নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা | ১৩ মার্চ, ২০২৬
কুমিল্লার প্রাণপ্রকৃতি গোমতী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নদীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে নেতাকর্মীদের নিয়ে গোমতীর তীরে ইফতার করেন তিনি।
শুক্রবার বিকেলে কৃষিমন্ত্রী গোমতী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি নদীর নাব্য এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছ থেকে খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, "গোমতী নদী আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বিশেষ করে কুমিল্লার কৃষির জন্য লাইফলাইন। এই নদীকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"
নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধসহ দূষণ প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। উপস্থিত সুধীজন ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এ বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "তরুণরাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত গোমতী উপহার দিতে।"
পরিদর্শন শেষে নদীর পাড়েই এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে ইফতারে অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী। ইফতারের আগে তিনি উপস্থিত তরুণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন।
কৃষিমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে আশার আলো দেখছেন কুমিল্লার সাধারণ মানুষ। তারা প্রত্যাশা করছেন, মন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলে গোমতী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এখন আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা | ১৩ মার্চ, ২০২৬
কুমিল্লার প্রাণপ্রকৃতি গোমতী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নদীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে নেতাকর্মীদের নিয়ে গোমতীর তীরে ইফতার করেন তিনি।
শুক্রবার বিকেলে কৃষিমন্ত্রী গোমতী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি নদীর নাব্য এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে স্থানীয়দের কাছ থেকে খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বলেন, "গোমতী নদী আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং বিশেষ করে কুমিল্লার কৃষির জন্য লাইফলাইন। এই নদীকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"
নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধসহ দূষণ প্রতিরোধে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। উপস্থিত সুধীজন ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এ বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "তরুণরাই পারে একটি পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত গোমতী উপহার দিতে।"
পরিদর্শন শেষে নদীর পাড়েই এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে ইফতারে অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী। ইফতারের আগে তিনি উপস্থিত তরুণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন।
কৃষিমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে আশার আলো দেখছেন কুমিল্লার সাধারণ মানুষ। তারা প্রত্যাশা করছেন, মন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলে গোমতী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এখন আরও জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন