গুলশান-বনানী-টিএন্ডটি-কড়াইল বস্তিতে চাঁদাবাজির দাপট: ক্ষমতা বদলেছে, দখলদার বদলায়নি
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, টিএন্ডটি কলোনি এবং কড়াইল বস্তি—এই পুরো অঞ্চলে গত ১৬ বছর ধরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক বলয়ের নেতাকর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে তারা মার্কেট বসিয়ে চাঁদাবাজি, ঘর দখল, ঘর কেনাবেচায় কমিশন বাণিজ্য, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, পানি ও বিদ্যুৎ খাতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।সরকারি চাকরি, কিন্তু বাণিজ্যে দাপট!অভিযোগের তীর এখন বিটিসিএল-এর এক সরকারি কর্মচারী মোঃ ইমান আলীর দিকে। তিনি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড-এর কর্মকর্তা হয়েও এলাকায় গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত—এমন অভিযোগ উঠেছে।
অবৈধ গ্যারেজ ও সংযোগ বাণিজ্য
আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জায়গায় একাধিক গ্যারেজ গড়ে তুলে সেখানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে অটো গাড়ি চার্জ করানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিটিসিএল-এর কর্মকর্তাদের ‘নাকের ডগায়’ এসব অনিয়ম চললেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।অবৈধ গ্যাস সংযোগে ঝুঁকির মুখে জনজীবন
কেন তার বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?
কেন ক্ষমতা বদলালেও বস্তিবাসীর ভাগ্য বদলায় না?
নইলে প্রশ্ন থেকেই যাবে— আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি প্রভাবশালীদের জন্য আলাদা?

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গুলশান-বনানী-টিএন্ডটি-কড়াইল বস্তিতে চাঁদাবাজির দাপট: ক্ষমতা বদলেছে, দখলদার বদলায়নি
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, টিএন্ডটি কলোনি এবং কড়াইল বস্তি—এই পুরো অঞ্চলে গত ১৬ বছর ধরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক বলয়ের নেতাকর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে তারা মার্কেট বসিয়ে চাঁদাবাজি, ঘর দখল, ঘর কেনাবেচায় কমিশন বাণিজ্য, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, পানি ও বিদ্যুৎ খাতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।সরকারি চাকরি, কিন্তু বাণিজ্যে দাপট!অভিযোগের তীর এখন বিটিসিএল-এর এক সরকারি কর্মচারী মোঃ ইমান আলীর দিকে। তিনি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড-এর কর্মকর্তা হয়েও এলাকায় গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত—এমন অভিযোগ উঠেছে।
অবৈধ গ্যারেজ ও সংযোগ বাণিজ্য
আরও অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জায়গায় একাধিক গ্যারেজ গড়ে তুলে সেখানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে অটো গাড়ি চার্জ করানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিটিসিএল-এর কর্মকর্তাদের ‘নাকের ডগায়’ এসব অনিয়ম চললেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।অবৈধ গ্যাস সংযোগে ঝুঁকির মুখে জনজীবন
কেন তার বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?
কেন ক্ষমতা বদলালেও বস্তিবাসীর ভাগ্য বদলায় না?
নইলে প্রশ্ন থেকেই যাবে— আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি প্রভাবশালীদের জন্য আলাদা?

আপনার মতামত লিখুন