দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন:

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: "আওয়ামী লীগের শাসনামলে দুর্নীতিতে শীর্ষস্থান পেয়েছিল দেশ"

বিরোধী দলের বাধা ও হট্টগোল: উত্তপ্ত সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পন্ন

"বিগত তিন সংসদ নিয়ে প্রশ্ন: 'জনগণের ম্যান্ডেট ছিল না' বলে দাবি"

"তপ্ত রোদের পর স্বস্তির বৃষ্টি: ধেয়ে আসছে বজ্রঝড়"

"জুলাই সনদ: প্রথম অধিবেশনের কেন্দ্রবিন্দুতে আন্দোলনের চেতনা"

"স্পিকারহীন সংসদ: এক নজিরবিহীন দৃশ্য"

সরকারি দলের সংসদীয় বৈঠক শুরু, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছানোর লক্ষ্যএক্স

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছানোর লক্ষ্যএক্স

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছানোর লক্ষ্যএক্স

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীপ্রধান পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীপ্রধান পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১৪টি উপজেলা বা এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।

সরকারের ঘোষণানুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি উপকারভোগী পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। এই অর্থ উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে, ফলে ঘরে বসেই তারা ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তবে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবার যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেয়ে থাকে, তাহলে সেই ভাতা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তি, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক লাইসেন্স, বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন গাড়ি বা এসি) অথবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার এই ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবে না।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে এই ফ্যামিলি কার্ডকে আরও সম্প্রসারণ করা হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটিকে দেশের নাগরিকদের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’-এ রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬


ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন, ৫ বছরে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছানোর লক্ষ্যএক্স

প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তি সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারীপ্রধান পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না করলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীপ্রধান পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১৪টি উপজেলা বা এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।

সরকারের ঘোষণানুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি উপকারভোগী পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। এই অর্থ উপকারভোগীর পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে, ফলে ঘরে বসেই তারা ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসের জন্য প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তবে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবার যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেয়ে থাকে, তাহলে সেই ভাতা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তি, বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক লাইসেন্স, বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন গাড়ি বা এসি) অথবা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার এই ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবে না।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে এই ফ্যামিলি কার্ডকে আরও সম্প্রসারণ করা হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটিকে দেশের নাগরিকদের জন্য একটি ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’-এ রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর