মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: ইরানের তেল অবকাঠামোতে ইসরায়েলের বড় ধরনের হামলা
তেহরান/জেরুজালেম: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক নতুন ও ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। প্রথমবারের মতো ইরানের অত্যন্ত সংবেদনশীল জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে সরাসরি আকাশপথে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
হামলার বিস্তারিত:
শনিবার রাতে তেহরানসহ এর পার্শ্ববর্তী আলবোর্জ প্রদেশে এই হামলা চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ফুটেজে দেখা গেছে, তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় তেলের ডিপো এবং শোধনাগার সংলগ্ন এলাকা থেকে আগুনের বিশাল কুণ্ডলী ও কালো ধোঁয়ার মেঘ আকাশে উঠছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের ‘বেশ কয়েকটি’ জ্বালানি মজুদ কেন্দ্র এবং সামরিক অবকাঠামোতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।
বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু:
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো সরাসরি কোনো বেসামরিক শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামোকে যুদ্ধের প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এসব তেলের ট্যাংক ও ডিপো ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে সরাসরি ব্যবহৃত হতো।
ইরানের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব:
ইরানি কর্তৃপক্ষ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর জন্য সরাসরি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। দেশটির তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরান ও উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎস ছিল এই আক্রান্ত শোধনাগারটি। তবে তারা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের এবং জ্বালানি সংকট এড়ানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে।
পাল্টা হামলা:
এই হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে ইসরায়েলের হাইফা (Haifa) তেল শোধনাগারে ‘খাইবার-শেখান’ (Kheibar-Shekan) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার দাবি করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত এখন সরাসরি ‘জ্বালানি যুদ্ধে’ রূপ নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা: ইরানের তেল অবকাঠামোতে ইসরায়েলের বড় ধরনের হামলা
তেহরান/জেরুজালেম: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক নতুন ও ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। প্রথমবারের মতো ইরানের অত্যন্ত সংবেদনশীল জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে সরাসরি আকাশপথে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
হামলার বিস্তারিত:
শনিবার রাতে তেহরানসহ এর পার্শ্ববর্তী আলবোর্জ প্রদেশে এই হামলা চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ফুটেজে দেখা গেছে, তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় তেলের ডিপো এবং শোধনাগার সংলগ্ন এলাকা থেকে আগুনের বিশাল কুণ্ডলী ও কালো ধোঁয়ার মেঘ আকাশে উঠছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের ‘বেশ কয়েকটি’ জ্বালানি মজুদ কেন্দ্র এবং সামরিক অবকাঠামোতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে।
বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু:
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো সরাসরি কোনো বেসামরিক শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামোকে যুদ্ধের প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, এসব তেলের ট্যাংক ও ডিপো ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে সরাসরি ব্যবহৃত হতো।
ইরানের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব:
ইরানি কর্তৃপক্ষ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর জন্য সরাসরি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। দেশটির তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরান ও উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎস ছিল এই আক্রান্ত শোধনাগারটি। তবে তারা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের এবং জ্বালানি সংকট এড়ানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে।
পাল্টা হামলা:
এই হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান পাল্টা আঘাত হিসেবে ইসরায়েলের হাইফা (Haifa) তেল শোধনাগারে ‘খাইবার-শেখান’ (Kheibar-Shekan) ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার দাবি করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত এখন সরাসরি ‘জ্বালানি যুদ্ধে’ রূপ নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন