দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরান-রাশিয়া 'গোপন আঁতাত' নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প; উত্তপ্ত ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্ক।

ইরান-রাশিয়া 'গোপন আঁতাত' নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প; উত্তপ্ত ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্ক।

মধ্যরাতে রণক্ষেত্র বাগদাদ: মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

কাওলা সাংবাদিক রোমানা সাঞ্জুকে হত্যার হুমকি দক্ষিন খান থানায় জিডি যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড়

লুফথানসার ঘোষণা: ২৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকছে দুবাই রুটের সব ফ্লাইট

মার্কিন তেল ট্যাংকারে হামলা ইরাকে: ভারতীয় ক্রুর মৃত্যুতে শোকের ছায়া

জ্বালানি যুদ্ধের দোরগোড়ায় বিশ্ব: ইতিহাসের বৃহত্তম তেল সরবরাহ সংকটের ব্যবচ্ছেদ

সাহসী সাংবাদিক জাহিদ ইকবালের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টির অপচেষ্টা, ক্ষোভে ফুঁসছে সাংবাদিক মহল

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের তথ্যের জন্য বিশাল অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১৩ মার্চ) তুর্কি টুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে বা তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে।

‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় পুরস্কার

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের অধীনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, মোজতবা খামেনি এবং আইআরজিসির এই শীর্ষ কর্মকর্তারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালেই আইআরজিসি-কে একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

তালিকায় আছেন যারা

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ তালিকায় মোজতবা খামেনি ছাড়াও ইরানের সরকারের আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে:

  • আসগর হেজাজি: চিফ অব স্টাফ।

  • ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি: সামরিক উপদেষ্টা।

  • আলী লারিজানি: জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ও সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা।

  • এস্কান্দার মোমেনি: বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • ইসমাইল খাতিব: গোয়েন্দা মন্ত্রী।

গোপন কর্মকর্তাদের সন্ধানে ওয়াশিংটন

পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কেবল এই পরিচিত মুখগুলোই নয়, বরং আইআরজিসির বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বে থাকা আরও কয়েকজন ‘অপ্রকাশিত’ বা নেপথ্যের কর্মকর্তার তথ্যও চাওয়া হয়েছে। যারা পর্দার আড়ালে থেকে আইআরজিসির বৈশ্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন।

তথ্যদাতার জন্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন

মার্কিন বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, যারা এই শীর্ষ নেতাদের অবস্থান বা আইআরজিসি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবেন, তাদের কেবল অর্থ পুরস্কারই নয়, বরং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানান্তর (Relocation) এবং কঠোর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

প্রেক্ষাপট

সম্প্রতি ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা যখন চরমে, ঠিক তখনই এই পুরস্কারের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আগুনের ঘি ঢেলে দিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তার ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা ও পুরস্কার ঘোষণা ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬


ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ‘মাথার দাম’ ১০ মিলিয়ন ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৪ মার্চ, ২০২৬

ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের তথ্যের জন্য বিশাল অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১৩ মার্চ) তুর্কি টুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে বা তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২০ কোটি টাকা) পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে।

‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় পুরস্কার

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ প্রোগ্রামের অধীনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। ওয়াশিংটনের দাবি, মোজতবা খামেনি এবং আইআরজিসির এই শীর্ষ কর্মকর্তারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালেই আইআরজিসি-কে একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

তালিকায় আছেন যারা

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ তালিকায় মোজতবা খামেনি ছাড়াও ইরানের সরকারের আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে:

  • আসগর হেজাজি: চিফ অব স্টাফ।

  • ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি: সামরিক উপদেষ্টা।

  • আলী লারিজানি: জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ও সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা।

  • এস্কান্দার মোমেনি: বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • ইসমাইল খাতিব: গোয়েন্দা মন্ত্রী।

গোপন কর্মকর্তাদের সন্ধানে ওয়াশিংটন

পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কেবল এই পরিচিত মুখগুলোই নয়, বরং আইআরজিসির বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বে থাকা আরও কয়েকজন ‘অপ্রকাশিত’ বা নেপথ্যের কর্মকর্তার তথ্যও চাওয়া হয়েছে। যারা পর্দার আড়ালে থেকে আইআরজিসির বৈশ্বিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন।

তথ্যদাতার জন্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন

মার্কিন বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, যারা এই শীর্ষ নেতাদের অবস্থান বা আইআরজিসি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবেন, তাদের কেবল অর্থ পুরস্কারই নয়, বরং প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানান্তর (Relocation) এবং কঠোর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

প্রেক্ষাপট

সম্প্রতি ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা যখন চরমে, ঠিক তখনই এই পুরস্কারের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে আগুনের ঘি ঢেলে দিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তার ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা ও পুরস্কার ঘোষণা ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর