দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যায় স্ত্রীর মামলা, আসামি অজ্ঞাত ৮ জন

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে গুলিতে নিহত সাংবাদিক লুৎফরজ্জামান ফকির ওরফে আলিফ ফকির হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিহতের স্ত্রী অনিন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার সাকের আহমেদ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।সাংবাদিক হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এসআরবি-১৪ ময়মনসিংহের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাসুদরানা।তিনি বলেন, ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই পুলিশ কর্মকর্তারা এলাকায় কাজ করছেন। পাশাপাশি ছায়া তদন্তও অব্যাহত রয়েছে।নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী অনিন্দিতা সাংমা জানান, তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে। স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সন্তানদের নিয়ে তিনি আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।ঘটনার পর পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর উদ্বেগের বিষয়টি সামনে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের তদন্তের পাশাপাশি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার তেলুঞ্জিয়া এলাকায় একটি চায়ের দোকানের সামনে সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করা হয়। এতে তিনি নিহত হন।তবে কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার সাকের আহমেদ বলেন, ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ, ঘটনাস্থলের আলামতসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।এ ঘটনায় কারা জড়িত, হত্যার পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং ঘটনাটি পরিকল্পিত ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে বের করা জরুরি।একই সঙ্গে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী ও দুই সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। দ্রুত তদন্তের অগ্রগতি জানানো এবং প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যায় স্ত্রীর মামলা, আসামি অজ্ঞাত ৮ জন