রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান তাঁর স্ট্যাটাসে বলেন, ‘এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর।’
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যরাতে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে হামলা চালান। পরে সেখানে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয় এবং কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাস্থলে একটি ‘রহস্যজনক’ সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন জামায়াত আমির।
ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে, তা খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
শফিকুর রহমানের বক্তব্য, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছে, অন্যদিকে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
হামলাকারীর সংখ্যা, হামলার ধরন ও ঘটনার পেছনে কারা জড়িত—এসব বিষয়ে প্রতিবেদনে শফিকুর রহমানের বক্তব্যই তুলে ধরা হয়েছে; এগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান তাঁর স্ট্যাটাসে বলেন, ‘এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর।’
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মধ্যরাতে মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটিতে হামলা চালান। পরে সেখানে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয় এবং কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাস্থলে একটি ‘রহস্যজনক’ সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেন জামায়াত আমির।
ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে, তা খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
শফিকুর রহমানের বক্তব্য, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করছে, অন্যদিকে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রেই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
হামলাকারীর সংখ্যা, হামলার ধরন ও ঘটনার পেছনে কারা জড়িত—এসব বিষয়ে প্রতিবেদনে শফিকুর রহমানের বক্তব্যই তুলে ধরা হয়েছে; এগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন