দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

  • photo-stories ফটো স্টোরি

জাতীয়

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পিএম
পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

বনানী যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ লিটনের খপ্পরে নিঃস্ব বিধবা নারী রেশমি :থানায় অভিযোগ

বনানী ১৯ নং ওয়ার্ডে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: আহ্বায়ক কবির হোসেনের হুঁশিয়ারি

কোতোয়ালি থানায় নারী নির্যাতন, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

আশকোনায় বোমা উদ্ধার: দক্ষিণখান থানার তৎপরতায় রক্ষা পেল হাজারো প্রাণ

টিএনটি-বিটিসিএল কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দী কলেজে ইফতার মাহফিল, নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা ২০২৬ অনুষ্ঠিত

সব লড়াইয়ের অবসান, চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

১০

বনানীতে শারমীন শিলার কুকর্ম সীমাহীন মুল টার্গেট শিল্পপতি ব্যবসায়ী!!!

জনপ্রিয় সব খবর

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

সংসদে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই পাস: সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল, ওয়াকআউট বিরোধীদের

হংকং চায়নার বিপক্ষে ৪-৪ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া—এটা শুধু জয় না, মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ।

হংকং চায়নার বিপক্ষে ৪-৪ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া—এটা শুধু জয় না, মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ।

ফতুল্লায় ঝুট ব্যবসা দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা: প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

১০

ভারতে ধরা দুই খুনি দেশে ফিরছে! ওসমান হাদি হত্যা মামলায় বড় অগ্রগতি, দিল্লি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ সব খবর

সারাদেশ

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

“কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি লোপাট: অভিযুক্তদের বাঁচাতে ‘প্রকল্প বন্ধের চক্রান্ত’!”

কৃষির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া বৃহৎ সরকারি প্রকল্প—কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কর্মসূচিতে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রকল্পের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জানা গেছে, বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে অন্তত ৫১৭ কোটি টাকার ভর্তুকি আত্মসাৎ করা হয়েছে। অথচ বিস্ময়করভাবে এখনো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং একটি প্রভাবশালী মহল তাদের রক্ষায় সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, ১৩টি প্রতিষ্ঠান ৮৫০টি কম্বাইন হারভেস্টর যন্ত্রের বিপরীতে একাধিকবার বিল তুলেছে। আরও ৯৭১টি যন্ত্রের নামে ভর্তুকি নেওয়া হয়েছে, যেগুলোর বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই। অর্থাৎ, কাগজে-কলমে যন্ত্র দেখিয়ে শত শত কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি অনিয়ম করেছে: বাংলামার্ক করপোরেশন – আমদানির চেয়ে ৭৩২টি বেশি যন্ত্র দেখিয়ে বিল উত্তোলন এসকিউ ট্রেডিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং – ৫৮৩টি বেশি যন্ত্র দেখানো এছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শতাধিক ভুয়া যন্ত্র দেখিয়ে ভর্তুকি নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনিয়মকারীদের আড়াল করতেই প্রকল্পটি বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সাম্প্রতিক সভায় প্রকল্পটি বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে। অথচ প্রকল্পে এখনো ৫০০ কোটির বেশি টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সময়মতো সংশোধনের প্রস্তাব না দেওয়াও ছিল ‘ইচ্ছাকৃত’ বলে অভিযোগ। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকল্পের প্রায় ১০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা ৭ মাসের বেশি সময় ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না, অথচ তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এই দুর্নীতিতে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের সুবিধা দিয়েছেন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেছেন এমন সময় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যখন নিয়ম অনুযায়ী তা গ্রহণযোগ্য নয় এছাড়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা এখনো প্রকল্পটি পুনরায় চালু না হওয়ার জন্য তৎপর বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে, তারাই আবার বকেয়া বিল তুলতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে। মোট বকেয়া দাবি: ১০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এর মধ্যে একাই প্রায় ৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা দাবি করেছে বাংলামার্ক করপোরেশন কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে: প্রকল্প বন্ধ করা সমাধান নয় কারা কীভাবে ভর্তুকি আত্মসাৎ করেছে তা চিহ্নিত করা হবে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও বলেছেন, “দুর্নীতি হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি পুনরায় চালু করলে— অবশিষ্ট ৫২৮ কোটি টাকা স্বচ্ছভাবে ব্যয় করা সম্ভব ভুয়া বিলের মাধ্যমে নেওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে কৃষির উন্নয়নের নামে নেওয়া এই বড় প্রকল্প এখন দুর্নীতির এক বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকল্প বন্ধ করে দায় এড়ানো নয়—বরং স্বচ্ছ তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই এখন সময়ের দাবি। না হলে কৃষি খাতের উন্নয়ন যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি জনগণের আস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

“মাত্র ৩০০ টাকার যন্ত্রেই বাঁচবে শিশুদের প্রাণ! হামজনিত নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার কমাবে বাবল সিপ্যাপ”

দেশে চলমান হামজনিত নিউমোনিয়ায় শিশুদের শ্বাসকষ্ট মোকাবিলায় এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে স্বল্পমূল্যের শ্বাস-প্রশ্বাস সহায়ক যন্ত্র ‘বাবল সিপ্যাপ’। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এই জীবনরক্ষাকারী প্রযুক্তি দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ ও ব্যবহারে সহায়তা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো এই যন্ত্র ব্যবহার করলে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুহার প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। আইসিডিডিআর,বির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাবল কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার (বিসিপ্যাপ) পদ্ধতির ব্যবহার ইতোমধ্যে দেশের ৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুরু হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল পর্যন্ত তীব্র শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ২৯ জন শিশু এই সেবা গ্রহণ করেছে এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাওয়া গেছে। এই প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করেছেন আইসিডিডিআর,বির সিনিয়র সায়েন্টিস্ট মোহাম্মদ যোবায়ের চিশতী ও তার দল। বাবল সিপ্যাপ মূলত গুরুতর নিউমোনিয়া ও রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতিতে ভোগা শিশুদের ফুসফুস সচল রাখতে সহায়তা করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ায়। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন পড়ে না। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এই কার্যক্রম দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আইসিডিডিআর,বি এর অংশ হিসেবে চিকিৎসক ও নার্সদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩০টিরও বেশি হাসপাতালের ৭৫ জনের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ঢাকায় আয়োজিত এক প্রশিক্ষণে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালের ৩০ জন সেবাদানকারী অংশ নেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে দ্রুত এই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. থ্যাডিয়াস ডেভিস এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশে উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তি শুধু দেশেই নয়, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও শিশুদের প্রাণ বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও এটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বাবল সিপ্যাপের যথাযথ ব্যবহার ইতোমধ্যেই শিশুদের মৃত্যু ও জটিলতা কমাতে সহায়তা করছে। তিনি দেশের সব হাসপাতালে এর ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদ্ধতি ব্যবহারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা জরুরি। যেমন— সঠিক রোগী নির্বাচন, দ্রুত চিকিৎসা শুরু, অক্সিজেনের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রেফার করা। শিশু বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, বাবল সিপ্যাপ একটি নন-ইনভেসিভ পদ্ধতি, যেখানে নাকের মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়া হয় এবং পানিতে ডুবানো নলের মাধ্যমে বুদবুদ তৈরি করে ফুসফুসে চাপ বজায় রাখা হয়। এতে ফুসফুস খোলা থাকে, শ্বাসকষ্ট কমে এবং অক্সিজেন গ্রহণ বাড়ে। ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এই যন্ত্রটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী। দেশের হাসপাতালগুলোতে এর ব্যবহার আরও বাড়ানো উচিত।” সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো— এই জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রটির সম্ভাব্য মূল্য মাত্র প্রায় ৩০০ টাকা, যা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। আইসিডিডিআর,বি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে রাজশাহী, বরগুনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও নাটোরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম প্রতিরোধ এবং নিউমোনিয়ার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তির বিস্তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু কমাতে বাবল সিপ্যাপ হতে পারে একটি বড় হাতিয়ার।

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

চুক্তি হলেও সরছে না মার্কিন বাহিনী! ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের কড়া বার্তা—শর্ত ভাঙলেই বড় হামলার হুঁশিয়ারি

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির আলোচনার মধ্যেও সামরিক অবস্থান থেকে একচুলও সরছে না যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর নজরদারি বজায় রাখতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, আধুনিক যুদ্ধবিমান এবং সেনাসদস্যদের ওই অঞ্চলে মোতায়েন রাখা হবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলেও তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক উপস্থিতি কমাবে না। তিনি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যদি তেহরান চুক্তির কোনো শর্ত লঙ্ঘন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযানে নামতে প্রস্তুত। ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে একটি “প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান” নিশ্চিত করা। এজন্য কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক চাপও সমানভাবে বজায় রাখা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ এখনো তীব্র। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে। প্রস্তাবিত সমঝোতা অনুযায়ী, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন নিশ্চয়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখার দায়িত্বও তেহরানের ওপর বর্তাবে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ইরান লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলার বিষয়টি সামনে এনে বলেছে, এই পরিস্থিতিতে স্থায়ী শান্তি চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়া যৌক্তিক নয়। তেহরানের মতে, আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ না হলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Reuters জানিয়েছে, উভয় পক্ষের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পষ্ট যে, কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতি বজায় রেখেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে, শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা থাকলেও অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা এখনো অনেকটাই অনিশ্চিত।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার আরও ২৫ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ সর্বসম্মতিক্রমে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে, যার ভিত্তিতেই এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হয়।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং ঘটনাটির প্রধান দায়িত্ব বহন করেন।অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন সাবেক এসআই বিভূতিভূষণ রায়, রংপুর পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান এবং সাবেক ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম নয়ন। আদালত মনে করেন, তারা পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও সহায়তার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।এই মামলায় মোট ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল এবং রায়ে প্রত্যেকের সাজা নিশ্চিত হয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে আইন বিশেষজ্ঞরা একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।রায় ঘোষণার সময় আদালতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এ রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে এবং নিহত আবু সাঈদের পরিবারের জন্য এটি আংশিক স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই রায় শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারই নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক

“শাহজালাল থার্ড টার্মিনালে জাপানের বড় প্রস্তাব: আয়ের ২২.৫% বাংলাদেশকে—তবুও কেন চুক্তি ঝুলে?”

“শাহজালাল থার্ড টার্মিনালে জাপানের বড় প্রস্তাব: আয়ের ২২.৫% বাংলাদেশকে—তবুও কেন চুক্তি ঝুলে?”

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বড় অঙ্কের রাজস্ব ভাগাভাগির প্রস্তাব। জাপানের Sumitomo Corporation-এর নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম টার্মিনাল থেকে অর্জিত মোট আয়ের ২২ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। ৩ এপ্রিল ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ‘থার্ড টার্মিনাল পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ’ সংক্রান্ত বৈঠকে এই প্রস্তাব তুলে ধরে জাপানি প্রতিনিধি দল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকার প্রস্তাবটিকে আরও উন্নত করার জন্য পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে একই কনসোর্টিয়াম মাত্র ১৮ শতাংশ রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। ফলে দ্বিতীয় বৈঠকে প্রস্তাব বাড়ানো হলেও এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। প্রস্তাব অনুযায়ী, জাপানি কনসোর্টিয়াম ১৫ বছরের জন্য টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চায়। এ সময় তারা প্রায় ১৫৯.৮ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে। বিনিময়ে টার্মিনালের মোট আয়ের একটি অংশ পাবে, যার মধ্যে ২২.৫% বাংলাদেশকে দেওয়া হবে। টার্মিনালের রাজস্ব মূলত দুই ভাগে বিভক্ত: যাত্রী সার্ভিস ফি ল্যান্ডিং চার্জ বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহার ফি কার্গো সিকিউরিটি চার্জ বর্তমানে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা (প্রায় ৬.৪ ডলার) এবং অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা সার্ভিস ফি নেওয়া হয়। প্রতি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে গড়ে ২,১৫৭ ডলার ল্যান্ডিং চার্জ আদায় করা হয়। ডিউটি-ফ্রি শপ খাবার ও পানীয় পার্কিং গাড়ি ভাড়া বিজ্ঞাপন লাউঞ্জ ও রিয়েল এস্টেট লিজিং বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি আধুনিক বিমানবন্দরের মোট আয়ের ৪০–৫০% আসে এই নন-অ্যারোনটিক্যাল খাত থেকে। Japan International Cooperation Agency-এর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক যাত্রীই থাকবে ১ কোটি ৩৫ লাখের বেশি। ২১ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই আধুনিক টার্মিনালটি এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রস্তুত থাকলেও অপারেটর নিয়োগে সমঝোতা না হওয়ায় চালু করা সম্ভব হয়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের পরও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করতে ৬ থেকে ৮ মাস সময় লাগবে। ফলে চলতি বছর টার্মিনাল চালুর সম্ভাবনা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানিয়েছেন, “জাপানের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে, অনেক বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।” থার্ড টার্মিনাল নিয়ে জাপানের বিনিয়োগ ও রাজস্ব ভাগাভাগির প্রস্তাব বড় সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে শর্তাবলীতে পুরোপুরি একমত না হওয়ায় এখনো চুক্তি ঝুলে আছে। দ্রুত সমাধান না হলে দেশের সবচেয়ে আধুনিক বিমানবন্দর সুবিধা চালু হতে আরও বিলম্ব হতে পারে।

০৭ এপ্রিল ২০২৬

আইন-বিচার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা

 মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তামধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি—বিশেষ করে ইরান, ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট উত্তেজনার কারণে—সেখানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি ভাই-বোনদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো যাচ্ছে: জরুরি করণীয়1️⃣ আপনার অবস্থানরত দেশে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি, হয়রানি, বা জরুরি পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে দ্রুত নিকটস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস/এম্বাসির সাথে যোগাযোগ করুন।2️⃣ দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেলে আমাদেরকে অবহিত করুন।3️⃣ আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব আপনাদের সমস্যা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে সমাধানের ব্যবস্থা করতে। আমরা আছি আপনাদের পাশেপ্রবাসে থাকা আমাদের ভাই-বোনেরা দেশের গর্ব ও অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। আপনাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।পাশে ছিলাম, পাশে আছি, পাশে থাকব — ইনশাআল্লাহ।ইঞ্জি: আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংসদ সদস্য, নরসিংদী- ৫ রায়পুরা

০১ মার্চ ২০২৬

রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ—কি বার্তা লুকিয়ে আছে এই বৈঠকে?

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ—কি বার্তা লুকিয়ে আছে এই বৈঠকে?

রাজধানীর জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়বস্তু এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে—দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাধারণত কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং এতে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা খাতে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। তাই এই সাক্ষাৎকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য সরকারি সূত্রের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষা করা হচ্ছে।

“সংস্কার থামলেই নতুন অভ্যুত্থান—হাসনাত আবদুল্লাহর কড়া হুঁশিয়ারি”

“সংস্কার থামলেই নতুন অভ্যুত্থান—হাসনাত আবদুল্লাহর কড়া হুঁশিয়ারি”

রাজনৈতিক সংস্কার থেকে পিছিয়ে গেলে দেশে আবারও অভ্যুত্থানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কুমিল্লা–৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার থেকে সরে আসে, তাহলে ২০২৪ সালের মতো আরেকটি গণ–অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি সময়ের ব্যাপার মাত্র। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এসব কথা বলেন তিনি। ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ/প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে Voice for Reform। সংলাপে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার কমিশনের কার্যকারিতা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য হয়নি; বরং রাষ্ট্রকাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের দাবিতেই সেই আন্দোলন হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি পুরোনো ব্যবস্থাই বহাল রাখা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যে কেউ আবার স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে।” এ প্রসঙ্গে তিনি শেখ হাসিনা-র নাম উল্লেখ করে বলেন, “হাসিনা কোনো একক ব্যক্তি নয়, বরং ফ্যাসিবাদী চিন্তার সমষ্টি।” তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তন না হলে দেশ আবারও অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছিল যেখানে কাউকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নিখোঁজ করা হবে না। মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, কমিশনকে যদি সরকারি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়, তাহলে এর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ কার্যকর না হয়, তবে ২০০৯ সালের আইনে ফিরে গিয়ে তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যেতে পারে—যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। সংলাপে আরও বক্তব্য দেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী মানজুর-আল-মতিন। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণ–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত প্রণয়ন করা হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকারী আইন এখনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে রয়েছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং গুম বন্ধের অঙ্গীকার রক্ষায় দ্রুত বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সংলাপে আরও বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান। নাগরিক সংলাপটি সঞ্চালনা করেন ভয়েস ফর রিফর্মের উদ্যোক্তা ও সংগঠক ফাহিম মাশরুর। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপে উত্থাপিত বক্তব্যগুলো দেশের চলমান রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিকে আরও জোরালো করতে পারে।

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট এপ্রিলেই! তপশিল চূড়ান্তে কমিশন সভা, আজই আসছে ভোটার তালিকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের ১১তম সভা শুরু হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত আছেন। পাশাপাশি ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নিয়েছেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তপশিল ও ভোটের তারিখ নির্ধারণই প্রধান আলোচ্য বিষয়। তবে এর বাইরেও আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সভায় মোট পাঁচটি এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়াদি, নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা, শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন, নির্বাচন-পূর্ব ও পরবর্তী বিভিন্ন মামলা সংক্রান্ত বিষয় এবং নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় আহত ও নিহতদের ক্ষতিপূরণ নীতিমালা। এদিকে আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের দিন থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনে রাজনৈতিক দলগুলো জোটগতভাবে নির্বাচন করবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সেই সময়সীমা রোববার শেষ হয়েছে। ফলে আজ সোমবার সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। আইন আরও বলছে, গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সেই হিসেবে আগামী ১৪ মে’র মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। তবে নির্বাচন কমিশন চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সব মিলিয়ে, আজকের কমিশন সভা সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিতে পারে। এখন সবার নজর তপশিল ঘোষণা ও সম্ভাব্য ভোটের তারিখের দিকে।

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট এপ্রিলেই! তপশিল চূড়ান্তে কমিশন সভা, আজই আসছে ভোটার তালিকা

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের মধ্যে তুমুল বিতর্ক

সংবিধান সংস্কার নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত বিতর্ক: ‘আবেগ নয়, চলতে হবে সাংবিধানিক পথে’সংসদীয় প্রতিবেদক | ঢাকাজাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ ২০২৬) অধিবেশনের শুরুতেই বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে আইনি ও সাংবিধানিক ব্যাখ্যা নিয়ে এই বিতর্ক হয়।বিরোধীদলীয় নেতার উদ্বেগ ও দাবিঅনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৩ নভেম্বর ২০২৫-এ রাষ্ট্রপতির জারিকৃত ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলেও তা করা হয়নি।তিনি যুক্তি দেন, সংসদ সদস্যরা বর্তমানে দুটি ভিন্ন ক্ষমতায় (ক্যাপাসিটি) নির্বাচিত হয়েছেন—একইসাথে তারা জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির পরামর্শে সংসদের অধিবেশন ডাকা হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকা আইনের লঙ্ঘন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা যুক্তি: ‘রাষ্ট্র চলে আইনে, ইমোশনে নয়’বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্র কেবল আবেগ দিয়ে নয়, বরং সংবিধান ও আইনের কঠোর ধারা অনুযায়ী চলে। তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশটির আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে একে ‘না অধ্যাদেশ, না আইন—একটি আরোপিত আদেশ’ হিসেবে অভিহিত করেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল পয়েন্টগুলো ছিল:সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা: বর্তমান সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের’ কোনো অস্তিত্ব নেই। ফলে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে কোনো পরামর্শ দিতে পারেন না।আদালতের রুল: এই আদেশের নির্দিষ্ট অংশ কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা নিয়ে আদালত রুল জারি করেছেন। যদিও সংসদ সার্বভৌম, তবুও সংবিধান লঙ্ঘন করে কোনো আইন প্রণয়ন করা সম্ভব নয়।গণভোটের বিতর্ক: তিনি দাবি করেন, গণভোটে চারটি ভিন্ন প্রশ্ন থাকলেও মানুষের জন্য আলাদাভাবে উত্তর দেওয়ার সুযোগ ছিল না, যা পদ্ধতিগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ।সমাধানের পথ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনরায়কে সম্মান দিতে হলে তা সাংবিধানিক পথেই দিতে হবে। তিনি প্রয়োজনে বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল আনার বিষয়টি কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনার প্রস্তাব দেন।স্পিকারের সিদ্ধান্তবিতর্ক শেষে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ধরনের জটিল বিষয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে যথাযথ বিধি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং এরপর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা জানান।প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ (Quick Highlights):ইস্যু: জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন না করা।জামায়াত আমিরের দাবি: ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবস্থান: সংবিধানে সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নেই; আইনানুগ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই একমাত্র পথ।ফলাফল: বিষয়টি সংসদীয় কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের মধ্যে তুমুল বিতর্ক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেল সংশ্লিষ্ট সূত্রে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল: সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন প্রধাননিজস্ব প্রতিবেদক, সুপ্রিম কোর্ট | রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশের সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের লেখা ৭৪ পৃষ্ঠার এই ঐতিহাসিক রায়টি আপলোড করা হয়।রায়ের মূল দিকসমূহগত ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেছিলেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা ছিলেন— বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা অপরিহার্য।দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরিক্রমাএই রায়ের পথ প্রশস্ত হয়েছে কয়েক মাসের টানা শুনানির মাধ্যমে:রিভিউ আবেদন: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২৭ আগস্ট সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি প্রথম রিভিউ আবেদন করেন। পরবর্তীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার পৃথক আবেদন জানান।শুনানি: অক্টোবর ও নভেম্বর মাস জুড়ে প্রায় ১০ দিনব্যাপী এই মামলার শুনানি চলে। যেখানে ড. শরীফ ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং অ্যাডভোকেট শিশির মনির আবেদনকারীদের পক্ষে এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার ইতিহাসঅন্তর্ভুক্তি: ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি সংবিধানে যুক্ত হয়।বৈধতা: ২০০৪ সালে হাইকোর্ট একে বৈধ ঘোষণা করলেও ২০১১ সালে আপিল বিভাগের তৎকালীন বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এটি বাতিল করে দেয়।বাতিল ও পুনঃস্থাপন: ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ব্যবস্থাটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী প্রেক্ষাপটে সর্বোচ্চ আদালত আগের রায় পুনর্বিবেচনা করে পুনরায় এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনলেন।ভবিষ্যৎ প্রভাবএই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসমূহ একটি নিরপেক্ষ ও অরাজনৈতিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানা গেল সংশ্লিষ্ট সূত্রে

"সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে সংসদে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের আশঙ্কা"

আপনার দেওয়া বিস্তারিত তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রতিবেদন নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো। এটি যেকোনো সংবাদ মাধ্যম বা পোর্টালের জন্য উপযুক্ত।সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ: আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত জোটের, অনড় বিএনপিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | ১৫ মার্চ, ২০২৬ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ঘিরে সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং পৃথক অধিবেশন ডাকার দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী জোট। দাবি আদায় না হলে রাজপথে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র দলগুলো। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বিষয়টিকে সংসদের নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চায়।অধিবেশনের শুরুতেই হট্টগোল ও ওয়াকআউটগত বৃহস্পতিবার সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ চলাকালে নজিরবিহীন হট্টগোল সৃষ্টি হয়। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ আখ্যা দিয়ে অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টার আলোচনায় তারা অংশ নেবেন এবং কেন তারা ওয়াকআউট করেছেন তার ব্যাখ্যা সংসদে তুলে ধরবেন।‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও সময়সীমার সংকটজুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যার সময়সীমা আজ ১৫ মার্চ শেষ হচ্ছে। জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ তাদের জোটের সদস্যরা এরই মধ্যে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে পৃথক শপথ নিয়েছেন।জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোট সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন:"আজ ১৫ মার্চ সরকারের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সরকার যদি আজই জুলাই সনদ অনুযায়ী অধিবেশন না ডাকে, তবে তাদের এর দায় নিতে হবে। দাবি মানা না হলে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব।"সরকারের অবস্থান ও বিএনপির যুক্তিসংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নীতিনির্ধারকরা। কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি এবং সরকার চায় সব সমাধান সংসদের মাধ্যমেই হোক। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানও জানিয়েছেন, বিএনপি এই মুহূর্তে আলাদা অধিবেশন ডাকার পক্ষে নয় এবং সংসদের ভেতরেই এ নিয়ে আলোচনা হবে।সংসদ সচিবালয়ের সর্বশেষ তথ্যআজ রবিবার বেলা ১১টায় সংসদের মুলতবি অধিবেশন পুনরায় শুরু হচ্ছে। কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং বিভিন্ন মন্ত্রীদের জন্য ৪৬০টি প্রশ্ন জমা পড়েছে।

খেলাধুলা

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

খেলাধুলা

হংকং চায়নার বিপক্ষে ৪-৪ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া—এটা শুধু জয় না, মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ।

হংকং চায়নার বিপক্ষে ৪-৪ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে এশিয়ান গেমসের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া—এটা শুধু জয় না, মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ।

শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ হংকং বারবার ফিরে এসে ম্যাচকে করে তোলে উত্তেজনাপূর্ণ শেষ কোয়ার্টারে নাটকীয়ভাবে সমতা ফেরে টাইব্রেকারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স: ওয়ায়দুল জয় রোমান সরকার ফজলে রাব্বি —এই তিনজনের সফল শটেই জয় নিশ্চিত হয় কেন এই জয় গুরুত্বপূর্ণ? বাংলাদেশ বাছাইপর্বের সেরা ছয়ে উঠে গেছে ফলে আগামী এশিয়ান গেমসে খেলার টিকিট নিশ্চিত টুর্নামেন্টটি হবে জাপানে (সেপ্টেম্বরে) চাইনিজ তাইপেকে হারানো শ্রীলঙ্কার কাছে হার উজবেকিস্তানের সঙ্গে ড্র তারপর এই গুরুত্বপূর্ণ জয় সব মিলিয়ে ওঠানামার মধ্যেও দল শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছেছে—এটাই বড় কথা। বাংলাদেশ এর আগে এশিয়ান গেমসে ১১ বার খেলেছে, আর সেরা সাফল্য: ১৯৭৮ ২০১৮উভয়বারই ৬ষ্ঠ স্থান এবার এই যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে আবারও নতুন করে আশা জাগালো দল। চাও হলে আমি এই ম্যাচের টাইব্রেকারের বিশ্লেষণ বা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স আলাদা করে ভেঙে বলতে পারি।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !