দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সীমান্ত বাহিনী আর ও  আধুনিক ও সুসহত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

সীমান্ত বাহিনী আর ও আধুনিক ও সুসহত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

ফরমাল: বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান।

"পিলখানা ট্র্যাজেডির নেপথ্য কুশীলবদের উদ্দেশ্য এখন স্পষ্ট: প্রধানমন্ত্রী"

সরাসরি কৃষকের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা

র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ও স্ত্রীর ১০ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

সীমান্ত বাহিনী আর ও আধুনিক ও সুসহত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

সীমান্ত বাহিনী আর ও  আধুনিক ও সুসহত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার আজ দেশ পরিচালনা করছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী ও সুসংহত করা হবে। তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতা বজায় রেখে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) 'জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬' উপলক্ষে পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: গভীর শ্রদ্ধা ও শোক

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতির ইতিহাসের এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন বীর শহীদ হয়েছেন। এটি আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত, যা ১৭ বছর পরেও সমানে বয়ে চলেছে। শহীদ পরিবারগুলো গত ১৭ বছর ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বিচার না পাওয়ার যে নিদারুণ যন্ত্রণা ভোগ করেছে, তা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি।"

তিনি আরও বলেন, পিলখানার এই নির্মম ঘটনা ছিল আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব নস্যাতের একটি অপপ্রয়াস। এই ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সীমান্ত বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সংস্কার

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার সময় তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা গৌরবময় ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানই এই বাহিনীকে সামরিক কায়দায় পুনর্গঠিত ও আধুনিকায়নের কাজ শুরু করেছিলেন।

তিনি বলেন, "বর্তমান সরকার বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত বাহিনীকে উন্নত প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হবে যাতে তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হয়।"

শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডিতে শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য সরকার স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণআন্দোলন এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সকল ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


সীমান্ত বাহিনী আর ও আধুনিক ও সুসহত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার আজ দেশ পরিচালনা করছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী ও সুসংহত করা হবে। তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতা বজায় রেখে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) 'জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬' উপলক্ষে পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর: গভীর শ্রদ্ধা ও শোক

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতির ইতিহাসের এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন বীর শহীদ হয়েছেন। এটি আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত, যা ১৭ বছর পরেও সমানে বয়ে চলেছে। শহীদ পরিবারগুলো গত ১৭ বছর ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বিচার না পাওয়ার যে নিদারুণ যন্ত্রণা ভোগ করেছে, তা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি।"

তিনি আরও বলেন, পিলখানার এই নির্মম ঘটনা ছিল আমাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব নস্যাতের একটি অপপ্রয়াস। এই ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সীমান্ত বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সংস্কার

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার সময় তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা গৌরবময় ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানই এই বাহিনীকে সামরিক কায়দায় পুনর্গঠিত ও আধুনিকায়নের কাজ শুরু করেছিলেন।

তিনি বলেন, "বর্তমান সরকার বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত বাহিনীকে উন্নত প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হবে যাতে তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হয়।"

শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পিলখানা ট্র্যাজেডিতে শাহাদাতবরণকারী সদস্যদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য সরকার স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণআন্দোলন এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সকল ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর