দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন শি জিনপিং

ব্রিকস জোটভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুরে বিশেষ বিমানে সেখানে পৌঁছান তিনি।চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে গেছেন শি জিনপিং।সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার দুপুরে বিশেষ বিমানে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান চীনের প্রেসিডেন্ট।ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়াই তাঁর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তিনি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম।শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্রিকসের মতো বহুপক্ষীয় একটি প্ল্যাটফর্মে চীন ও ভারতের শীর্ষ নেতৃত্ব একই টেবিলে বসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পায়।ব্রিকস মূলত উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি জোট, যা সময়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতারা নিজেদের পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার সুযোগ পান। শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি তাই সম্মেলনের রাজনৈতিক গুরুত্বও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।তবে এবারের সম্মেলনে কোন কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট বক্তব্য দেবেন বা কী সিদ্ধান্ত হবে, তা সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও ঘোষণার পরই পরিষ্কার হবে।গুরুত্বপূর্ণ দিক শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন শি জিনপিং। বিশেষ বিমানে স্থানীয় সময় দুপুরে ভারতে পৌঁছান তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে সফর করছেন। ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেবেন চীনের প্রেসিডেন্ট। তাঁর পৌঁছানোর খবর জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি।ব্রিকসের মতো বহুপক্ষীয় জোটে বিশ্বের বড় উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর নেতারা একসঙ্গে বসেন। ফলে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি শুধু চীনের অংশগ্রহণের বিষয় নয়; সম্মেলনে চীনের অবস্থান ও অগ্রাধিকারও আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে।নিজস্ব পর্যবেক্ষণে, এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ব্রিকস সম্মেলন একই সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি সুযোগ তৈরি করে। আনুষ্ঠানিক সম্মেলনের বাইরেও বিভিন্ন দেশের নেতাদের মধ্যে বৈঠক ও আলোচনা হলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা বিষয় সামনে আসতে পারে।তবে কোনো নির্দিষ্ট দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বা সিদ্ধান্ত হয়েছে—এমন তথ্য আপনার দেওয়া তথ্যের মধ্যে নেই। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত দাবি করার সুযোগ নেই।আন্তর্জাতিক জোটের শীর্ষ সম্মেলনের আলোচনা অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে দূরের বিষয় মনে হলেও এসব বৈঠকে নেওয়া অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের প্রভাব পরে বিভিন্ন দেশের ব্যবসা, বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে পড়তে পারে।তাই ব্রিকস সম্মেলনে কী আলোচনা হচ্ছে, কোন বিষয়ে দেশগুলো একমত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে—এসবের দিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।নয়াদিল্লিতে শি জিনপিং পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে চীনের শীর্ষ পর্যায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলো। এখন সম্মেলনে তাঁর বক্তব্য, অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসে, সেদিকেই নজর থাকবে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন শি। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ও পরবর্তী ঘোষণাগুলো থেকেই সফরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব আরও পরিষ্কার হবে।

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন শি জিনপিং