ফুটবল ম্যাচ কখনো কখনো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বল নিয়ে খেলার বদলে তখন মাঠে চলে কিল-ঘুষি-লাথি। ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।
গত পরশু Cruzeiro ও Atlético Mineiro-এর ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই দলের খেলোয়াড়রা মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে রেফারি Matheus Delgado Candançan ক্রুজেইরোর ১২ জন ও আতলেতিকোর ১১ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখান।
খেলা চলাকালীন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার Cristian এবং গোলরক্ষক Éverson প্রথমে লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বাকি খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়া হয়। রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী মোট ২৩ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন।
ব্রাজিলের সিনিয়র পর্যায়ের ফুটবলে এক ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। এর আগে ১৯৫৪ সালে Botafogo ও Portuguesa-এর ম্যাচে ২২ জন লাল কার্ড দেখেছিলেন।
২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের ম্যাচে মুখোমুখি হয় Atlético Claypole ও Victoriano Arenas।
সেই ম্যাচে দুই দলের সব খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ মিলিয়ে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়। এর মধ্যে ২২ জন ছিলেন মাঠে থাকা খেলোয়াড় এবং বাকি ১৪ জন ছিলেন বেঞ্চের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।
দুই খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সংঘাত দ্রুতই পুরো মাঠজুড়ে মারামারিতে রূপ নেয়। দুই দলের মূল একাদশ, বদলি খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফও এতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রেফারি Damián Rubino ঘটনাটিকে ‘সাধারণ মারামারি’ হিসেবে রিপোর্ট করে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখান।
পরে বিষয়টি যায় Argentine Football Association-এর ডিসিপ্লিনারি ট্রাইব্যুনালে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পর দেখা যায়, সব খেলোয়াড় মারামারিতে জড়াননি।
সবচেয়ে বড় শাস্তি পান রদ্রিগো সানচেজ—তাকে ৭ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া শাস্তি পান মাতিয়াস পারদো, মাতিয়াস লাপোর্তে, নিকোলাস আরান্দা, আদ্রিয়ান কারদোজা, অ্যালান কাস্ত্রো ও ক্লদিও লেইভা।
ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এখনো এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ফুটবল ম্যাচ কখনো কখনো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বল নিয়ে খেলার বদলে তখন মাঠে চলে কিল-ঘুষি-লাথি। ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।
গত পরশু Cruzeiro ও Atlético Mineiro-এর ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই দলের খেলোয়াড়রা মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে রেফারি Matheus Delgado Candançan ক্রুজেইরোর ১২ জন ও আতলেতিকোর ১১ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখান।
খেলা চলাকালীন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার Cristian এবং গোলরক্ষক Éverson প্রথমে লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বাকি খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়া হয়। রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী মোট ২৩ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন।
ব্রাজিলের সিনিয়র পর্যায়ের ফুটবলে এক ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। এর আগে ১৯৫৪ সালে Botafogo ও Portuguesa-এর ম্যাচে ২২ জন লাল কার্ড দেখেছিলেন।
২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের ম্যাচে মুখোমুখি হয় Atlético Claypole ও Victoriano Arenas।
সেই ম্যাচে দুই দলের সব খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ মিলিয়ে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়। এর মধ্যে ২২ জন ছিলেন মাঠে থাকা খেলোয়াড় এবং বাকি ১৪ জন ছিলেন বেঞ্চের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।
দুই খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সংঘাত দ্রুতই পুরো মাঠজুড়ে মারামারিতে রূপ নেয়। দুই দলের মূল একাদশ, বদলি খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফও এতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রেফারি Damián Rubino ঘটনাটিকে ‘সাধারণ মারামারি’ হিসেবে রিপোর্ট করে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখান।
পরে বিষয়টি যায় Argentine Football Association-এর ডিসিপ্লিনারি ট্রাইব্যুনালে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পর দেখা যায়, সব খেলোয়াড় মারামারিতে জড়াননি।
সবচেয়ে বড় শাস্তি পান রদ্রিগো সানচেজ—তাকে ৭ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া শাস্তি পান মাতিয়াস পারদো, মাতিয়াস লাপোর্তে, নিকোলাস আরান্দা, আদ্রিয়ান কারদোজা, অ্যালান কাস্ত্রো ও ক্লদিও লেইভা।
ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এখনো এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন