দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

সরাসরি কৃষকের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা

সরাসরি কৃষকের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভা

র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ও স্ত্রীর ১০ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪: কুমিল্লার একই পরিবারের সদস্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

১২ মার্চ বেলা ১১টায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বিতর্কের জেরে নাজমুলকে দায়িত্বমুক্ত করছে বিসিবি

বিতর্কের জেরে নাজমুলকে দায়িত্বমুক্ত করছে বিসিবি

বিস্ফোরক ও বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তার পদত্যাগের দাবিতে সব ধরনের খেলা বর্জনের ডাক দেয় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। ক্রিকেটারদের এই অবস্থানের প্রেক্ষিতে শেষ পর্যন্ত বিসিবি তাকে অর্থ কমিটির প্রধানসহ বোর্ডের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিসিবির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের তীব্র আপত্তি এবং কোয়াবের আল্টিমেটামের পর জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। নাজমুল ইসলামের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো ক্রিকেটারদের জন্য সম্মানহানিকর ও পেশাদারিত্ববিরোধী বলে বিবেচিত হওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনো পরিচালককে সরাসরি পদ থেকে অপসারণের সুযোগ সীমিত। মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, আর্থিকভাবে দেউলিয়া হওয়া, পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা অথবা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ—এই ছয়টি কারণ ছাড়া কোনো পরিচালকের পদ শূন্য হয় না। নাজমুল ইসলামের ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচটি শর্ত প্রযোজ্য না হওয়ায়, তার নিজ থেকে পদত্যাগই স্থায়ী সমাধান হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

সম্প্রতি নাজমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল অংশ না নিলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না, বরং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন খেলোয়াড়রাই। এছাড়া কোটি কোটি টাকা খরচের দায় খেলোয়াড়দের ওপর চাপানো এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে আখ্যা দেওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

এই ঘটনার পর কোয়াব সরাসরি নাজমুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না এলে বিপিএলের ম্যাচ বর্জনের আল্টিমেটাম দেয়। এমনকি ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময়েই সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয় কোয়াব, যা খেলা মাঠে না গড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গভীর রাতে বিসিবি ও কোয়াব নেতাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে কোনো চূড়ান্ত সমাধান আসেনি। শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের দৃঢ় অবস্থান ও লিগের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে ফিন্যান্স কমিটিসহ বোর্ডের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


বিতর্কের জেরে নাজমুলকে দায়িত্বমুক্ত করছে বিসিবি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বিস্ফোরক ও বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তার পদত্যাগের দাবিতে সব ধরনের খেলা বর্জনের ডাক দেয় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। ক্রিকেটারদের এই অবস্থানের প্রেক্ষিতে শেষ পর্যন্ত বিসিবি তাকে অর্থ কমিটির প্রধানসহ বোর্ডের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিসিবির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের তীব্র আপত্তি এবং কোয়াবের আল্টিমেটামের পর জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। নাজমুল ইসলামের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো ক্রিকেটারদের জন্য সম্মানহানিকর ও পেশাদারিত্ববিরোধী বলে বিবেচিত হওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনো পরিচালককে সরাসরি পদ থেকে অপসারণের সুযোগ সীমিত। মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, আর্থিকভাবে দেউলিয়া হওয়া, পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা অথবা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ—এই ছয়টি কারণ ছাড়া কোনো পরিচালকের পদ শূন্য হয় না। নাজমুল ইসলামের ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচটি শর্ত প্রযোজ্য না হওয়ায়, তার নিজ থেকে পদত্যাগই স্থায়ী সমাধান হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

সম্প্রতি নাজমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল অংশ না নিলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না, বরং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন খেলোয়াড়রাই। এছাড়া কোটি কোটি টাকা খরচের দায় খেলোয়াড়দের ওপর চাপানো এবং সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভারতীয় দালাল’ বলে আখ্যা দেওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

এই ঘটনার পর কোয়াব সরাসরি নাজমুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাধান না এলে বিপিএলের ম্যাচ বর্জনের আল্টিমেটাম দেয়। এমনকি ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময়েই সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেয় কোয়াব, যা খেলা মাঠে না গড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গভীর রাতে বিসিবি ও কোয়াব নেতাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে কোনো চূড়ান্ত সমাধান আসেনি। শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের দৃঢ় অবস্থান ও লিগের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে বিসিবি এম নাজমুল ইসলামকে ফিন্যান্স কমিটিসহ বোর্ডের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর