নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরী আমেনাকে ঘিরে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক লোমহর্ষক তথ্য, যা পুরো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। কিশোরীকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার করার পর শেষ পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে সামনে এসেছে তারই সৎ বাবা আশরাফ আলীর নাম।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সৎ বাবা, প্রেমিক এবং সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক এই তথ্য জানান।
কিন্তু ঘটনার ভয়াবহতা আরও বাড়ে যখন পুলিশ জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হযরত আলীর বাড়িতে কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় জড়িত ছিল হযরত আলী, এবাদুল, জামান ও গাফফারসহ আরও কয়েকজন।
পুলিশ বলছে, এই ঘটনার পর থেকেই কিশোরীর জীবন আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
পথে নির্জন এলাকায় পৌঁছে তিনি কিশোরীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে নির্মমভাবে হত্যা করেন। হত্যার পর ঘটনাটি অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয় যাতে আসল ঘটনা আড়াল করা যায়।
জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, সৎ মেয়ের বিভিন্ন তথাকথিত ‘অসামাজিক কর্মকাণ্ড’ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিরক্ত ছিলেন। এ কারণে সমাজে নিজেকে অপমানিত ও হেয় প্রতিপন্ন মনে করতেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেন বলে স্বীকার করেন।
সৎ বাবা আশরাফ আলী
প্রেমিক নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে হযরত আলী
এবাদুল
জামান
গাফফারসহ আরও কয়েকজন
মূল অভিযুক্ত আশরাফ আলী শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানার মোয়াকুড়া গ্রামের কুব্বাত আলীর ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার বলেন,
“এই মামলাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। এমন জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরী আমেনাকে ঘিরে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক লোমহর্ষক তথ্য, যা পুরো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। কিশোরীকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার করার পর শেষ পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে সামনে এসেছে তারই সৎ বাবা আশরাফ আলীর নাম।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সৎ বাবা, প্রেমিক এবং সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক এই তথ্য জানান।
কিন্তু ঘটনার ভয়াবহতা আরও বাড়ে যখন পুলিশ জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হযরত আলীর বাড়িতে কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় জড়িত ছিল হযরত আলী, এবাদুল, জামান ও গাফফারসহ আরও কয়েকজন।
পুলিশ বলছে, এই ঘটনার পর থেকেই কিশোরীর জীবন আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
পথে নির্জন এলাকায় পৌঁছে তিনি কিশোরীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে নির্মমভাবে হত্যা করেন। হত্যার পর ঘটনাটি অন্যভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয় যাতে আসল ঘটনা আড়াল করা যায়।
জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, সৎ মেয়ের বিভিন্ন তথাকথিত ‘অসামাজিক কর্মকাণ্ড’ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিরক্ত ছিলেন। এ কারণে সমাজে নিজেকে অপমানিত ও হেয় প্রতিপন্ন মনে করতেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেন বলে স্বীকার করেন।
সৎ বাবা আশরাফ আলী
প্রেমিক নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে হযরত আলী
এবাদুল
জামান
গাফফারসহ আরও কয়েকজন
মূল অভিযুক্ত আশরাফ আলী শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানার মোয়াকুড়া গ্রামের কুব্বাত আলীর ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার বলেন,
“এই মামলাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। এমন জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

আপনার মতামত লিখুন