রায়পুরায় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উৎসবের আমেজ, নবীনদের বরণ ও পুরস্কার বিতরণ
নরসিংদীর রায়পুরায় দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী, নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি রূপ নেয় প্রাণবন্ত এক মিলনমেলায়।শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন সম্পন্ন হয় বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজন২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে রায়পুরা মডেল কলেজ এবং ওয়াহিদুজ্জামান ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট (পিনাকল)-এর যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীন বরণ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা একসঙ্গে যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।[TECHTARANGA-POST:1069]প্রধান অতিথির উপস্থিতি ও বক্তব্যঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশরাফ উদ্দিন (বকুল)।তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন।তার বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি সুস্থ ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অপরিহার্য।রাজনৈতিক ও স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতিঅনুষ্ঠানে রায়পুরা উপজেলা বিএনপি, পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।[TECHTARANGA-POST:1062]উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন—
রায়পুরা পৌরসভা যুবদলের সভাপতি ইদ্রিস আলী মুন্সি
রায়পুরা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নূর আহমেদ চৌধুরী মানিক
তাদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে বাড়তি উৎসাহ যোগ করে।ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণদিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বিজয়ীদের মাঝে পরে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এটি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।নবীন বরণে নতুন অধ্যায়ের সূচনাঅনুষ্ঠানের আরেকটি আকর্ষণ ছিল নবীন বরণ পর্ব। নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং তাদের শুভেচ্ছা জানানো হয়।শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষার্থীরা নবীনদের সামনে শিক্ষা জীবনে সফলতার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রাণচাঞ্চল্যপুরো আয়োজনের শেষ অংশে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, নাচ ও আবৃত্তির পরিবেশনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বস্থানীয় শিক্ষাবিদরা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো তাদের নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলা ও সৃজনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করে।তাদের মতে, এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি আরও দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।উপসংহারসব মিলিয়ে রায়পুরার এই বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী ও অতিথিদের জন্য এক আনন্দঘন ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করবে।[TECHTARANGA-POST:1071]