নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের পছন্দের লোক বসানো একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। এর আগে সকালে তাজুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়ে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয় বিএনপি সরকার।
দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর তাজুল ইসলাম নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন:
"আমার প্রথম রিঅ্যাকশন হচ্ছে, আমি নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে স্বাগতম জানাই। তার প্রতি আমার শুভকামনা থাকবে। তিনি যেন আমাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত দায়িত্বগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারেন।"
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিচার প্রক্রিয়ার শুরুতে ট্রাইব্যুনালের নাজুক অবস্থার কথা স্মরণ করেন তিনি। তাজুল ইসলাম বলেন, "আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ছিল এবং টিনশেডে কার্যক্রম চলছিল। আগের প্রসিকিউশনের লোকজন সব অগোছালো রেখে পালিয়ে গিয়েছিলেন। নথিপত্র ও বইপত্র বৃষ্টিতে ভিজছিল। এমন একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম।"
সরকারের পক্ষ থেকে পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, তাকে গতকালই বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, "আমি নিজে থেকে জানতে চেয়েছিলাম পদত্যাগ করব কি না। কিন্তু সরকার বলেছে তার প্রয়োজন নেই। কারণ এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রিপ্লেসমেন্ট। পদত্যাগ করলে ভিন্ন বার্তা যেতে পারত, যা আমি চাইনি।"
প্রেক্ষাপট: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার বিচারের লক্ষ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ‘আমার বাংলাদেশ’ (এবি) পার্টির নেতা অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। আজ সকালে আইন মন্ত্রণালয় থেকে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের পছন্দের লোক বসানো একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। এর আগে সকালে তাজুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়ে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয় বিএনপি সরকার।
দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর তাজুল ইসলাম নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন:
"আমার প্রথম রিঅ্যাকশন হচ্ছে, আমি নতুন চিফ প্রসিকিউটরকে স্বাগতম জানাই। তার প্রতি আমার শুভকামনা থাকবে। তিনি যেন আমাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত দায়িত্বগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারেন।"
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিচার প্রক্রিয়ার শুরুতে ট্রাইব্যুনালের নাজুক অবস্থার কথা স্মরণ করেন তিনি। তাজুল ইসলাম বলেন, "আমি যখন দায়িত্ব নিই, তখন মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ছিল এবং টিনশেডে কার্যক্রম চলছিল। আগের প্রসিকিউশনের লোকজন সব অগোছালো রেখে পালিয়ে গিয়েছিলেন। নথিপত্র ও বইপত্র বৃষ্টিতে ভিজছিল। এমন একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম।"
সরকারের পক্ষ থেকে পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, তাকে গতকালই বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, "আমি নিজে থেকে জানতে চেয়েছিলাম পদত্যাগ করব কি না। কিন্তু সরকার বলেছে তার প্রয়োজন নেই। কারণ এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রিপ্লেসমেন্ট। পদত্যাগ করলে ভিন্ন বার্তা যেতে পারত, যা আমি চাইনি।"
প্রেক্ষাপট: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার বিচারের লক্ষ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ‘আমার বাংলাদেশ’ (এবি) পার্টির নেতা অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। আজ সকালে আইন মন্ত্রণালয় থেকে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন