দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

আবহাওয়া বার্তা: সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

আবহাওয়া বার্তা: সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে

অবশেষে দেশে ফিরলেন দুবাইয়ে আটকেপড়া ১৮৯ বাংলাদেশি

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ে কতটা প্রস্তুত ইসরায়েল?

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে বড় পদক্ষেপ: মে মাস থেকে ২৫ কোটি চারা রোপণ করবে সরকার"

"যানজট ও দূষণ মুক্ত শহর গড়তে ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারের আহ্বান"

"হাইফা ও তেল হাশোমে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা: বড় ক্ষয়ক্ষতির দাবি"

ইরান যুদ্ধের আশঙ্কা: কৌশলগত শূন্যতায় বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তা কতটা ঝুঁকিতে?

শুরু হলো ট্রেনের ঈদযাত্রা: আজ দেওয়া হচ্ছে ১৪ মার্চের অগ্রিম টিকিট

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ে কতটা প্রস্তুত ইসরায়েল?

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ে কতটা প্রস্তুত ইসরায়েল?

প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নেতৃত্বাধীন United States দৃঢ়ভাবে দাবি করছে—দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাদের সামরিক বাহিনীর রয়েছে। কিন্তু Israel-এর ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন। গাজায় দীর্ঘ সামরিক অভিযান, LebanonSyria-এ ধারাবাহিক হামলা এবং এর আগে Iran-এর সঙ্গে সংঘাত—সব মিলিয়ে ইসরায়েলি বাহিনী ও সমাজ ইতোমধ্যেই চাপে রয়েছে। ফলে নতুন করে দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়ানো তাদের জন্য সামরিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক—তিন ক্ষেত্রেই ব্যয়বহুল হতে পারে।


টানা হামলা ও অভ্যন্তরীণ চাপ

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার পর থেকে ইসরায়েল বারবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণের মুখে পড়ছে। দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কসংকেত, স্কুল বন্ধ, হাজার হাজার রিজার্ভ সেনা তলব—সব মিলিয়ে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।

হাইফা ও তেল আবিবের মতো বড় শহরগুলো টানা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। জরুরি পরিষেবা হিমশিম খাচ্ছে। যে মাত্রার সামরিক চাপ ইসরায়েল অতীতে অন্যদের ওপর প্রয়োগ করেছে, এখন সেই মাত্রার যুদ্ধের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে নিজ দেশের সাধারণ মানুষ। বাংকার ও শেল্টারে আশ্রয় নেওয়া এখন অনেকের নিত্যদিনের বাস্তবতা।


যুদ্ধের পক্ষে জনমত ও রাজনৈতিক ঐক্য

তবে আপাতত ইসরায়েলি সমাজে যুদ্ধের প্রতি উল্লেখযোগ্য সমর্থন দেখা যাচ্ছে। বহু নাগরিক মনে করেন, তারা এমন এক শত্রুর মোকাবিলা করছেন, যাকে দীর্ঘদিন ধরে অস্তিত্বের হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কট্টর বামপন্থী কিছু অংশ বাদে প্রায় সব রাজনৈতিক দল সরকারের পাশে অবস্থান নিয়েছে।

অর্থনীতিবিদ শির হেভার মনে করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশে এক ধরনের সামরিক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এটি আগের সীমিত সংঘাতের মতো নয়; বরং এতে রয়েছে আত্মবিশ্বাস ও আক্রমণাত্মক মনোভাব। এমনকি যুদ্ধের সমালোচকেরাও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ “সংক্ষিপ্ত” রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন—যেন যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা একতরফাভাবে ইসরায়েলের হাতেই।

অনেকে এই প্রবণতাকে ইসরায়েলি সমাজের ক্রমবর্ধমান ডানমুখী ও চরমপন্থী হয়ে ওঠার অংশ হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক মেরুকরণ, অর্থনৈতিক চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা-ভিত্তিক জাতীয়তাবাদ তরুণ ও মেধাবীদের দেশত্যাগে প্রভাব ফেলছে বলেও বিশ্লেষকদের মত।


সামরিক বাস্তবতা: আকাশ প্রতিরক্ষার সীমা

দীর্ঘ যুদ্ধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ইসরায়েল কত দিন বর্তমান মাত্রার আকাশ প্রতিরক্ষা বজায় রাখতে পারবে?

ইসরায়েলের তিন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে:

  • Iron Dome — স্বল্পপাল্লার রকেট প্রতিরোধে

  • David's Sling — মাঝারি পাল্লার রকেট ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে

  • Arrow 2Arrow 3 — ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিটি আগত ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে একটি করে ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করতে হয়—যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ইসরায়েলের মজুত কত, তা গোপন; তবে পূর্ববর্তী সংঘাতে মজুত দ্রুত কমে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। যদি ইরান উচ্চ হারে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ বজায় রাখা কঠিন হতে পারে—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সহায়তা ছাড়া।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ, মাঝারি ও স্বল্পপাল্লার বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তাদের ভান্ডারে রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযন্ত্র (লঞ্চার) ধ্বংস করতে পারলে হুমকি কমে আসতে পারে—এ কারণেই সেগুলো এখন প্রধান লক্ষ্যবস্তু।


অর্থনৈতিক চাপ ও আন্তর্জাতিক সমর্থন

দুই বছরের বেশি সময় ধরে গাজা ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযান ইসরায়েলের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। গোলাবারুদের ব্যয়, রিজার্ভ সেনাদের দীর্ঘ মোতায়েন এবং অবকাঠামোগত ক্ষতি—সব মিলিয়ে বাজেট ঘাটতি বেড়েছে। ক্রেডিট রেটিং সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করেন, অর্থনৈতিক সংকট একা যুদ্ধ থামাতে সক্ষম নয়। কারণ, যুদ্ধের ধারাবাহিকতা অনেকাংশে নির্ভর করছে উন্নত প্রযুক্তি ও মিত্রদের সহায়তার ওপর—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও লজিস্টিক সমর্থনের ওপর।


সব মিলিয়ে প্রশ্নটি শুধু সামরিক শক্তির নয়; এটি জনমত, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির সমন্বিত সমীকরণ।

ইসরায়েল স্বল্পমেয়াদে উচ্চমাত্রার সংঘাত সামাল দিতে সক্ষম হলেও, দীর্ঘমেয়াদে তা টেকসই হবে কি না—তা নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর:
১. আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা ও মজুত
২. যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন
৩. অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা

যুদ্ধের প্রথম ধাক্কায় সমাজ একতাবদ্ধ হতে পারে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা আরও কঠিন প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬


ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ: দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ে কতটা প্রস্তুত ইসরায়েল?

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নেতৃত্বাধীন United States দৃঢ়ভাবে দাবি করছে—দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা তাদের সামরিক বাহিনীর রয়েছে। কিন্তু Israel-এর ক্ষেত্রে বাস্তবতা ভিন্ন। গাজায় দীর্ঘ সামরিক অভিযান, LebanonSyria-এ ধারাবাহিক হামলা এবং এর আগে Iran-এর সঙ্গে সংঘাত—সব মিলিয়ে ইসরায়েলি বাহিনী ও সমাজ ইতোমধ্যেই চাপে রয়েছে। ফলে নতুন করে দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়ানো তাদের জন্য সামরিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক—তিন ক্ষেত্রেই ব্যয়বহুল হতে পারে।


টানা হামলা ও অভ্যন্তরীণ চাপ

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার পর থেকে ইসরায়েল বারবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণের মুখে পড়ছে। দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কসংকেত, স্কুল বন্ধ, হাজার হাজার রিজার্ভ সেনা তলব—সব মিলিয়ে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।

হাইফা ও তেল আবিবের মতো বড় শহরগুলো টানা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। জরুরি পরিষেবা হিমশিম খাচ্ছে। যে মাত্রার সামরিক চাপ ইসরায়েল অতীতে অন্যদের ওপর প্রয়োগ করেছে, এখন সেই মাত্রার যুদ্ধের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে নিজ দেশের সাধারণ মানুষ। বাংকার ও শেল্টারে আশ্রয় নেওয়া এখন অনেকের নিত্যদিনের বাস্তবতা।


যুদ্ধের পক্ষে জনমত ও রাজনৈতিক ঐক্য

তবে আপাতত ইসরায়েলি সমাজে যুদ্ধের প্রতি উল্লেখযোগ্য সমর্থন দেখা যাচ্ছে। বহু নাগরিক মনে করেন, তারা এমন এক শত্রুর মোকাবিলা করছেন, যাকে দীর্ঘদিন ধরে অস্তিত্বের হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কট্টর বামপন্থী কিছু অংশ বাদে প্রায় সব রাজনৈতিক দল সরকারের পাশে অবস্থান নিয়েছে।

অর্থনীতিবিদ শির হেভার মনে করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশে এক ধরনের সামরিক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এটি আগের সীমিত সংঘাতের মতো নয়; বরং এতে রয়েছে আত্মবিশ্বাস ও আক্রমণাত্মক মনোভাব। এমনকি যুদ্ধের সমালোচকেরাও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ “সংক্ষিপ্ত” রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন—যেন যুদ্ধের সময়সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা একতরফাভাবে ইসরায়েলের হাতেই।

অনেকে এই প্রবণতাকে ইসরায়েলি সমাজের ক্রমবর্ধমান ডানমুখী ও চরমপন্থী হয়ে ওঠার অংশ হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক মেরুকরণ, অর্থনৈতিক চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা-ভিত্তিক জাতীয়তাবাদ তরুণ ও মেধাবীদের দেশত্যাগে প্রভাব ফেলছে বলেও বিশ্লেষকদের মত।


সামরিক বাস্তবতা: আকাশ প্রতিরক্ষার সীমা

দীর্ঘ যুদ্ধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ইসরায়েল কত দিন বর্তমান মাত্রার আকাশ প্রতিরক্ষা বজায় রাখতে পারবে?

ইসরায়েলের তিন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে:

  • Iron Dome — স্বল্পপাল্লার রকেট প্রতিরোধে

  • David's Sling — মাঝারি পাল্লার রকেট ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে

  • Arrow 2Arrow 3 — ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিটি আগত ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে একটি করে ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করতে হয়—যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ইসরায়েলের মজুত কত, তা গোপন; তবে পূর্ববর্তী সংঘাতে মজুত দ্রুত কমে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। যদি ইরান উচ্চ হারে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ইন্টারসেপ্টর সরবরাহ বজায় রাখা কঠিন হতে পারে—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সহায়তা ছাড়া।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ, মাঝারি ও স্বল্পপাল্লার বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তাদের ভান্ডারে রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযন্ত্র (লঞ্চার) ধ্বংস করতে পারলে হুমকি কমে আসতে পারে—এ কারণেই সেগুলো এখন প্রধান লক্ষ্যবস্তু।


অর্থনৈতিক চাপ ও আন্তর্জাতিক সমর্থন

দুই বছরের বেশি সময় ধরে গাজা ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযান ইসরায়েলের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। গোলাবারুদের ব্যয়, রিজার্ভ সেনাদের দীর্ঘ মোতায়েন এবং অবকাঠামোগত ক্ষতি—সব মিলিয়ে বাজেট ঘাটতি বেড়েছে। ক্রেডিট রেটিং সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করেন, অর্থনৈতিক সংকট একা যুদ্ধ থামাতে সক্ষম নয়। কারণ, যুদ্ধের ধারাবাহিকতা অনেকাংশে নির্ভর করছে উন্নত প্রযুক্তি ও মিত্রদের সহায়তার ওপর—বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও লজিস্টিক সমর্থনের ওপর।


সব মিলিয়ে প্রশ্নটি শুধু সামরিক শক্তির নয়; এটি জনমত, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির সমন্বিত সমীকরণ।

ইসরায়েল স্বল্পমেয়াদে উচ্চমাত্রার সংঘাত সামাল দিতে সক্ষম হলেও, দীর্ঘমেয়াদে তা টেকসই হবে কি না—তা নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর:
১. আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা ও মজুত
২. যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থন
৩. অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা

যুদ্ধের প্রথম ধাক্কায় সমাজ একতাবদ্ধ হতে পারে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা আরও কঠিন প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর