ঢাকা, শনিবার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিপুল ভোটে জয়ী করায় দেশবাসীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিজয়কে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেন।
তারেক রহমান বলেন, "এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের। আজ থেকে আমরা স্বাধীন।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা দিয়েছেন:
ঐক্যই শক্তি: "জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা।" দেশের স্বার্থে মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিহিংসার অবসান: নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে সৃষ্টি হওয়া কোনো ভুল বুঝাবুঝি যেন প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধে রূপ না নেয়, সেদিকে কঠোর সতর্কবার্তা দেন তিনি।
দুর্বলের সুরক্ষা: তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। কোনো ধরনের সহিংসতায় অংশ নেওয়া যাবে না।"
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ: একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নির্বাচন কমিশনের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।
অন্যান্য দলকে সাধুবাদ: নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলনসহ সকল রাজনৈতিক দলকে তিনি অভিনন্দন জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেন যে, তারেক রহমানই হচ্ছেন দেশের ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি আরও যোগ করেন, এই বিজয় প্রমাণ করেছে যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ১৮ কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মূল বার্তা: ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে কাজ করা এবং সব ধরনের সহিংসতা পরিহার করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, শনিবার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিপুল ভোটে জয়ী করায় দেশবাসীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিজয়কে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় হিসেবে অভিহিত করেন।
তারেক রহমান বলেন, "এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের। আজ থেকে আমরা স্বাধীন।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বার্তা দিয়েছেন:
ঐক্যই শক্তি: "জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা।" দেশের স্বার্থে মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিহিংসার অবসান: নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে সৃষ্টি হওয়া কোনো ভুল বুঝাবুঝি যেন প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধে রূপ না নেয়, সেদিকে কঠোর সতর্কবার্তা দেন তিনি।
দুর্বলের সুরক্ষা: তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, "দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। কোনো ধরনের সহিংসতায় অংশ নেওয়া যাবে না।"
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ: একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নির্বাচন কমিশনের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।
অন্যান্য দলকে সাধুবাদ: নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলনসহ সকল রাজনৈতিক দলকে তিনি অভিনন্দন জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেন যে, তারেক রহমানই হচ্ছেন দেশের ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি আরও যোগ করেন, এই বিজয় প্রমাণ করেছে যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের ১৮ কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মূল বার্তা: ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থে কাজ করা এবং সব ধরনের সহিংসতা পরিহার করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া।

আপনার মতামত লিখুন