আপনার দেওয়া বিস্তারিত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রতিবেদন নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো। এটি যেকোনো সংবাদ মাধ্যম বা পোর্টালের জন্য উপযুক্ত।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৫ মার্চ, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং পৃথক অধিবেশন ডাকার দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী জোট। দাবি আদায় না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র দলগুলো। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বিষয়টিকে সংসদের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চায়।
গত বৃহস্পতিবার সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ চলাকালে নজিরবিহীন হট্টগোল সৃষ্টি হয়। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টার আলোচনায় তারা অংশ নেবেন এবং কেন তারা ওয়াকআউট করেছেন তার ব্যাখ্যা সংসদে তুলে ধরবেন।
জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যার সময়সীমা আজ ১৫ মার্চ শেষ হচ্ছে। জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ তাদের জোটের সদস্যরা এরই মধ্যে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে পৃথক শপথ নিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোট সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন:
"আজ ১৫ মার্চ সরকারের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সরকার যদি আজই জুলাই সনদ অনুযায়ী অধিবেশন না ডাকে, তবে তাদের এর দায় নিতে হবে। দাবি মানা না হলে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব।"
সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নীতিনির্ধারকরা। কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি এবং সরকার চায় সব সমাধান সংসদের মাধ্যমেই হোক। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানও জানিয়েছেন, বিএনপি এই মুহূর্তে আলাদা অধিবেশন ডাকার পক্ষে নয় এবং সংসদের ভেতরেই এ নিয়ে আলোচনা হবে।
আজ রবিবার বেলা ১১টায় সংসদের মুলতবি অধিবেশন পুনরায় শুরু হচ্ছে। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:
অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রীদের জন্য ৪৬০টি প্রশ্ন জমা পড়েছে।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
আপনার দেওয়া বিস্তারিত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রতিবেদন নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো। এটি যেকোনো সংবাদ মাধ্যম বা পোর্টালের জন্য উপযুক্ত।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৫ মার্চ, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং পৃথক অধিবেশন ডাকার দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী জোট। দাবি আদায় না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র দলগুলো। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বিষয়টিকে সংসদের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চায়।
গত বৃহস্পতিবার সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ চলাকালে নজিরবিহীন হট্টগোল সৃষ্টি হয়। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টার আলোচনায় তারা অংশ নেবেন এবং কেন তারা ওয়াকআউট করেছেন তার ব্যাখ্যা সংসদে তুলে ধরবেন।
জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যার সময়সীমা আজ ১৫ মার্চ শেষ হচ্ছে। জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ তাদের জোটের সদস্যরা এরই মধ্যে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে পৃথক শপথ নিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোট সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন:
"আজ ১৫ মার্চ সরকারের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সরকার যদি আজই জুলাই সনদ অনুযায়ী অধিবেশন না ডাকে, তবে তাদের এর দায় নিতে হবে। দাবি মানা না হলে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব।"
সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নীতিনির্ধারকরা। কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি এবং সরকার চায় সব সমাধান সংসদের মাধ্যমেই হোক। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানও জানিয়েছেন, বিএনপি এই মুহূর্তে আলাদা অধিবেশন ডাকার পক্ষে নয় এবং সংসদের ভেতরেই এ নিয়ে আলোচনা হবে।
আজ রবিবার বেলা ১১টায় সংসদের মুলতবি অধিবেশন পুনরায় শুরু হচ্ছে। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:
অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রীদের জন্য ৪৬০টি প্রশ্ন জমা পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন