আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান ‘প্রতিরোধ’ অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার আবারও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিব ছাড়াও ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে তারা সফল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে।
ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই হামলার দায় স্বীকার করে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও টিআরটি ওয়ার্ল্ড এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের ছোড়া ‘ভারী ক্ষেপণাস্ত্র’ সরাসরি তেল আবিবের একটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে:
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অবিরাম অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শোনা যাচ্ছে।
হতাহতের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ না করলেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরোক্ষ স্বীকারোক্তি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
শুধু ইসরায়েল নয়, এই দফায় ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান। আইআরজিসির তথ্যমতে:
ইরাক: এরবিলে অবস্থিত ‘হারির’ বিমানঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে।
কুয়েত: মার্কিন সেনাদের অবস্থানস্থল ‘আলি আল সালেম’ ও ‘আরিফজান’ ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করা হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই সুপরিকল্পিত হামলায় ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বা স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধারাবাহিক হামলা-পাল্টা হামলা পুরো অঞ্চলকে একটি নিয়ন্ত্রনহীন বৃহত্তর যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই উত্তেজনার ফলে: ১. বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার: জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ২. মানবিক বিপর্যয়: সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৫ মার্চ, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান ‘প্রতিরোধ’ অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার আবারও বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিব ছাড়াও ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে তারা সফল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে।
ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে এই হামলার দায় স্বীকার করে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও টিআরটি ওয়ার্ল্ড এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের ছোড়া ‘ভারী ক্ষেপণাস্ত্র’ সরাসরি তেল আবিবের একটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে:
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অবিরাম অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শোনা যাচ্ছে।
হতাহতের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ না করলেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরোক্ষ স্বীকারোক্তি পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
শুধু ইসরায়েল নয়, এই দফায় ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সামরিক স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান। আইআরজিসির তথ্যমতে:
ইরাক: এরবিলে অবস্থিত ‘হারির’ বিমানঘাঁটিতে শক্তিশালী হামলা চালানো হয়েছে।
কুয়েত: মার্কিন সেনাদের অবস্থানস্থল ‘আলি আল সালেম’ ও ‘আরিফজান’ ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করা হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই সুপরিকল্পিত হামলায় ঘাঁটিগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বা স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধারাবাহিক হামলা-পাল্টা হামলা পুরো অঞ্চলকে একটি নিয়ন্ত্রনহীন বৃহত্তর যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই উত্তেজনার ফলে: ১. বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার: জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ২. মানবিক বিপর্যয়: সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।

আপনার মতামত লিখুন