আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ঢাকা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের সাবাহ অঙ্গরাজ্যের উপকূলে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.১। মালয়েশিয়ার এই কম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডেও ৬.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ভূমিকম্পের বিবরণ মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে মালয়েশিয়ার সাবাহ অঙ্গরাজ্যে এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাবাহর রাজধানী কোটা কিনাবলু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উত্তর-পূর্বে।
ইউএসজিএস-এর তথ্যমতে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬১৯.৮ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের অনেক গভীরে ভূমিকম্প হলে তার ধ্বংসক্ষমতা কম থাকে। ফলে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নেই সুনামির আশঙ্কা ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় অঞ্চলে সুনামির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র কোনো সতর্কতা জারি করেনি। সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কম্পনটি গভীর সমুদ্রতলে এবং অনেক গভীরে সংঘটিত হওয়ায় সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।
থাইল্যান্ডেও শক্তিশালী কম্পন মালয়েশিয়ার বোর্নিওতে ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর থাইল্যান্ডেও শক্তিশালী ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, সোমবার ভোরের দিকে থাইল্যান্ডে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬.৫। ভোরে ঘুমের মধ্যে আকস্মিক এই কম্পনে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট বোর্নিও দ্বীপটি বিশ্বের অন্যতম বড় দ্বীপ যা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেই—এই তিনটি দেশের মধ্যে বিভক্ত। সাবাহ অঙ্গরাজ্যটি এই দ্বীপের মালয়েশিয়া অংশে অবস্থিত। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলটি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায় সাবাহর পাশাপাশি আশেপাশের দ্বীপাঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট।

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ঢাকা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের সাবাহ অঙ্গরাজ্যের উপকূলে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.১। মালয়েশিয়ার এই কম্পনের রেশ কাটতে না কাটতেই পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডেও ৬.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ভূমিকম্পের বিবরণ মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে মালয়েশিয়ার সাবাহ অঙ্গরাজ্যে এই কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাবাহর রাজধানী কোটা কিনাবলু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উত্তর-পূর্বে।
ইউএসজিএস-এর তথ্যমতে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬১৯.৮ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের অনেক গভীরে ভূমিকম্প হলে তার ধ্বংসক্ষমতা কম থাকে। ফলে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নেই সুনামির আশঙ্কা ভূমিকম্পের পরপরই উপকূলীয় অঞ্চলে সুনামির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র কোনো সতর্কতা জারি করেনি। সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কম্পনটি গভীর সমুদ্রতলে এবং অনেক গভীরে সংঘটিত হওয়ায় সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।
থাইল্যান্ডেও শক্তিশালী কম্পন মালয়েশিয়ার বোর্নিওতে ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পর থাইল্যান্ডেও শক্তিশালী ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, সোমবার ভোরের দিকে থাইল্যান্ডে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬.৫। ভোরে ঘুমের মধ্যে আকস্মিক এই কম্পনে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভৌগোলিক প্রেক্ষাপট বোর্নিও দ্বীপটি বিশ্বের অন্যতম বড় দ্বীপ যা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেই—এই তিনটি দেশের মধ্যে বিভক্ত। সাবাহ অঙ্গরাজ্যটি এই দ্বীপের মালয়েশিয়া অংশে অবস্থিত। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলটি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায় সাবাহর পাশাপাশি আশেপাশের দ্বীপাঞ্চলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট।

আপনার মতামত লিখুন