নিজস্ব প্রতিবেদক, তেহরান ও তেল আবিব শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানের অন্যতম ব্যস্ততম এবং অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের প্রধান কেন্দ্র মেহরাবাদ বিমানবন্দরে নতুন করে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতভর চালানো এই হামলায় বিমানবন্দর এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে শনিবার সকাল থেকে ইসরায়েল অভিমুখে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (IDF) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইরানে “বিস্তৃত পরিসরে নতুন করে হামলা” শুরু করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার রাতের বোমাবর্ষণ ছিল আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী এবং বিধ্বংসী।
এর আগে গত ৪ মার্চ একই বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। সে সময় তাদের দাবি ছিল, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য হুমকিস্বরূপ প্রতিরক্ষা ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। তবে শুক্রবারের নতুন হামলায় বিমানবন্দরের ঠিক কোন কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য যে, ৫ মার্চের স্যাটেলাইট ছবিতেও রানওয়েতে বেশ কিছু যাত্রীবাহী বিমান অবস্থান করতে দেখা গিয়েছিল, যা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।
মেহরাবাদে হামলার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ইসরায়েল জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। শনিবার সকালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Iron Dome/Arrow) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলায় কাজ করছে।
ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দারা তাদের মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পেয়েছেন এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কিছু অংশে হামলা হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। তেহরানের আকাশে এখনো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে এবং বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থগিত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, তেহরান ও তেল আবিব শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানের অন্যতম ব্যস্ততম এবং অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের প্রধান কেন্দ্র মেহরাবাদ বিমানবন্দরে নতুন করে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতভর চালানো এই হামলায় বিমানবন্দর এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে শনিবার সকাল থেকে ইসরায়েল অভিমুখে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (IDF) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইরানে “বিস্তৃত পরিসরে নতুন করে হামলা” শুরু করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার রাতের বোমাবর্ষণ ছিল আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী এবং বিধ্বংসী।
এর আগে গত ৪ মার্চ একই বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। সে সময় তাদের দাবি ছিল, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর জন্য হুমকিস্বরূপ প্রতিরক্ষা ও শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। তবে শুক্রবারের নতুন হামলায় বিমানবন্দরের ঠিক কোন কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য যে, ৫ মার্চের স্যাটেলাইট ছবিতেও রানওয়েতে বেশ কিছু যাত্রীবাহী বিমান অবস্থান করতে দেখা গিয়েছিল, যা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।
মেহরাবাদে হামলার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ইসরায়েল জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। শনিবার সকালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Iron Dome/Arrow) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি মোকাবিলায় কাজ করছে।
ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলের বাসিন্দারা তাদের মোবাইল ফোনে জরুরি সতর্কবার্তা পেয়েছেন এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কিছু অংশে হামলা হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। তেহরানের আকাশে এখনো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে এবং বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থগিত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন