দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

১২ মার্চ বেলা ১১টায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

"শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন: পছন্দের জনবল নিয়োগকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে সরকার।

মালয়েশিয়ায় ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প: জারি হতে পারে সুনামির সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক নিয়ে কাটছে না অনিশ্চয়তা

মাহফিল শেষে ফেরার পথে আল্লামা ওয়ালীউল্লাহ আশেকী হুজুরের গাড়ি আটকে ডাকাতির চেষ্টা, প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা

মাহফিল শেষে ফেরার পথে আল্লামা ওয়ালীউল্লাহ আশেকী হুজুরের গাড়ি আটকে ডাকাতির চেষ্টা, প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা

পীরে ত্বরিকত আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ আশেকী (হুজুর)-এর গাড়ি আটকে ডাকাতির চেষ্টা: দেশব্যাপী নিরাপত্তাহীনতার আরেক উদ্বেগজনক চিত্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউরা উপজেলার বনগজ এলাকা থেকে মাহফিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে পীরে ত্বরিকত আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ আশেকী (হুজুর)-এর বহরকে লক্ষ্য করে ডাকাত দলের হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহফিল শেষে ফেরার পথে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হুজুরের বহরের গাড়ি গতিরোধ করে। তবে ডাকাত দলের সদস্যরা হুজুরকে সনাক্ত করার পর কোনো প্রকার ডাকাতি বা সহিংসতায় না জড়িয়ে উল্টো সম্মান প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। হুজুরের সঙ্গে থাকা খাদেম ও সফরসঙ্গীদের প্রতিও তারা কোনো ধরনের শারীরিক ক্ষতি করেনি।

যদিও এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা সরাসরি সহিংসতা ঘটেনি, তবুও একটি সম্মানিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের গাড়ি রাস্তায় আটকে দেওয়ার মতো ঘটনা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এ ঘটনার পরদিন সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী ডাকাত দলের একজন সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং পূর্বে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সিকারোক্তিমূলক তথ্য প্রদান করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি পেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। ফলে সাধারণ মানুষ, ধর্মীয় আলেম-ওলামা এমনকি সম্মানিত ব্যক্তিরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সচেতন নাগরিকদের মতে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি উদ্বেগজনক প্রতিচ্ছবি। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ, নিয়মিত টহল ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


মাহফিল শেষে ফেরার পথে আল্লামা ওয়ালীউল্লাহ আশেকী হুজুরের গাড়ি আটকে ডাকাতির চেষ্টা, প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পীরে ত্বরিকত আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ আশেকী (হুজুর)-এর গাড়ি আটকে ডাকাতির চেষ্টা: দেশব্যাপী নিরাপত্তাহীনতার আরেক উদ্বেগজনক চিত্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউরা উপজেলার বনগজ এলাকা থেকে মাহফিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে পীরে ত্বরিকত আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ আশেকী (হুজুর)-এর বহরকে লক্ষ্য করে ডাকাত দলের হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহফিল শেষে ফেরার পথে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হুজুরের বহরের গাড়ি গতিরোধ করে। তবে ডাকাত দলের সদস্যরা হুজুরকে সনাক্ত করার পর কোনো প্রকার ডাকাতি বা সহিংসতায় না জড়িয়ে উল্টো সম্মান প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। হুজুরের সঙ্গে থাকা খাদেম ও সফরসঙ্গীদের প্রতিও তারা কোনো ধরনের শারীরিক ক্ষতি করেনি।

যদিও এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা সরাসরি সহিংসতা ঘটেনি, তবুও একটি সম্মানিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের গাড়ি রাস্তায় আটকে দেওয়ার মতো ঘটনা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এ ঘটনার পরদিন সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী ডাকাত দলের একজন সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং পূর্বে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সিকারোক্তিমূলক তথ্য প্রদান করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি পেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। ফলে সাধারণ মানুষ, ধর্মীয় আলেম-ওলামা এমনকি সম্মানিত ব্যক্তিরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সচেতন নাগরিকদের মতে, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি উদ্বেগজনক প্রতিচ্ছবি। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ, নিয়মিত টহল ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর