আওয়ামী লীগের মিছিল হবে’—ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরদিন বগুড়ায় যুবক গ্রেপ্তার
‘আওয়ামী লীগের মিছিল হবে, সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে’—ফেসবুকে এমন স্ট্যাটাস দেওয়ার পরদিনই বগুড়ার সোনাতলায় মঞ্জুরুল আলম সৌরভ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সুজাইতপুর গোবরচাপড়া বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত মঞ্জুরুল আলম সৌরভ সোনাতলা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম বুলুর ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একটি নাশকতা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে সোনাতলা সদর ইউনিয়নের সুজাইতপুর এলাকার গোবরচাপড়া বিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে সৌরভকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের দাবি, আগের একটি নাশকতা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফেসবুকে মিছিলের ঘোষণা দেওয়ার বিষয়টি গ্রেপ্তারের আগের দিনের ঘটনা হলেও, পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে পূর্বের মামলাও রয়েছে।সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কবীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, পূর্বের একটি নাশকতা মামলায় মঞ্জুরুল আলম সৌরভকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।আওয়ামী লীগের মিছিল হবে, সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে’—এমন বক্তব্যের ফেসবুক স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।তবে ওই স্ট্যাটাসের সঙ্গে নাশকতা মামলার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা পুলিশ নিশ্চিত করেনি। গ্রেপ্তারের কারণ হিসেবে পুলিশ পূর্বের মামলার কথা উল্লেখ করেছে।গুরুত্বপূর্ণ দিকবগুড়ার সোনাতলায় মঞ্জুরুল আলম সৌরভ নামে এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন।ফেসবুকে আওয়ামী লীগের মিছিল নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পরদিন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একটি নাশকতা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।স্ট্যাটাসের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক আছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে পুলিশের বক্তব্য ও আদালতের প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।এই ঘটনায় ফেসবুক স্ট্যাটাস ও পুরোনো মামলার বিষয়টি একসঙ্গে আলোচনায় এসেছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র আছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তাই নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরঞ্জিত দাবি বা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।