দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: "আওয়ামী লীগের শাসনামলে দুর্নীতিতে শীর্ষস্থান পেয়েছিল দেশ"

বিরোধী দলের বাধা ও হট্টগোল: উত্তপ্ত সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পন্ন

"বিগত তিন সংসদ নিয়ে প্রশ্ন: 'জনগণের ম্যান্ডেট ছিল না' বলে দাবি"

"তপ্ত রোদের পর স্বস্তির বৃষ্টি: ধেয়ে আসছে বজ্রঝড়"

"জুলাই সনদ: প্রথম অধিবেশনের কেন্দ্রবিন্দুতে আন্দোলনের চেতনা"

রাষ্ট্রপতি: দেশের সমৃদ্ধিতে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ অপরিহার্য

​বাংলাদেশ-ভারত: এক উজ্জ্বল ও প্রতিশ্রুতিশীল ভবিষ্যতের অভিমুখে

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৪ মার্চ, ২০২৬

নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের সকল ধর্মের উপাসনালয়ের দায়িত্বশীলদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্বীকৃতির অনন্য উদ্যোগ

পাইলট প্রকল্পের আওতায় শুরু হওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটি সরকারের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

উপকারভোগীদের পরিসংখ্যান

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে এই সুবিধার আওতায় আসছেন:

  • মসজিদ: ৪,৯০৮টি (ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম)।

  • মন্দির: ৯৯০টি (পুরোহিত ও সেবাইত)।

  • বৌদ্ধবিহার: ১৪৪টি (অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ)।

  • গির্জা: ৩৯৬টি (যাজক ও সহকারী যাজক)।

সম্মানীর আর্থিক কাঠামো

প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী প্রতিটি উপাসনালয়ের জন্য নির্ধারিত মাসিক সম্মানীর হার নিচে দেওয়া হলো:

১. মসজিদ (মোট ১০,০০০ টাকা):

  • ইমাম: ৫,০০০ টাকা

  • মুয়াজ্জিন: ৩,০০০ টাকা

  • খাদেম: ২,০০০ টাকা

২. মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জা (মোট ৮,০০০ টাকা):

  • প্রধান ব্যক্তি (পুরোহিত/অধ্যক্ষ/যাজক): ৫,০০০ টাকা

  • সহকারী (সেবাইত/উপাধ্যক্ষ/সহকারী যাজক): ৩,০০০ টাকা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট

অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।


সংবাদটির জন্য আকর্ষণীয় শিরোনাম (বিকল্প):

১. নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ: ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ২. ইমাম থেকে যাজক—সবাই পাচ্ছেন সরকারি সম্মানী; উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান ৩. ধর্মীয় সম্প্রীতির নতুন দিগন্ত: ৫ সহস্রাধিক উপাসনালয়ে সরকারি মাসিক ভাতা শুরু

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানী দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৪ মার্চ, ২০২৬

নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দেশের সকল ধর্মের উপাসনালয়ের দায়িত্বশীলদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্বীকৃতির অনন্য উদ্যোগ

পাইলট প্রকল্পের আওতায় শুরু হওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটি সরকারের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

উপকারভোগীদের পরিসংখ্যান

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে এই সুবিধার আওতায় আসছেন:

  • মসজিদ: ৪,৯০৮টি (ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম)।

  • মন্দির: ৯৯০টি (পুরোহিত ও সেবাইত)।

  • বৌদ্ধবিহার: ১৪৪টি (অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ)।

  • গির্জা: ৩৯৬টি (যাজক ও সহকারী যাজক)।

সম্মানীর আর্থিক কাঠামো

প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী প্রতিটি উপাসনালয়ের জন্য নির্ধারিত মাসিক সম্মানীর হার নিচে দেওয়া হলো:

১. মসজিদ (মোট ১০,০০০ টাকা):

  • ইমাম: ৫,০০০ টাকা

  • মুয়াজ্জিন: ৩,০০০ টাকা

  • খাদেম: ২,০০০ টাকা

২. মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জা (মোট ৮,০০০ টাকা):

  • প্রধান ব্যক্তি (পুরোহিত/অধ্যক্ষ/যাজক): ৫,০০০ টাকা

  • সহকারী (সেবাইত/উপাধ্যক্ষ/সহকারী যাজক): ৩,০০০ টাকা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট

অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন, যা তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।


সংবাদটির জন্য আকর্ষণীয় শিরোনাম (বিকল্প):

১. নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ: ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ২. ইমাম থেকে যাজক—সবাই পাচ্ছেন সরকারি সম্মানী; উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান ৩. ধর্মীয় সম্প্রীতির নতুন দিগন্ত: ৫ সহস্রাধিক উপাসনালয়ে সরকারি মাসিক ভাতা শুরু


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর