দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
  • photo-stories ফটো স্টোরি

জাতীয়

ভিডিও সব ভিডিও

কোন ভিডিও নেই !

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পিএম
পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

পদত্যাগপত্র-জমা-দিয়েছেন-কোচ-সালাউদ্দিন।-তার-এই-সিদ্ধান্ত-সমর্থন-করেন-কি।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

খিলক্ষেত নিকুঞ্জ জনগণের স্বার্থে চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত সমাজ গড়বো: আলহাজ্ব ফজলুল হক

বনানী যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ লিটনের খপ্পরে নিঃস্ব বিধবা নারী রেশমি :থানায় অভিযোগ

কোতোয়ালি থানায় নারী নির্যাতন, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

টিএনটি-বিটিসিএল কলোনিতে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আশকোনায় বোমা উদ্ধার: দক্ষিণখান থানার তৎপরতায় রক্ষা পেল হাজারো প্রাণ

সব লড়াইয়ের অবসান, চলে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী

মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের টার্গেটে বিএনপি নেতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতার দাবি

বনানীতে শারমীন শিলার কুকর্ম সীমাহীন মুল টার্গেট শিল্পপতি ব্যবসায়ী!!!

এনসিপির সমর্থনে জামায়াত প্রার্থিতা প্রত্যাহার হাতিয়ায় ১০ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

১০

বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

জনপ্রিয় সব খবর

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪: কুমিল্লার একই পরিবারের সদস্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা: এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারালেন সকল আরোহী

১২ মার্চ বেলা ১১টায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বনানীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিধবা নারী জিম্মির দাবি

"শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন: পছন্দের জনবল নিয়োগকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে সরকার।

১০

মালয়েশিয়ায় ৭.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প: জারি হতে পারে সুনামির সতর্কতা

সর্বশেষ সব খবর

সারাদেশ

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

Gemini saidআপনার দেওয়া তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি সংবাদ প্রতিবেদন নিচে গুছিয়ে লিখে দিচ্ছি:ফ্যামিলি কার্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ফ্যামিলি কার্ডের প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যেন কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন এবং তালিকা প্রণয়নে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা ভুয়া নিবন্ধন প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সমন্বিত তথ্যভান্ডারের ওপর গুরুত্বারোপপ্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করতে হলে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন:"সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত পরিবারভিত্তিক তথ্যভান্ডার (Database) গড়ে তোলা জরুরি। এর মাধ্যমে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছানো সহজ হবে।"সভায় আলোচিত মূল বিষয়সমূহসভায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং এটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:সঠিক উপকারভোগী চিহ্নিতকরণ: প্রকৃত নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে খুঁজে বের করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা।ডাটাবেজ হালনাগাদ: জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) তথ্যভান্ডারের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নির্ভুল তালিকা তৈরি।বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা: পণ্য ও সহায়তা বিতরণে যাতে কোনো ধরনের নয়ছয় না হয়, সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখা।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসভায় জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট পণ্য ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ডাটাবেজ সমন্বয়ের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই এই কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা ও বাস্তবায়ন রূপরেখা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হবে।

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন, আজই তফসিলনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাবগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় এবং আজই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।আসন দুটি শূন্য হওয়ার প্রেক্ষাপটবগুড়া-৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে জয়লাভ করেছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী একজন সদস্য একাধিক আসনে বিজয়ী হলে একটি রেখে বাকিগুলো ছেড়ে দিতে হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা পোষণ করে কমিশনে ঘোষণাপত্র দাখিল করেন। এর ফলে ওই দিন থেকেই বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়।শেরপুর-৩: অন্যদিকে, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান বাদল গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে এই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল।নির্বাচনের প্রস্তুতিইসি সূত্র জানিয়েছে, আজ তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ জানানো হবে। ৯ এপ্রিল দুই আসনেই ব্যালট বা ইভিএমের মাধ্যমে (কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

রাজস্ব আদায়ে বড় ধাক্কা: সাত মাসে ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকাঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক | ঢাকা সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলেও দেশের অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কর আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।তিন খাতেই বড় পতনএনবিআরের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ১১৩ কোটি টাকা। আয়ের তিনটি প্রধান খাতেই এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে:আয়কর খাত: সবচেয়ে বড় ঘাটতি হয়েছে এই খাতে। ১ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা লক্ষ্যের বিপরীতে আদায় হয়েছে মাত্র ৭৫ হাজার ৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ঘাটতি প্রায় ২৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।আমদানি শুল্ক: আমদানিতে স্থবিরতার কারণে এই খাতে ঘাটতি ১৫ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা।ভ্যাট খাত: উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমায় ভ্যাট আদায় কম হয়েছে। এ খাতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা।কেন এই ধস?সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের মতে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে স্থবিরতা ছিল। নতুন বিনিয়োগ না আসা এবং সরকারি প্রকল্পগুলো ধীরগতিতে চলায় শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে। ফলে আমদানি পর্যায়ে সরকার আশানুরূপ শুল্ক পায়নি।অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের আয় না বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় (বাসাভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য) কয়েকগুণ বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৫৮ শতাংশ। উচ্চ সুদের হারের কারণে ঋণের ব্যয় বাড়লেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি এখনো কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনেনি।ব্যবসায়ীদের উদ্বেগবাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু জানান, "ব্যবসা-বাণিজ্যের টার্নওভার না বাড়লে রাজস্ব বাড়বে না। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে কেউ বিনিয়োগ করবে না। এখন নতুন সরকার করনীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধান কীভাবে দেয়, তার ওপরই বিনিয়োগ নির্ভর করছে।"নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জঅর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলেও কোষাগারের এই বিশাল শূন্যতা তাদের বড় ধরনের ভোগান্তিতে ফেলবে। পুঁজিবাজারে আস্থার অভাব, সংকুচিত কর্মসংস্থান এবং ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা দূর করাই হবে নির্বাচিত সরকারের জন্য প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ।সংক্ষেপে মূল চিত্র:মোট ঘাটতি: ৬০,১১৩ কোটি টাকা (জুলাই-জানুয়ারি)মূল্যস্ফীতি: ৮.৫৮% (জানুয়ারি)সংকট: আয়কর, ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক—তিনটি খাতেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যর্থ।

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতির বিস্ফোরক তথ্য: ‘আমাকে প্রাসাদবন্দি করে রাখা হয়েছিল’নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে বঙ্গভবনের অন্দরমহলে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে মুখ খুলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর দেড় বছরের সময়কালকে 'শ্বাসরুদ্ধকর' ও 'গৃহবন্দি' দশা হিসেবে অভিহিত করেছেন।সাক্ষাৎকারে তিনি শেখ হাসিনার দেশত্যাগ, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর টানাপোড়েনের বিষয়ে অনেক অজানা ও বিস্ফোরক তথ্য শেয়ার করেছেন।৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিটরাষ্ট্রপতি জানান, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণবিস্ফোরণের মুখে শেখ হাসিনার বঙ্গভবনে আসার কথা ছিল। দুপুর ১২টার দিকে জানানো হয় তিনি আসছেন, কিন্তু মাত্র ৩০-৪০ মিনিটের ব্যবধানে দৃশ্যপট বদলে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় জানানো হয় তিনি আসছেন না এবং কিছুক্ষণ পরই খবর আসে তিনি দেশ ছেড়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, "ঘটনাপ্রবাহ এত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছিল যে আমরা প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলাম।"জরুরি অবস্থা জারির চাপ ও সেনাবাহিনীর ভূমিকারাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন একটি বড় তথ্য ফাঁস করে জানান, ওই সময় তাঁর ওপর জরুরি অবস্থা (Emergency) জারির জন্য বিভিন্ন মহল থেকে প্রচণ্ড চাপ ছিল। এমনকি একটি 'প্রতিবিপ্লব' ঘটানোর চেষ্টাও চলছিল। তবে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনী প্রধান এর ঘোর বিরোধী ছিলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, "সেনাবাহিনী চাইলে মার্শাল ল দিতে পারত, কিন্তু তারা তা করেনি। সেনাপ্রধানের মধ্যে ক্ষমতার কোনো মোহ ছিল না, তিনি চেয়েছিলেন দ্রুত একটি সাংবিধানিক সমাধান।"অন্তর্বর্তী সরকার ও সাংবিধানিক সুরক্ষাসংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকারের বিধান না থাকায় দেশে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি নিজেই ৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিল বিভাগের মতামত চান। আপিল বিভাগ যখন মতামত দেয় যে রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করতে পারেন, তখনই তিনি আইনি 'রক্ষাকবচ' পান এবং সরকার গঠন করেন।প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দূরত্ব ও মানসিক নিপীড়নরাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাঁকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:নামাজে বাধা: দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে তাঁকে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে দেওয়া হয়নি।চিকিৎসায় বাধা: হার্টের সার্জারি পরবর্তী ফলোআপের জন্য সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে যাওয়ার আবেদন করলেও সরকার তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।সৌজন্যহীনতা: বঙ্গভবনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধান উপদেষ্টাকে দাওয়াত দেওয়া হলেও তিনি অংশ নেননি।রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমাকে অপমানিত করা হয়েছে যাতে আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করি এবং তারা অসাংবিধানিকভাবে পছন্দের কাউকে বসাতে পারে।"তারেক রহমান ও ভবিষ্যৎ রাজনীতিসদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন, "উনার মধ্যে রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি আছে। যেহেতু উনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে, তাই তিনি দেশের ভালো করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।"

আন্তর্জাতিক

ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা: এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারালেন সকল আরোহী

ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা: এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারালেন সকল আরোহী

ভারতে মাঝআকাশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত: রোগীসহ ৭ আরোহীর মৃত্যুচাতরা (ঝাড়খণ্ড): ভারতের ঝাড়খণ্ডে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজ্যের চাতরা জেলার সিমারিয়া এলাকার একটি গভীর জঙ্গলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।ঘটনার বিবরণ: ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ) ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, ‘রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড’ পরিচালিত বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। উড্ডয়নের প্রায় ২০ মিনিট পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাঁচি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সাথে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীতে সিমারিয়া ব্লকের বাড়িয়াতু পঞ্চায়েত এলাকার জঙ্গলে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।নিহতদের পরিচয়: চাতরার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি. সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নিশ্চিত করেছেন যে, বিমানে থাকা রোগী, চিকিৎসা কর্মী ও ক্রু সদস্যসহ সাতজনই ঘটনাস্থলে প্রাণ হারিয়েছেন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক মুমূর্ষু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাঁচি থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।দুর্ঘটনার কারণ: স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বিকট শব্দে বিমানটি আছড়ে পড়ে এবং তাতে আগুন ধরে যায়। রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াকে দুর্ঘটনার কারণ মনে করা হলেও প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে ডিজিসিএ।উদ্ধারকারী দল এরই মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঝাড়খণ্ডজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

৭ ঘন্টা আগে

আইন-বিচার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ৫১ দলের মধ্যে ৪২ দলই শূন্য, বিএনপি সর্বাধিক আসনে বিজয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ৫১ দলের মধ্যে ৪২ দলই শূন্য, বিএনপি সর্বাধিক আসনে বিজয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয় মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৯৭টি সংসদীয় আসনের ফলাফল প্রকাশ করেছে। একটি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে এবং আরও দুটি আসনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।ইসি ঘোষিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৫১টি দলের মধ্যে ৪২টি দল কোনো আসনেই জয়লাভ করতে পারেনি। ফলে এবারের নির্বাচনে মাত্র ৯টি রাজনৈতিক দল এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে।ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেয়েছে ২০৯টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জয়ী হয়েছে ৬৮টি আসনে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন। এ দলগুলো ১১ দলীয় জোটের শরিক।এ ছাড়া একটি করে আসন পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস। এছাড়া ৭টি আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় দলকেন্দ্রিক মেরুকরণ, জোটভিত্তিক নির্বাচন এবং কৌশলগত ভোটিংয়ের কারণে ছোট ও নতুন রাজনৈতিক দলগুলো প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। অনেক দল শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলেও শেষ পর্যন্ত শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে।ইসির তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল দলীয় ৬৩ জন ও স্বতন্ত্র ২০ জন। পুরুষ প্রার্থীর মধ্যে দলীয় ১ হাজার ৬৯২ জন এবং স্বতন্ত্র ২৫৩ জন।যেসব দল কোনো আসনে জয় পায়নি:লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় পার্টি-জেপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), জাকের পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, গণফোরাম, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, ইসলামী ফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিএমএল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ কংগ্রেস, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), জনতার দল, আমজনতার দল, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচন বড় দুই দল ও জোটকেন্দ্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ছোট দলগুলোর জন্য এটি হয়ে থাকল হতাশার এক অধ্যায়।

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাজনীতি

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয়: বিশেষ নির্দেশনা

Gemini saidআপনার দেওয়া তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি সংবাদ প্রতিবেদন নিচে গুছিয়ে লিখে দিচ্ছি:ফ্যামিলি কার্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ফ্যামিলি কার্ডের প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যেন কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন এবং তালিকা প্রণয়নে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা ভুয়া নিবন্ধন প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সমন্বিত তথ্যভান্ডারের ওপর গুরুত্বারোপপ্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করতে হলে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন:"সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত পরিবারভিত্তিক তথ্যভান্ডার (Database) গড়ে তোলা জরুরি। এর মাধ্যমে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে রাষ্ট্রীয় সহায়তা পৌঁছানো সহজ হবে।"সভায় আলোচিত মূল বিষয়সমূহসভায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং এটি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:সঠিক উপকারভোগী চিহ্নিতকরণ: প্রকৃত নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে খুঁজে বের করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা।ডাটাবেজ হালনাগাদ: জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) তথ্যভান্ডারের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নির্ভুল তালিকা তৈরি।বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা: পণ্য ও সহায়তা বিতরণে যাতে কোনো ধরনের নয়ছয় না হয়, সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখা।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসভায় জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট পণ্য ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ডাটাবেজ সমন্বয়ের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই এই কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা ও বাস্তবায়ন রূপরেখা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হবে।

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

বগুড়া ও শেরপুর উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: তফসিল ঘোষণা আজ

৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন, আজই তফসিলনিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাবগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় এবং আজই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।আসন দুটি শূন্য হওয়ার প্রেক্ষাপটবগুড়া-৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে জয়লাভ করেছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী একজন সদস্য একাধিক আসনে বিজয়ী হলে একটি রেখে বাকিগুলো ছেড়ে দিতে হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা পোষণ করে কমিশনে ঘোষণাপত্র দাখিল করেন। এর ফলে ওই দিন থেকেই বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়।শেরপুর-৩: অন্যদিকে, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান বাদল গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে এই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল।নির্বাচনের প্রস্তুতিইসি সূত্র জানিয়েছে, আজ তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ জানানো হবে। ৯ এপ্রিল দুই আসনেই ব্যালট বা ইভিএমের মাধ্যমে (কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

রাজস্ব আদায়ে বড় ধাক্কা: সাত মাসে ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকাঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক | ঢাকা সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলেও দেশের অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কর আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রাজস্ব ঘাটতি ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।তিন খাতেই বড় পতনএনবিআরের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ১১৩ কোটি টাকা। আয়ের তিনটি প্রধান খাতেই এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে:আয়কর খাত: সবচেয়ে বড় ঘাটতি হয়েছে এই খাতে। ১ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা লক্ষ্যের বিপরীতে আদায় হয়েছে মাত্র ৭৫ হাজার ৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ঘাটতি প্রায় ২৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।আমদানি শুল্ক: আমদানিতে স্থবিরতার কারণে এই খাতে ঘাটতি ১৫ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা।ভ্যাট খাত: উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমায় ভ্যাট আদায় কম হয়েছে। এ খাতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা।কেন এই ধস?সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের মতে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে স্থবিরতা ছিল। নতুন বিনিয়োগ না আসা এবং সরকারি প্রকল্পগুলো ধীরগতিতে চলায় শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে। ফলে আমদানি পর্যায়ে সরকার আশানুরূপ শুল্ক পায়নি।অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের আয় না বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় (বাসাভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য) কয়েকগুণ বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৫৮ শতাংশ। উচ্চ সুদের হারের কারণে ঋণের ব্যয় বাড়লেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি এখনো কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনেনি।ব্যবসায়ীদের উদ্বেগবাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু জানান, "ব্যবসা-বাণিজ্যের টার্নওভার না বাড়লে রাজস্ব বাড়বে না। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে কেউ বিনিয়োগ করবে না। এখন নতুন সরকার করনীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধান কীভাবে দেয়, তার ওপরই বিনিয়োগ নির্ভর করছে।"নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জঅর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলেও কোষাগারের এই বিশাল শূন্যতা তাদের বড় ধরনের ভোগান্তিতে ফেলবে। পুঁজিবাজারে আস্থার অভাব, সংকুচিত কর্মসংস্থান এবং ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা দূর করাই হবে নির্বাচিত সরকারের জন্য প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ।সংক্ষেপে মূল চিত্র:মোট ঘাটতি: ৬০,১১৩ কোটি টাকা (জুলাই-জানুয়ারি)মূল্যস্ফীতি: ৮.৫৮% (জানুয়ারি)সংকট: আয়কর, ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক—তিনটি খাতেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যর্থ।

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আদায়ে ধস, ঘাটতির পাহাড় ৬০ হাজার কোটি।

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতির বিস্ফোরক তথ্য: ‘আমাকে প্রাসাদবন্দি করে রাখা হয়েছিল’নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা গত ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসনামলে বঙ্গভবনের অন্দরমহলে কী ঘটেছিল, তা নিয়ে মুখ খুলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর দেড় বছরের সময়কালকে 'শ্বাসরুদ্ধকর' ও 'গৃহবন্দি' দশা হিসেবে অভিহিত করেছেন।সাক্ষাৎকারে তিনি শেখ হাসিনার দেশত্যাগ, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর টানাপোড়েনের বিষয়ে অনেক অজানা ও বিস্ফোরক তথ্য শেয়ার করেছেন।৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিটরাষ্ট্রপতি জানান, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণবিস্ফোরণের মুখে শেখ হাসিনার বঙ্গভবনে আসার কথা ছিল। দুপুর ১২টার দিকে জানানো হয় তিনি আসছেন, কিন্তু মাত্র ৩০-৪০ মিনিটের ব্যবধানে দৃশ্যপট বদলে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় জানানো হয় তিনি আসছেন না এবং কিছুক্ষণ পরই খবর আসে তিনি দেশ ছেড়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, "ঘটনাপ্রবাহ এত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছিল যে আমরা প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলাম।"জরুরি অবস্থা জারির চাপ ও সেনাবাহিনীর ভূমিকারাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন একটি বড় তথ্য ফাঁস করে জানান, ওই সময় তাঁর ওপর জরুরি অবস্থা (Emergency) জারির জন্য বিভিন্ন মহল থেকে প্রচণ্ড চাপ ছিল। এমনকি একটি 'প্রতিবিপ্লব' ঘটানোর চেষ্টাও চলছিল। তবে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ তিন বাহিনী প্রধান এর ঘোর বিরোধী ছিলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, "সেনাবাহিনী চাইলে মার্শাল ল দিতে পারত, কিন্তু তারা তা করেনি। সেনাপ্রধানের মধ্যে ক্ষমতার কোনো মোহ ছিল না, তিনি চেয়েছিলেন দ্রুত একটি সাংবিধানিক সমাধান।"অন্তর্বর্তী সরকার ও সাংবিধানিক সুরক্ষাসংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকারের বিধান না থাকায় দেশে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি নিজেই ৮ আগস্ট প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিল বিভাগের মতামত চান। আপিল বিভাগ যখন মতামত দেয় যে রাষ্ট্রপতি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করতে পারেন, তখনই তিনি আইনি 'রক্ষাকবচ' পান এবং সরকার গঠন করেন।প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দূরত্ব ও মানসিক নিপীড়নরাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাঁকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো:নামাজে বাধা: দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে তাঁকে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে দেওয়া হয়নি।চিকিৎসায় বাধা: হার্টের সার্জারি পরবর্তী ফলোআপের জন্য সিঙ্গাপুর ও লন্ডনে যাওয়ার আবেদন করলেও সরকার তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।সৌজন্যহীনতা: বঙ্গভবনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধান উপদেষ্টাকে দাওয়াত দেওয়া হলেও তিনি অংশ নেননি।রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমাকে অপমানিত করা হয়েছে যাতে আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করি এবং তারা অসাংবিধানিকভাবে পছন্দের কাউকে বসাতে পারে।"তারেক রহমান ও ভবিষ্যৎ রাজনীতিসদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছেন। তিনি বলেন, "উনার মধ্যে রাষ্ট্রনায়কোচিত গুণাবলি আছে। যেহেতু উনার শরীরে মুক্তিযোদ্ধার রক্ত বইছে, তাই তিনি দেশের ভালো করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।"

এবার রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক মন্তব্য; তোলপাড় রাজনৈতিক অঙ্গন

১২ মার্চ বেলা ১১টায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

আগামী ১২ মার্চ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশননিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬আগামী ১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এই প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. এমাদুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই আদেশ জারি করা হয়।অধিবেশনের গুরুত্ব ও কর্মসূচি: সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সরকারের বিগত দিনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরে ভাষণ দেবেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর তার ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া ত্রয়োদশ সংসদের এই প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। ইতোমধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণসহ অন্যান্য সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে গত জানুয়ারি মাসে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এই নতুন সংসদ গঠিত হয়েছে।

১২ মার্চ বেলা ১১টায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বনানীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিধবা নারী জিম্মির দাবি

⚠️ যুবদল নেতা লিটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ — বিধবা নারী জিম্মির অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা রাজধানীর বনানী ১৯নং ওয়ার্ডের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী হিসেবে পরিচয় দেওয়া বনানীর স্যাটেলাইট এলাকার বাসিন্দা এক বিধবা নারী অভিযোগ করেছেন—তার ব্যক্তিগত কিছু ছবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়েছে।  অভিযোগ অনুযায়ী: ▪️ বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি ▪️ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি ▪️ সামাজিক মাধ্যমে মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর ভয় দেখানো ▪️ বিকাশ লেনদেনের স্ক্রিনশট সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর ভাষ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের কাছে সুরক্ষা ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি করেছেন।  ???? স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বনানী থানায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে একাধিক অভিযোগ থাকার কথাও শোনা যাচ্ছে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ হয়নি।  ???? অভিযুক্তের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  ⚖️ দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশ বলছেন— অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি দল ও সরকারের ভাবমূর্তির জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তারা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।  ???? ঘটনার অনুসন্ধান চলমান  ???? শেয়ার করে সচেতনতা তৈরি করুন ✍️ মতামত দিন, তবে দায়িত্বশীল ভাষা ব্যবহার করুন

বনানীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিধবা নারী জিম্মির দাবি

খেলাধুলা

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

খেলাধুলা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পর্দা উঠলো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস লীগ-২৪

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পর্দা উঠলো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস লীগ-২৪

স্পোর্টস ডেস্ক:  ক্যালিফোর্নিয়ার উডলি ক্রিকেট পার্কে ৮ দলের অংশগ্রহনে পর্দা উঠলো বহুল প্রত্যাশিত বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস লীগ ২০২৪।গত রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ৯ টায় উডলি ক্রিকেট গাউন্ডে  বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস লীগের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠানিত হয়।  টুর্ণামেন্টের উদ্ধোধনী ম্যাচে রুথলেস গ্লাডিয়েটরস কে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নেয় ক্যালিফোর্নিয়া ইগল। এছাড়া খেলার প্রথম রাউন্ডে চারটি পৃথক মাঠে ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।এবারের আসরে সবার দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দুতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্পন্সরে অংশ নেয়া বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের  টিম রুথলেস গ্লাডযেটরস।প্রবাসী বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন সিটির বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বিদেশী ক্রিকেটাররাও অংগ্রহন করেন।টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ নেয়া ৮টি দলের গ্রুপ "এ" তে বেঙ্গল ইলেভেন, এল এ বাংলা ইউনিক, নোহো টাইটানস, এসএফ ওয়ারিয়র্স & গ্রুপ "বি" তে বেঙ্গল ওয়ারিয়র্স, ক্যালিফোর্নিয়া ঈগলস, রুথলেস গ্ল্যাডিয়েটর্স  এবং সিলেট কনকোয়েরার্স। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ৮টি দলের খেলোয়াড় ও গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা শ্রেণিপেশার তিনশতাধিক ক্রিকেট ভক্ত উপস্থিত ছিলেন।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !