প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
“কৃষকের ঘরে স্বপ্নের আলো: ‘কৃষক কার্ড’ দিয়ে সরাসরি টাকা, বদলে যাবে গ্রামীণ অর্থনীতি”
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল করে তুলতে সরকার চালু করেছে বহুল আলোচিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা। তিনি জানান, কৃষকদের জীবনের মানোন্নয়ন ও তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতেই এই ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে দেশের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে প্রতীকীভাবে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে একটি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগের মাধ্যমে বেলা ১২টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ ১১টি উপজেলার মোট ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের ব্যাংক হিসাবে মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি ২,৫০০ টাকা করে জমা হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরাসরি ১০ ধরনের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে কৃষকরা তাদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থানের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি এবং দেশের অধিকাংশ পরিবার কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবারের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল।তিনি আরও বলেন, “এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, তাহলে পুরো দেশই সচ্ছল থাকবে। কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।”সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।এই উদ্যোগকে কৃষি খাতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং কৃষকদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ হাবিব
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর