে ঢাকা যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে রিয়াজের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
মুক্তা আক্ষেপ করে বলেন, "আমার ভাই যদি বেঁচে না থাকে, তবে অন্তত তার লাশটা যেন আমরা পাই।" মূলত রিয়াজের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং অন্য কোনো যাত্রী নিখোঁজ আছেন কি-না তা নিশ্চিত করতেই আজকের এই জোরালো অভিযান।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা দেওয়ান সোহেল রানা বলেন:
"দুর্ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেছে। সাধারণত দীর্ঘ সময় পার হলে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ ভেসে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। আমরা ধারণা করছি স্রোতের টানে লাশ দূরে চলে যেতে পারে। তাই আমরা শুধুমাত্র দুর্ঘটনাস্থলে সীমাবদ্ধ না থেকে নদীর ভাটির দিকেও স্পিডবোট দিয়ে নিবিড় তল্লাশি চালাচ্ছি।"
উল্লেখ্য যে, গত বুধবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মায় তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রিয়াজের মতো কেউ কেউ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন