নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল হিসেবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত হচ্ছে এই মেগা ইভেন্ট, যেখানে শপথ নেবেন নতুন সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা।
শপথের সময়সূচি আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেলে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের (মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। দেশি-বিদেশি এক হাজারের বেশি আমন্ত্রিত অতিথি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন।
নিরাপত্তার চার স্তর ও ১৫ হাজার সদস্য ঐতিহাসিক এই শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদ ভবন ও এর আশপাশে গড়ে তোলা হয়েছে দুর্ভেদ্য নিরাপত্তা দুর্গ। পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির প্রায় ১৫ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো এলাকায় কার্যকর থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট (SWAT), বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং র্যাবের বিশেষায়িত দলগুলো সার্বক্ষণিক ‘স্ট্যান্ডবাই’ থাকবে।
সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ইতিমধ্যেই দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে কয়েক দফা ‘সুইপিং’ সম্পন্ন করা হয়েছে। সংসদ ভবনের প্রতিটি প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নিয়েছেন সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকাকে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং করা হচ্ছে।
ভিআইপি প্রোটোকল ও রুট নিরাপত্তা ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিজ নিজ বাসভবন থেকে রওনা হওয়ার পর থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন। তাদের যাতায়াতের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত প্রোটোকল গাড়ি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, "মন্ত্রীদের আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে রুট এবং সংসদ ভবনের চারপাশে সর্বোচ্চ সতর্কতা থাকবে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা না থাকলেও আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি।"
নিউজ হাইলাইটস:
ভেন্যু: জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা।
সময়: মঙ্গলবার সকাল (এমপিদের শপথ) ও বিকাল (মন্ত্রিসভার শপথ)।
অতিথি: ১০০০+ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি।
নিরাপত্তা বাহিনী: পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবি (১৫,০০০ সদস্য)

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল হিসেবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত হচ্ছে এই মেগা ইভেন্ট, যেখানে শপথ নেবেন নতুন সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা।
শপথের সময়সূচি আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেলে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের (মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। দেশি-বিদেশি এক হাজারের বেশি আমন্ত্রিত অতিথি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন।
নিরাপত্তার চার স্তর ও ১৫ হাজার সদস্য ঐতিহাসিক এই শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে সংসদ ভবন ও এর আশপাশে গড়ে তোলা হয়েছে দুর্ভেদ্য নিরাপত্তা দুর্গ। পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির প্রায় ১৫ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো এলাকায় কার্যকর থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট (SWAT), বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং র্যাবের বিশেষায়িত দলগুলো সার্বক্ষণিক ‘স্ট্যান্ডবাই’ থাকবে।
সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ইতিমধ্যেই দক্ষিণ প্লাজাজুড়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে কয়েক দফা ‘সুইপিং’ সম্পন্ন করা হয়েছে। সংসদ ভবনের প্রতিটি প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নিয়েছেন সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকাকে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং করা হচ্ছে।
ভিআইপি প্রোটোকল ও রুট নিরাপত্তা ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিজ নিজ বাসভবন থেকে রওনা হওয়ার পর থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন। তাদের যাতায়াতের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে অর্ধশত প্রোটোকল গাড়ি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, "মন্ত্রীদের আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে রুট এবং সংসদ ভবনের চারপাশে সর্বোচ্চ সতর্কতা থাকবে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো ধরনের নাশকতার শঙ্কা না থাকলেও আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি।"
নিউজ হাইলাইটস:
ভেন্যু: জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা।
সময়: মঙ্গলবার সকাল (এমপিদের শপথ) ও বিকাল (মন্ত্রিসভার শপথ)।
অতিথি: ১০০০+ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি।
নিরাপত্তা বাহিনী: পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবি (১৫,০০০ সদস্য)

আপনার মতামত লিখুন