দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশের লড়াই

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশের লড়াই

ব্রাজিলে এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, বিশ্বরেকর্ড আর্জেন্টিনায়—৩৬ খেলোয়াড় বহিষ্কার!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পর্দা উঠলো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস লীগ-২৪

বার্সা-রিয়ালের ক্লাসিকো মাটি করতে পারে যে ‘শত্রু’

প্যারিস অলিম্পিক এবার অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স মহারণ

আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন জামাল

৫ শহরের ১৫ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে সৌদি আরব

ব্রাজিলে এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, বিশ্বরেকর্ড আর্জেন্টিনায়—৩৬ খেলোয়াড় বহিষ্কার!

ব্রাজিলে এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, বিশ্বরেকর্ড আর্জেন্টিনায়—৩৬ খেলোয়াড় বহিষ্কার!

ব্রাজিলে এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, বিশ্বরেকর্ড আর্জেন্টিনায় ৩৬

ফুটবল ম্যাচ কখনো কখনো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বল নিয়ে খেলার বদলে তখন মাঠে চলে কিল-ঘুষি-লাথি। ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।

গত পরশু CruzeiroAtlético Mineiro-এর ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই দলের খেলোয়াড়রা মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে রেফারি Matheus Delgado Candançan ক্রুজেইরোর ১২ জন ও আতলেতিকোর ১১ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখান।

খেলা চলাকালীন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার Cristian এবং গোলরক্ষক Éverson প্রথমে লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বাকি খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়া হয়। রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী মোট ২৩ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন।

ব্রাজিলের সিনিয়র পর্যায়ের ফুটবলে এক ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। এর আগে ১৯৫৪ সালে BotafogoPortuguesa-এর ম্যাচে ২২ জন লাল কার্ড দেখেছিলেন।


তবে এক ম্যাচে লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড ব্রাজিলে নয়, হয়েছে আর্জেন্টিনায়—এবং সেটি জায়গা পেয়েছে Guinness World Records-এ।

২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের ম্যাচে মুখোমুখি হয় Atlético ClaypoleVictoriano Arenas

সেই ম্যাচে দুই দলের সব খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ মিলিয়ে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়। এর মধ্যে ২২ জন ছিলেন মাঠে থাকা খেলোয়াড় এবং বাকি ১৪ জন ছিলেন বেঞ্চের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।


ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে ছিল আতলেতিকো ক্লেপোল। তখন ভিক্টোরিয়ানো অ্যারেনাসের খেলোয়াড় Rodrigo Sánchez আতলেতিকোর Jonathan Ledesma-র ওপর চড়াও হলে সংঘর্ষের সূচনা হয়।

দুই খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সংঘাত দ্রুতই পুরো মাঠজুড়ে মারামারিতে রূপ নেয়। দুই দলের মূল একাদশ, বদলি খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফও এতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রেফারি Damián Rubino ঘটনাটিকে ‘সাধারণ মারামারি’ হিসেবে রিপোর্ট করে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখান।


ঘটনার পর আতলেতিকোর কোচ Sergio Micieli রেফারির সিদ্ধান্তকে ‘বোকামি’ বলে আখ্যা দেন। অন্যদিকে ভিক্টোরিয়ানো ক্লাবের সভাপতি Domingo Sagnaga অভিযোগ করেন, রেফারি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

পরে বিষয়টি যায় Argentine Football Association-এর ডিসিপ্লিনারি ট্রাইব্যুনালে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পর দেখা যায়, সব খেলোয়াড় মারামারিতে জড়াননি।


শেষ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল ৩৬ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জনকে শাস্তি দেয় এবং বাকিদের মুক্তি দেওয়া হয়, যাতে ক্লাব দুটি বড় ক্ষতির মুখে না পড়ে।

সবচেয়ে বড় শাস্তি পান রদ্রিগো সানচেজ—তাকে ৭ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া শাস্তি পান মাতিয়াস পারদো, মাতিয়াস লাপোর্তে, নিকোলাস আরান্দা, আদ্রিয়ান কারদোজা, অ্যালান কাস্ত্রো ও ক্লদিও লেইভা।

ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এখনো এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬


ব্রাজিলে এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, বিশ্বরেকর্ড আর্জেন্টিনায়—৩৬ খেলোয়াড় বহিষ্কার!

প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬

featured Image

ব্রাজিলে এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ড, বিশ্বরেকর্ড আর্জেন্টিনায় ৩৬

ফুটবল ম্যাচ কখনো কখনো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বল নিয়ে খেলার বদলে তখন মাঠে চলে কিল-ঘুষি-লাথি। ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলের মিনেইরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে।

গত পরশু CruzeiroAtlético Mineiro-এর ম্যাচে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই দলের খেলোয়াড়রা মারামারিতে জড়িয়ে পড়লে রেফারি Matheus Delgado Candançan ক্রুজেইরোর ১২ জন ও আতলেতিকোর ১১ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখান।

খেলা চলাকালীন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার Cristian এবং গোলরক্ষক Éverson প্রথমে লাল কার্ড দেখেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বাকি খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়া হয়। রেফারির ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী মোট ২৩ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন।

ব্রাজিলের সিনিয়র পর্যায়ের ফুটবলে এক ম্যাচে এটিই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। এর আগে ১৯৫৪ সালে BotafogoPortuguesa-এর ম্যাচে ২২ জন লাল কার্ড দেখেছিলেন।


তবে এক ম্যাচে লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড ব্রাজিলে নয়, হয়েছে আর্জেন্টিনায়—এবং সেটি জায়গা পেয়েছে Guinness World Records-এ।

২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের ম্যাচে মুখোমুখি হয় Atlético ClaypoleVictoriano Arenas

সেই ম্যাচে দুই দলের সব খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ মিলিয়ে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়। এর মধ্যে ২২ জন ছিলেন মাঠে থাকা খেলোয়াড় এবং বাকি ১৪ জন ছিলেন বেঞ্চের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ।


ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে ছিল আতলেতিকো ক্লেপোল। তখন ভিক্টোরিয়ানো অ্যারেনাসের খেলোয়াড় Rodrigo Sánchez আতলেতিকোর Jonathan Ledesma-র ওপর চড়াও হলে সংঘর্ষের সূচনা হয়।

দুই খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সংঘাত দ্রুতই পুরো মাঠজুড়ে মারামারিতে রূপ নেয়। দুই দলের মূল একাদশ, বদলি খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফও এতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে রেফারি Damián Rubino ঘটনাটিকে ‘সাধারণ মারামারি’ হিসেবে রিপোর্ট করে মোট ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখান।


ঘটনার পর আতলেতিকোর কোচ Sergio Micieli রেফারির সিদ্ধান্তকে ‘বোকামি’ বলে আখ্যা দেন। অন্যদিকে ভিক্টোরিয়ানো ক্লাবের সভাপতি Domingo Sagnaga অভিযোগ করেন, রেফারি পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

পরে বিষয়টি যায় Argentine Football Association-এর ডিসিপ্লিনারি ট্রাইব্যুনালে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পর দেখা যায়, সব খেলোয়াড় মারামারিতে জড়াননি।


শেষ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল ৩৬ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জনকে শাস্তি দেয় এবং বাকিদের মুক্তি দেওয়া হয়, যাতে ক্লাব দুটি বড় ক্ষতির মুখে না পড়ে।

সবচেয়ে বড় শাস্তি পান রদ্রিগো সানচেজ—তাকে ৭ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া শাস্তি পান মাতিয়াস পারদো, মাতিয়াস লাপোর্তে, নিকোলাস আরান্দা, আদ্রিয়ান কারদোজা, অ্যালান কাস্ত্রো ও ক্লদিও লেইভা।

ফুটবলের ইতিহাসে এই ম্যাচটি এখনো এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬ লাল কার্ডের বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর