রাজধানীর আশকোনা এলাকায় নকশা বহির্ভূত ভবনে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নকশা বহির্ভূত ভবনের অবৈধভাবে করা ৮ম তলা অপসারণসহ জরিমানা করা হয়। ভবন মালিকদের জরিমানা করেন অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বোধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে ৪৯২/১,মেডিকেল রোডের মাত্র ৬ফুট রাস্তায় সম্পুর্ণ অবৈধভাবে তৈরি করা ৮ম তলার বাড়িতে রাজউক এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
উচ্ছেদ অভিযানকারী রাজউকের কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য করার জন্য রাজউক কাজ করে যাচ্ছে। নকশা বহির্ভূত বহুতল ভবনের আংশিক অপসারণসহ তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত ভবনে জরিমানা করাসহ ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা হয়। বাকী অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে অপসারণ করবেন মর্মে মুচলেকা দেন ভবন মালিকপক্ষ।
রাজউকের পক্ষ থেকে আরও বলেন, রাজউকের নকশা বহির্ভূত বিল্ডিং তুলতে যেন না পারে তার জন্য রাজউকের এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া।
স্থানীয় লোকজন সাংবাদিককে জানান, উক্ত বহুতল ভবনের মালিকরা (০১) রুহুল আমিন, পেশাদার প্রতারক (০২) নজরুল মিয়া বিমানবন্দরে সিএন্ডএফ এ চাকুরি(০৩) রুকনুজ্জামান বর্তমানে অফিসার ইনচার্জ, ফুলবাড়িয়া থানা,ময়মনসিংহ (০৪) সেলিম হোসেন খান, প্রাণ আরএফএল গ্রুপে কর্মরত অবস্থায় এবং আরও কয়েকজন মিলে যৌথভাবে ভবনটি ২০২১ সনে কাজ শুরু করে ৭ম তলা পর্যন্ত সম্পুর্ণ করে বসবাস শুরু করে। বর্তমানে অবৈধভাবে ৮ম তলা করায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। আশেপাশের প্লট মালিকরা সবাই মিলে রাজউকে অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগের পর রাজউকের কর্মকর্তা সোহেল রানা ভবন মালিকদের অবৈধভাবে ৮ম তলার কাজ বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেন কিন্তু তারপরও ভবন মালিকরা ক্ষমতার দাপটে কাজ চলমান রাখেন। ভবনের কাজের সময় পাশের প্লটের আবুল কালাম আজাদ এর বাড়িতে নির্মাণ সামগ্রী নিচে পড়ে ঘরের চাল ক্ষতি হওয়ায় প্রতিকার চাইতে গেলে ভবন মালিকের একজন রুহুল আমিন চরম অপমান করে থাকেন।
নকশা বহির্ভূত ভবনে নিয়মিত এই অভিযান পরিচালনা করলে আর এভাবে কেউ নিয়মের বাইরে ভবন নির্মাণ করবে না।
উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রাজউক জোন- ২ এর পক্ষে অথরাইজড অফিসার , সহকারী অথরাইজড , প্রধান ইমারত পরিদর্শকসহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ভবন মালিকদের যেহেতু ভবনে প্রবেশের রেজিষ্ট্রিকৃত কোন রাস্তা নেই, তাই দাম্ভিকতার সাথে নকশা বহির্ভূত অবৈধভাবে ৮ম তলার কাজ যেন আর না করতে পারে। উচ্ছেদ অভিযানের কিছুক্ষণের মধ্যে ভবনের বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ পূর্নরায় সংযোগ দেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৫
রাজধানীর আশকোনা এলাকায় নকশা বহির্ভূত ভবনে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নকশা বহির্ভূত ভবনের অবৈধভাবে করা ৮ম তলা অপসারণসহ জরিমানা করা হয়। ভবন মালিকদের জরিমানা করেন অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বোধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে ৪৯২/১,মেডিকেল রোডের মাত্র ৬ফুট রাস্তায় সম্পুর্ণ অবৈধভাবে তৈরি করা ৮ম তলার বাড়িতে রাজউক এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
উচ্ছেদ অভিযানকারী রাজউকের কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য করার জন্য রাজউক কাজ করে যাচ্ছে। নকশা বহির্ভূত বহুতল ভবনের আংশিক অপসারণসহ তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত ভবনে জরিমানা করাসহ ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা হয়। বাকী অংশ নিজ উদ্যোগে ভেঙে অপসারণ করবেন মর্মে মুচলেকা দেন ভবন মালিকপক্ষ।
রাজউকের পক্ষ থেকে আরও বলেন, রাজউকের নকশা বহির্ভূত বিল্ডিং তুলতে যেন না পারে তার জন্য রাজউকের এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া।
স্থানীয় লোকজন সাংবাদিককে জানান, উক্ত বহুতল ভবনের মালিকরা (০১) রুহুল আমিন, পেশাদার প্রতারক (০২) নজরুল মিয়া বিমানবন্দরে সিএন্ডএফ এ চাকুরি(০৩) রুকনুজ্জামান বর্তমানে অফিসার ইনচার্জ, ফুলবাড়িয়া থানা,ময়মনসিংহ (০৪) সেলিম হোসেন খান, প্রাণ আরএফএল গ্রুপে কর্মরত অবস্থায় এবং আরও কয়েকজন মিলে যৌথভাবে ভবনটি ২০২১ সনে কাজ শুরু করে ৭ম তলা পর্যন্ত সম্পুর্ণ করে বসবাস শুরু করে। বর্তমানে অবৈধভাবে ৮ম তলা করায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। আশেপাশের প্লট মালিকরা সবাই মিলে রাজউকে অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগের পর রাজউকের কর্মকর্তা সোহেল রানা ভবন মালিকদের অবৈধভাবে ৮ম তলার কাজ বন্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেন কিন্তু তারপরও ভবন মালিকরা ক্ষমতার দাপটে কাজ চলমান রাখেন। ভবনের কাজের সময় পাশের প্লটের আবুল কালাম আজাদ এর বাড়িতে নির্মাণ সামগ্রী নিচে পড়ে ঘরের চাল ক্ষতি হওয়ায় প্রতিকার চাইতে গেলে ভবন মালিকের একজন রুহুল আমিন চরম অপমান করে থাকেন।
নকশা বহির্ভূত ভবনে নিয়মিত এই অভিযান পরিচালনা করলে আর এভাবে কেউ নিয়মের বাইরে ভবন নির্মাণ করবে না।
উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন রাজউক জোন- ২ এর পক্ষে অথরাইজড অফিসার , সহকারী অথরাইজড , প্রধান ইমারত পরিদর্শকসহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ভবন মালিকদের যেহেতু ভবনে প্রবেশের রেজিষ্ট্রিকৃত কোন রাস্তা নেই, তাই দাম্ভিকতার সাথে নকশা বহির্ভূত অবৈধভাবে ৮ম তলার কাজ যেন আর না করতে পারে। উচ্ছেদ অভিযানের কিছুক্ষণের মধ্যে ভবনের বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ পূর্নরায় সংযোগ দেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন