রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাত্র এক কিলোমিটার পূর্বদিকে আশকোনা কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন হাজি স্কুলের পাশ থেকে একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করেছে দক্ষিণখান থানা পুলিশ। দ্রুত ও ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে সম্ভাব্য বড় ধরনের নাশকতা থেকে রক্ষা পেয়েছে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের হাজারো মানুষ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পাওয়ার পর দক্ষিণখান থানার দায়িত্বরত এসআই কামাল তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেন। বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তিনি সহকর্মী ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ঘিরে ফেলে সাধারণ মানুষ ও হাজি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিস্ফোরকটি উদ্ধার করে। তাদের এই পেশাদার ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে বড় ধরনের প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই কামাল, আ. রহিম, নাজমুল, সামসুল সাহেব সহ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের সাহসিকতা ও দক্ষতা স্থানীয় জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এলাকাবাসীর অনেকেই বলেন,
“খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমাটি উদ্ধার না করলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। আমরা দক্ষিণখান থানা পুলিশের প্রতি গর্বিত।”
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতার অংশ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে। দায়ীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিকটে এ ধরনের বিস্ফোরক পাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপই বড় বিপর্যয় ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনার পর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে জনসাধারণকে সন্দেহজনক বস্তু দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান।

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাত্র এক কিলোমিটার পূর্বদিকে আশকোনা কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন হাজি স্কুলের পাশ থেকে একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করেছে দক্ষিণখান থানা পুলিশ। দ্রুত ও ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে সম্ভাব্য বড় ধরনের নাশকতা থেকে রক্ষা পেয়েছে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের হাজারো মানুষ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পাওয়ার পর দক্ষিণখান থানার দায়িত্বরত এসআই কামাল তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেন। বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে তিনি সহকর্মী ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ঘিরে ফেলে সাধারণ মানুষ ও হাজি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিস্ফোরকটি উদ্ধার করে। তাদের এই পেশাদার ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে বড় ধরনের প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই কামাল, আ. রহিম, নাজমুল, সামসুল সাহেব সহ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের সাহসিকতা ও দক্ষতা স্থানীয় জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এলাকাবাসীর অনেকেই বলেন,
“খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমাটি উদ্ধার না করলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। আমরা দক্ষিণখান থানা পুলিশের প্রতি গর্বিত।”
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতার অংশ হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে। দায়ীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিকটে এ ধরনের বিস্ফোরক পাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপই বড় বিপর্যয় ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনার পর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে জনসাধারণকে সন্দেহজনক বস্তু দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান।

আপনার মতামত লিখুন