নিজস্ব প্রতিবেদক, মোংলা | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সকল দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এসব চুক্তিতে যদি বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেগুলো বাতিল করা হবে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, "বিদেশের সঙ্গে আমরা বিভিন্ন সময় চুক্তি করে থাকি। তবে যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের দেশের বাণিজ্য, অর্থনীতি, জাতীয় স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব সবার আগে প্রাধান্য পাবে। যদি কোনো চুক্তি দেশের স্বার্থ রক্ষা করে, তবেই তা রাখা হবে।"
তিনি আরও জানান যে, চুক্তি বাতিলের প্রয়োজন হলে তা হুট করে নয়, বরং যথাযথ নিয়ম ও আইনি প্রক্রিয়া মেনেই করা হবে। বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করেছে।
মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "এই বন্দরের অনেক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা বিগত সময়ে পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। আমরা এখন এই বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করতে চাই যাতে দেশের অর্থনীতিতে এটি আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।"
এর আগে মন্ত্রী বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন:
ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, চেয়ারম্যান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, মোংলা | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সকল দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, এসব চুক্তিতে যদি বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেগুলো বাতিল করা হবে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, "বিদেশের সঙ্গে আমরা বিভিন্ন সময় চুক্তি করে থাকি। তবে যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে আমাদের দেশের বাণিজ্য, অর্থনীতি, জাতীয় স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব সবার আগে প্রাধান্য পাবে। যদি কোনো চুক্তি দেশের স্বার্থ রক্ষা করে, তবেই তা রাখা হবে।"
তিনি আরও জানান যে, চুক্তি বাতিলের প্রয়োজন হলে তা হুট করে নয়, বরং যথাযথ নিয়ম ও আইনি প্রক্রিয়া মেনেই করা হবে। বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করেছে।
মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "এই বন্দরের অনেক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা বিগত সময়ে পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। আমরা এখন এই বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করতে চাই যাতে দেশের অর্থনীতিতে এটি আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।"
এর আগে মন্ত্রী বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন:
ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান, চেয়ারম্যান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন