সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়—এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এক অবিচল অঙ্গীকার। অন্যায়, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে কথা বলাই প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিচয়।
আজ আমি দুইজন সাহসী ও আপোষহীন সাংবাদিকের কথা বলতে চাই।
প্রথমজন Zahid Iqbal, President – Bangladesh Online Journalist Association এবং Zoom Bangla-এর Special Correspondent। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক নন, একজন সচেতন সমাজকর্মী এবং মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো দায়িত্বশীল নাগরিক।
এলাকার বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ—এসব ক্ষেত্রেই তার নির্ভীক ভূমিকা মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
বিশেষ করে নিকুঞ্জ এলাকায় সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে তিনি ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিলেন। তার দৃঢ় অবস্থান ও সচেতনতার ফলেই আজ নিকুঞ্জ টানপাড়া সারা দেশের কাছে একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। কারণ, এই এলাকা বাংলাদেশের অন্যতম যেখানে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছে। অনেকেই এখন এই উদ্যোগকে অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে দেখছেন।
এছাড়াও জামতলা এলাকায় সরু রাস্তা দখল ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সংবাদ প্রকাশ করার কারণে তিনি কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী চক্রের টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করা হয়েছে—যা বিভিন্ন সুনামধন্য গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।
বাস্তবতা হলো—অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে দাঁড়ায়, তাকে থামিয়ে দিতে সবসময়ই একটি অপশক্তি সক্রিয় থাকে। জাহিদ ইকবালের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিছু চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ স্বার্থান্বেষী মহল তাকে ভয় দেখাতে, অপমান করতে এবং অপপ্রচার চালিয়ে তার কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্যকে কখনো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না।
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় বলতে পারি—জাহিদ ইকবালের মতো সৎ, সাহসী ও আপোষহীন সাংবাদিক আজকাল সত্যিই বিরল।
তারই সুযোগ্য সন্তান Tasbir Iqbal, Bangladesh Times-এর Special Reporter। তিনিও তারুণ্যের এক দৃঢ় কণ্ঠস্বর, যিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—সত্যের পথে যারা কাজ করেন, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যা অপপ্রচার এবং মব সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দাবি জানাচ্ছি—যারা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে একজন সৎ সাংবাদিককে হয়রানি করার চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সাহসী সাংবাদিকদের কণ্ঠ কখনো থামানো যাবে না। সত্যের পক্ষে যারা কলম ধরেন, তাদের পাশে আমরা ছিলাম, আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়—এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এক অবিচল অঙ্গীকার। অন্যায়, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে কথা বলাই প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিচয়।
আজ আমি দুইজন সাহসী ও আপোষহীন সাংবাদিকের কথা বলতে চাই।
প্রথমজন Zahid Iqbal, President – Bangladesh Online Journalist Association এবং Zoom Bangla-এর Special Correspondent। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক নন, একজন সচেতন সমাজকর্মী এবং মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো দায়িত্বশীল নাগরিক।
এলাকার বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ—এসব ক্ষেত্রেই তার নির্ভীক ভূমিকা মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
বিশেষ করে নিকুঞ্জ এলাকায় সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে তিনি ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিলেন। তার দৃঢ় অবস্থান ও সচেতনতার ফলেই আজ নিকুঞ্জ টানপাড়া সারা দেশের কাছে একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। কারণ, এই এলাকা বাংলাদেশের অন্যতম যেখানে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছে। অনেকেই এখন এই উদ্যোগকে অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে দেখছেন।
এছাড়াও জামতলা এলাকায় সরু রাস্তা দখল ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সংবাদ প্রকাশ করার কারণে তিনি কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী চক্রের টার্গেটে পরিণত হয়েছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করা হয়েছে—যা বিভিন্ন সুনামধন্য গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।
বাস্তবতা হলো—অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে দাঁড়ায়, তাকে থামিয়ে দিতে সবসময়ই একটি অপশক্তি সক্রিয় থাকে। জাহিদ ইকবালের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিছু চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ স্বার্থান্বেষী মহল তাকে ভয় দেখাতে, অপমান করতে এবং অপপ্রচার চালিয়ে তার কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্যকে কখনো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না।
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় বলতে পারি—জাহিদ ইকবালের মতো সৎ, সাহসী ও আপোষহীন সাংবাদিক আজকাল সত্যিই বিরল।
তারই সুযোগ্য সন্তান Tasbir Iqbal, Bangladesh Times-এর Special Reporter। তিনিও তারুণ্যের এক দৃঢ় কণ্ঠস্বর, যিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—সত্যের পথে যারা কাজ করেন, তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যা অপপ্রচার এবং মব সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দাবি জানাচ্ছি—যারা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে একজন সৎ সাংবাদিককে হয়রানি করার চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সাহসী সাংবাদিকদের কণ্ঠ কখনো থামানো যাবে না। সত্যের পক্ষে যারা কলম ধরেন, তাদের পাশে আমরা ছিলাম, আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব।

আপনার মতামত লিখুন